ঢাকা, বুধবার,২২ নভেম্বর ২০১৭

বিবিধ

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রান্তিক কৃষককে বীজ-সার দেবে সরকার : কৃষিমন্ত্রী

বিশেষ সংবাদদাতা

১০ সেপ্টেম্বর ২০১৭,রবিবার, ১৯:৫৯ | আপডেট: ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৭,রবিবার, ২০:১৫


প্রিন্ট

কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের ক্ষতি পোষানোর পাশাপাশি উৎপাদন বাড়াতে আসন্ন মৌসুমে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। এ লক্ষে ৫ লাখ ৪১ হাজার ২০১ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষককে ৫৮ কোটি ৭৭ লাখ ১৯ হাজার ৩১৫ টাকার প্রণোদনা হিসেবে বীজ ও সার দেওয়া হবে।

রোববার সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রনালয়ের সম্মেলন কক্ষে আসন্ন মৌসুমে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধিতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে প্রণোদনা কর্মসূচি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কৃষিমন্ত্রী এ কথা বলেন। কৃষিসচিব মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ ছাড়াও কৃষি মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

মতিয়া চৌধুরী বলেন, বন্যায় দেশের ৩১ উপজেলায় ৬ লাখ ২৩ হাজার কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এসব কৃষকদের পুনর্বাসন করতে সরকার ১১৭ কোটি টাকার কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। এবারের বন্যায় ২ লাখ ৪৯ হাজার ৮০০ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে ১০ লাখ টন চাল কম উৎপাদন হয়েছে। এজন্য আগামী বোরো মৌসুমে প্রতি বিঘা জমির জন্য পাঁচ কেজি করে বিজ দেবে সরকার। এছাড়া বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় কৃষিঋণ আদায় বন্ধ এবং সুদ মওকুফ করা হয়েছে।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, গম, ভুট্টা, সরিষা, ফেলন, খেসারি, গ্রীষ্মকালীন মুগ, গ্রীষ্মকালীন তিল, মাসকালাই, চিনাবাদাম ও বিটি বেগুনের বীজ এবং ডিএপি ও এমওপি সার দেওয়া হবে। প্রত্যেক কৃষককে এক বিঘা জমির জন্য এসব বীজ ও সার দেওয়া হবে। অর্থাৎ ৫ লাখ ৪১ হাজার ২০১ বিঘা জমিতে চাষের জন্য বীজ ও সার পাবেন কৃষকরা।

এই প্রণোদনার ফলে ৭২৭ কোটি ৫৯ লাখ ৫০ হাজার ৯০০ টাকার ফসল উৎপাদন হবে আশা প্রকাশ করে কৃষিমন্ত্রী বলেন, কৃষক প্রতি এক টাকা ব্যয়ের বিপরীতে ১২ টাকা করে আয়ের সুযোগ পাবে। প্রণোদনা কার্যক্রমের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ কৃষি মন্ত্রণালয়ের বাজেট থেকে দেওয়া হবে। এজন্য বাজেটের বাড়তি অর্থের প্রয়োজন হবে না। কৃষির অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে বীজ ও সার বিতরণ করা হবে।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫