ঢাকা, মঙ্গলবার,২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭

নিত্যদিন

কিশোর মুসা রবিনের অভিযান

রকিব হাসান

১২ সেপ্টেম্বর ২০১৭,মঙ্গলবার, ০০:০০


প্রিন্ট

আঠার.

আরো কিছু প্রশ্ন মনের মধ্যে খচখচ করছে আমার। সেগুলো জিজ্ঞেস করব কি না ভাবছি, এ সময় কিটু বলল, ‘ওগুলো দেখতে চাও?’
‘নিশ্চয়ই,’ সুযোগ লুফে নিলাম। একটা মোমবাতি তুলে নিয়ে দরজার দিকে এগোলাম। আমার পেছন পেছন এলো কিটু।
দরজায় তালা নেই। সহজেই খুলে ফেললাম। দরজার গোড়ায় দাঁড়িয়ে অন্ধকারের দিকে তাকিয়ে চোখ মিটমিট করলাম কয়েক সেকেন্ড। মোমের আলোতে প্রথমে কিছু দেখতে পেলাম না।
ধীরে ধীরে অন্ধকার সয়ে এলো চোখে। বারান্দা দেখলাম। এক সময় খোলা থাকলেও এখন দেয়াল তুলে ঘিরে ফেলা হয়েছে ওটাকে। বড় বড় জানালা করে দেয়া হয়েছে। সেগুলোতে কাচের বদলে তারের জাল লাগানো।
বারান্দা থেকে বাইরে যাওয়ার একটা দরজাও আছে কিংবা বলা যায় ছিল। এখন নেই। পাল্লা খুলে ফেলে দিয়ে ফাঁকটা মোটা কাঠ দিয়ে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। কাঠগুলো পেরেক দিয়ে দরজার চৌকাঠের সঙ্গে আটকানো। খোলা কঠিন।
ঢোক গিললাম। ‘তোমার পোষা প্রাণীরা এত বদ্ধ জায়গায় থেকে আরাম পায়?’
‘ঝামেলা তো করে না,’ শান্ত কণ্ঠে জবাব দিলো কিটু। ‘তা ছাড়া বেশি দিন এখানে থাকতে হয় না ওদের কাউকেই।’
ও কী বলতে চায়, বুঝলাম না। তবে আর প্রশ্ন করতে ভালো লাগল না। এতক্ষণে অন্ধকার ভালোমতোই চোখে সয়ে গেছে আমার। মোমের মৃদু আলোয় খাঁচাগুলো দেখতে পাচ্ছি। আধা ডজন খাঁচা সাজিয়ে রাখা হয়েছে মেঝেতে।
খাঁচায় রাখা প্রাণীগুলোকে চিনতে পেরে মোচড় দিয়ে উঠল পেটের মধ্যে। পাখি কিংবা গিনিপিগ নয়, খাঁচার এই প্রাণীগুলো আরো অনেক বড়। যেগুলোকে কেউ কখনো খাঁচায় ভরে রাখে না।
(চলবে)

 

  • সর্বশেষ
  • পঠিত

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫