ঢাকা, বুধবার,২২ নভেম্বর ২০১৭

মধ্যপ্রাচ্য

সৌদি আরবে দুই ধর্মীয় নেতা গ্রেফতার, নেপথ্যে কে?

রয়টার্স

১২ সেপ্টেম্বর ২০১৭,মঙ্গলবার, ১৪:৩৭


প্রিন্ট
প্রিন্স সালমান

প্রিন্স সালমান

সৌদি আরবের এক প্রখ্যাত ধর্মীয় নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে খবর হয়েছে। গত রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টের সূত্রে খবরটি পাওয়ার কথা জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। ওই পোস্টের বরাত দিয়ে খবরে বলা হয়, শনিবার অথবা রোববার প্রভাবশালী ধর্মীয় নেতা শেখ সালমান আল-আবদাহকে আটক করা হয়েছে। তার মতো আরেকজন ধর্মীয় নেতাকেও আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে।


সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে আল-আবদাহর এক কোটি ৪০ লাখ অনুসারী আছে। সৌদি আরবে রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রচারণা চালানোর জন্য ১৯৯৪-৯৯ পর্যন্ত কারাবন্দী ছিলেন তিনি। দেশটির চূড়ান্ত ক্ষমতাসম্পন্ন শাসকদের সমালোচনাকারী হিসেবে বিবেচিত ইসলামপন্থীদের দমনের উদ্দেশ্যে এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। 


কাতারের সঙ্গে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন আরব দেশগুলোর বিরোধ মিটে যেতে পারে, শুক্রবার প্রকাশিত এমন একটি খবরকে টুইটারে নিজের শেষ পোস্টে স্বাগত জানিয়েছিলেন তিনি। ওই খবরে বলা হয়েছিল, জুনে শুরু হওয়া বিরোধ মেটানোর পথ নিয়ে টেলিফোনে কথা বলেছেন কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি ও সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। এর প্রতিক্রিয়ায় টুইটার পোস্টে আবদাহ বলেন, ‘তাদের জনগণের মঙ্গলের জন্য আল্লাহ তাদের পরস্পরের হৃদয়কে মিলিয়ে দিন।’ কিন্তু ‘সত্য ঘটনা বিকৃতির’ অভিযোগ তুলে সৌদি আরব কাতারের সঙ্গে সংলাপ স্থগিত করলে দুই পক্ষের বিরোধ মেটানোর আশা নিভে যায়। কাতার ইসলামপন্থী গোষ্ঠীগুলোকে সমর্থন দিচ্ছে এমন অভিযোগ এনে দেশটির সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও মিসর। অবশ্য কাতার এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।


আবদাহকে নিয়ে গত সপ্তাহে সৌদি কর্তৃপক্ষ দুইজন ধর্মীয় নেতা ও অপর ১৮ জনকে আটক করেছে বলে খবর প্রকাশ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত খবরগুলোতে বলা হয়েছে, টুইটারে ২২ লাখ অনুসারী থাকা আরেকজন প্রখ্যাত ধর্মীয় নেতা আওয়াদ আল কারনিকে আটক করা হয়েছে। আবদাহের মতো কারনিও কাতারের সঙ্গে আরব দেশগুলোর বিরোধ মিটিয়ে ফেলার পক্ষে কথা বলেছিলেন। এই দুই ধর্মীয় নেতাকে গ্রেফতারের বিষয়ে মন্তব্যের যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও সৌদি আরবের কোনো কর্মকর্তাকে তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

 

সিঙ্গাপুরের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট হালিমা
 রয়টার্স ও স্টেটটাইমস


স্বাধীনতার প্রায় ৪৭ বছর পর নগররাষ্ট্র সিঙ্গাপুরের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন হালিমা ইয়াকুব। এর আগে তিনি সিঙ্গাপুর পার্লামেন্টের স্পিকার ছিলেন। তিনি মালয় সম্প্রদায়ভুক্ত। মালয় সম্প্রদায়ের দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে দেশটির সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদে বসতে যাচ্ছেন তিনি।


সিঙ্গাপুরের নির্বাচন বিভাগ যাচাই-বাছাইয়ের পর সোমবার প্রেসিডেন্ট পদে মাত্র একজন প্রার্থীকে যোগ্য হিসেবে ঘোষণা করেন। ঘোষণায় তার নাম বলা না হলেও অযোগ্য প্রার্থীদের নাম প্রকাশ করায় এটি নিশ্চিত হয়েছে যে, একমাত্র যোগ্য প্রার্থী হলেন হালিমা ইয়াকুব।


নির্বাচন বিভাগ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মাত্র একজন প্রার্থী সক্ষমতার সনদ ও কমিউনিটি সনদ পেয়ে প্রেসিডেন্ট পদে যোগ্য বলে বিবেচিত হয়েছেন। আর কোনো প্রার্থী না থাকায় নির্বাচন হবে নাÑ স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রেসিডেন্ট পদে অধিষ্ঠিত হচ্ছেন তিনি। সিঙ্গাপুরের অষ্টম প্রেসিডেন্ট হিসেবে বৃহস্পতিবার দায়িত্ব নেবেন হালিমা ইয়াকুব। এর আগে বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে তার নাম ঘোষণা করবে নির্বাচন বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং কর্মকর্তা। সাবেক প্রেসিডেন্ট টনি তানের মেয়াদ শেষ হয়েছে ৩১ আগস্ট।

পদটি খালি হওয়ায় প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা পরিষদের চেয়ারম্যান জে ওয়াই পিল্লাই ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সিঙ্গাপুরের প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন ইউসুফ ইসহাক। একই সঙ্গে তিনি ছিলেন প্রথম মালয় প্রেসিডেন্ট। ১৯৭০ সালে ইন্তেকাল করার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত তিনি প্রেসিডেন্ট পদে বহাল ছিলেন।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫