ঢাকা, সোমবার,২০ নভেম্বর ২০১৭

ঢাকা

১৫ লাখের 'রাজা বাবু' : যে যত্নে তাকে রাখা হচ্ছে (ভিভিও)

সাটুরিয়া (মানিকগঞ্জ) সংবাদদাতা

০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭,শনিবার, ১৩:৩০ | আপডেট: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭,শনিবার, ১৪:২৯


প্রিন্ট
রাজা বাবু

রাজা বাবু

এবারের ঈদে আলোচিত ছিল মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ার 'রাজা বাবু।' ১৫ লাখ টাকা দামের ষাঁড়। কিন্তু বিক্রি হয়নি। একেবারে শেষ দিনে ১৪ লাখ টাকা দাম ওঠেছিল। কিন্তু মালিক তবুও রাজি নন। ফলে অবিক্রিত থেকে গেছে।

কিন্তু কেন আলোচিত এই রাজা বাবু? ওজন দেড় টন। এবারের কোরবানির জন্যই তাকে বিশেষ যত্নে লালন পালন করা হয়েছিল। এই কাজটি করেছেন স্কুল ছাত্রী ইতি আক্তার ও তার মা পরিষ্কার বিবি। তারা কিন্তু আলোচিত রাজা বাবু বিক্রি না হওয়ায় কিছুটা হতাশ হয়ে পড়েছেন। তবে পরিষ্কার বিবির স্বামী খান্নু মিয়া আগেই ঘোষণা দিয়েছিলেন, ষাঁড়টি অন্তত ১৫ লাখ টাকা না পেলে এ বছর বিক্রি করবেন না। তিনি তার ঘোষণায় অনড় ছিলেন। শেষ দিন শুক্রবার ১৪ লাখ পর্যন্ত দাম ওঠেছিল। কিন্তু তিনি রাজি হননি। পরিষ্কার বিবি এবং ইতি আক্তার বিক্রির ব্যাপারে নিমরাজি থাকলেও খান্নু মিয়া অনড় থাকায় অবিক্রিতই রয়ে গেল।

 

মানিকগঞ্জে দেড় টন ওজনের ষাঁড় গরুটি লালন করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন জেলার সাটুরিয়া উপজেলার দেলুয়া গ্রামের পরিষ্কার বিবি ও তার স্কুল পড়ুয়া কন্যা ইতি আক্তার। এ শিরোনামে নয়া দিন্তন অনলাইন ১৪ আগস্ট ও প্রিন্ট পত্রিকায় ১৫ আগস্ট প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। পরে ১ সেপ্টেম্বর নয়া দিগন্ত অনলাইনে আবার প্রকাশিত হয়। ষাঁড়টি নিয়ে খবর প্রকাশিত হওয়ার পরই সারা দেশেই এ সংবাদটি ভাইরাল হয়ে যায়। ১৫ আগস্টের পর থেকে বাংলাদেশের জনপ্রিয় টিভি, প্রিন্ট পত্রিকা ও অনলাইনে প্রকাশিত হয়।

এর পর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক্ এবং ইউটিউব ব্যাপক প্রচারের পর সারা দেশের বিভিন্ন অঞ্জল থেকে ৩৯ মণ ওজনের ষাঁড়টি দেখার জন্য ভিড় করে।

সাটুরিয়া উপজেলার দিঘুলীয়া ইউনিয়নের দেলুয়া গ্রামের পরিষ্কার বিবি ও তার স্কুল পড়ুয়া কন্যা ইতি আক্তার। গরু লালন পালন করেই তাদের সংসার চলে। গেল বছর কোরবানি ঈদে ২৭ মন ওজনের একটি ষাঁড় ১০ লাখ টাকা বিক্রি করে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন। অবশ্য ১০-১২ বছর আগে থেকেই পরিষ্কার বিবি ও তার স্বামী খান্নু মিয়া গরু লালন-পালন করতেন। কিন্তু তার কন্যা ইতি আক্তার দেশীয় পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজাকরণ করা শুরু করেন। আর ১ম বছরেই লাভবান হওয়ায় এ বছর তিনি আরো বড় আকৃতির গরু কিনে মোটাতাজকরণ করার কাজ শুরু করেন।

 

এ ব্যাপারে ইতি আক্তার জানান, কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে রাজা বাবুকে লালন করেছি। রাজা বাবু লম্বায় ৭ ফুট ৩ ও ৯ ফুট ১ ইঞ্চি বেড়ের এ ষাঁড়টির দাঁত আছে ৪টি। বর্তমান ওজন ১৫৬৬ কেজি (৩৯ মণ)। প্রাণী সম্পদ অফিসের ডাক্তার এসে ওজন করেছেন।
ঈদের আগের দিন ইতি আরো জানান, আমাদের রাজা বাবু লিখে ফেসবুক, গুগল ও ইউটিউবে সার্চ দিলেই শত শত লিংক চলে আসে। ১৫/১৬ দিন ধরে সারা দেশি বিদেশ থেকে অসংখ ফোন আসে। প্রতিদিন বিভিন্ন জেলা থেকে যানবাহন ভাড়া করে একবার দেখতে আসছে রাজা বাবুকে দেখার জন্য।

অন্তত ৫০টির মতো বড় বড় কোম্পানির লোক রাজা বাবুকে দেখে দাম বলে গেছে এবং মোবাইল নাম্বার নিয়ে যায়। কিন্তু ভালো দাম পাচ্ছি না বলে বাবা রাগ করে ষাঁড়টিকে বিক্রি করবেন না বলে জানিয়েছেন।

ষাঁড়টির মালিক খান্নু মিয়া জানান, গাজীপুর থেকে একটি কম্পানি ১৩ লক্ষ টাকা দাম বলে গেছে। সে এখনো নিতে চাচ্ছে কিন্তু ১৫ লক্ষ টাকা না হলে সে বিক্রি করবেন না। তিনি শুক্রবার বিকেলে জানান, একজন তাকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ১৪ লাখ টাকা দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি রাজি হননি।

এ ব্যাপারে পরিষ্কার বিবি জানান, আমার পরিবারের ৪ জন সদস্য ৩ বছর বয়সী ফিজিয়ান জাতের এ ষাঁড়টি এক বছর ধরে অনেক কষ্ট করে লালন পালন করেছি। গ্রাম থেকে চড়া সুদে টাকা এনে রাজা বাবুকে লালন পালন করেছি। তাই কম দামে কেমনে দেই?


এ ব্যাপারে সাটুরিয়া উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা মোঃ খুরশেদ আলম বলেন, ঈদকে সামনে রেখে সাটুরিয়া ইতি ও পরিষ্কার বিবির লালিত এ ষাঁড়টির ওজন আমি নিজে মেপেছি। ১৩ আগস্ট পযন্ত ষাঁড়টি ওজন ১৫৬৬ কেজি, যা ৩৯ মণ ও দেড় টনেরও বেশি ছিল। আমরা নিয়মিত এ গরুটির দেখভাল করেছি। কিন্তু এ আলোচিত ষাঁড়টি বিক্রি না করতে পারলে তাদের অনেক বড় লোকসান হয়ে যাবে বলে মনে করছেন এ প্রাণী সম্পদের কর্মকর্তা।


এবার পানির দামে চামড়া বিক্রি

এবার কোরবানির পশুর চামড়ার দাম গতবারের চেয়েও কম ছিল। রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশেই নামমাত্র দামে চামড়া বিক্রি করতে হয়েছে কোরবানিদাতাদের। ফলে বঞ্চিত হয়েছেন মাদরাসা, এতিমখানা ও দুস্থ মানুষ।
ঈদের দিন ঘুরে ঘুরে কাঁচা চামড়া সংগ্রহ করে ঠিক মতো দাম না পেয়ে বেকায়দায় পড়েছেন মওসুমি চামড়া বিক্রেতারাও। এবার গরুর চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয় প্রতি বর্গফুট ৫০ থেকে ৫৫ টাকা। কিন্তু গরুর চামড়া বিক্রি হয়েছে ৫০০ থেকে হাজার টাকার মধ্যে। কেউই নির্ধারিত দামে চামড়া বিক্রি করতে পারেননি।

ছাগলের চামড়া আকারভেদে ৩০ থেকে ৪৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এ নিয়ে মওসুমি বিক্রেতাদের অভিযোগ, হাজারীবাগের ট্যানারি মালিকেরা এবার চামড়া কিনতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। যে কারণে তাদেরকে পানির দামেই চামড়া বিক্রি করতে হয়েছে।
তবে ট্যানারি মালিকেরা সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ বেশি দাম দিয়ে কাঁচা চামড়া কিনবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন। আগামী সপ্তাহ থেকে তারা এ চামড়া কেনা শুরু করবেন বলে গতকাল সোমবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএ) সভাপতি শাহীন আহমেদ।

ঈদের দিন সকাল থেকে পাড়া-মহল্লার মওসুমি চামড়া ব্যবসায়ীরা ঘুরে ঘুরে চামড়া কেনেন। এরপর ওই চামড়া ভ্যানগাড়ি, মিনি ট্রাকে করে পোস্তায় কিংবা সরাসরি ট্যানারি মালিকদের কাছে নিয়ে দরদাম করে বিক্রি করেন।
চামড়ার ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সাথে আলাপ করে জানা যায়, ঈদের দিন দুপুর ১২টার পর থেকে বেলা আড়াইটা পর্যন্ত মাঝারি মানের গরুর চামড়া ৭-৮ শ’ টাকা ও বড় গরুর চামড়া ১০০০-১২০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। কিন্তু বেলা ৩টা থেকে চামড়ার দাম পড়তে শুরু করে। তখন আগের দামের চেয়ে ২০০-৩০০ টাকা কমে যায়। দেখা যায়, মাঝারি আকারের গরুর চামড়া ৭ শ’ থেকে সাড়ে ৭ শ’ টাকা ও বড় গরুর চামড়া ৯ শ’ থেকে সর্বোচ্চ এক হাজার টাকায় বিক্রি করতে।
লালবাগের পোস্তায় সরেজমিন খোঁজ নিতে গেলে দেখা যায়, মওসুমি ব্যবসায়ীরা চামড়া বিক্রি করতে দরদাম কম শুনে মন খারাপ করেন। আবার কেউ কেউ দাম পেয়ে কিছুটা খুশি হন। তবে এই সংখ্যা হাতেগোনা। কয়েকজন খুচরা বিক্রেতার অভিযোগ, দরদাম ঠিক হওয়ার পরও কেউ কেউ টাকা দেয়ার সময় কম দিয়েছেন।

পুরান ঢাকার আগামসী লেনের বাসিন্দা মওসুমি চামড়া ব্যবসায়ী রতন এ প্রতিবেদককে বলেন, সরকার ঢাকায় লবণযুক্ত গরুর চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুট ৫০-৫৫ টাকা ও ঢাকার বাইরে লবণযুক্ত গরুর চামড়ার দাম ৪০ থেকে ৪৫ টাকা নির্ধারণ করে দিলেও বেশির ভাগ মানুষ না বুঝে না শুনেই চামড়ার ব্যবসায় নেমে পড়েন। যারা বুঝেশুনে চামড়া কিনেছেন তারা ভালো দাম পেয়েছেন। কেউ বর্গফুটের হিসাব না কষেই বেশি দাম দিয়ে কিনেছেন। তারাই পরে হায় হুতাশ করছেন।
ঈদের পরদিন রোববার ঢাকার হাজারীবাগে দেখা যায়, গরুর চামড়া সরকারনির্ধারিত দামে প্রতি বর্গফুট ৫০ থেকে ৫৫ টাকায় বিক্রি হলেও ছাগলের চামড়া ফুট হিসেবে বিক্রি না করে আকারভেদে ৩০ থেকে ৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সরকার ছাগলের চামড়ার জন্য প্রতি বর্গফুট ২০ টাকা দাম নির্ধারণ করে দেয়ায় প্রতিটি চামড়ার জন্য ১০০ থেকে ১২০ টাকা পাওয়ার কথা। কিন্তু ট্যানারি মালিকেরা পুরো চামড়ার জন্য ৩০ থেকে ৫০ টাকার বেশি দিতে চাইছেন না।
বাংলাদেশ লেদার অ্যান্ড লেদার গুডস ম্যানুফ্যাকচারার্স কো-অপারেটিভ সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মো: আরিফ সাংবাদিকদের বলেছেন, হাজারীবাগের ট্যানারিগুলো সাভারে স্থানান্তরের প্রক্রিয়ায় থাকায় এবার চামড়া কেনার চাহিদা কমে গেছে। ছোট ট্যানারিগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ছাগল বা ভেড়ার চামড়া ও গরুর মাথার চামড়া প্রক্রিয়া করার ব্যবস্থা প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে হাজারীবাগে। ফলে এবার এ চামড়ার চাহিদা একেবারে নেই।

চামড়ার দাম ও চাহিদা কমে যাওয়ার ব্যাখ্যায় ব্যবসায়ী আরিফ বলেন, হাজারীবাগে ছোট বড় প্রায় চার শ’ ট্যানারি ছিল। সেগুলো বন্ধ হয়ে সাভারে চালু হয়েছে মাত্র অর্ধশতাধিক ট্যানারি। এর মধ্যে মাত্র চার-পাঁচটি ট্যানারি আছে, যারা গরুর মাথার চামড়া ও ছাগলের চামড়া প্রক্রিয়াজাত করতে পারে। হাজারীবাগের ছোট ট্যানারিগুলো স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে গেছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, অনেক ট্যানারির কাছে গত বছরের চামড়াও জমা আছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও চামড়ার দাম কম। আর কাঁচা চামড়া সংরক্ষণে লবণ লাগে। এবার লবণের দাম ছিল অনেক বেশি। চামড়া সংগ্রহের মওসুমে এসবের প্রভাব পড়েছে।

রামপুরা বনশ্রী এফ ব্লকের সামনে শনিবার ওই এলাকার সবচেয়ে বড় একটি গরু কোরবানি হলেও সেই গরুর চামড়া বাসার সামনেই রাত ৮টা পর্যন্ত পড়ে ছিল। চামড়ার দাম কম বলায় গরুর মালিক প্রথমে চামড়া বিক্রি করতেই অনীহা প্রকাশ করেন। পরে তিনি বুঝতে পারেন, এবার তার চামড়াটি পানির দরেই বিক্রি করতে হবে। পরে তিনি ৯৫০ টাকায় মওসুমি ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করেন। একই অবস্থা ছিল রাজধানীজুড়েই।

এ দিকে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ বেশি দাম দিয়ে কাঁচা চামড়া কেনার ঘোষণা দিয়েছেন ট্যানারি মালিকেরা। আগামী সপ্তাহ থেকে চামড়া কেনা শুরু করবেন তারা।
গতকাল সোমবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএ) সভাপতি শাহীন আহমেদ। এ সময় সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত উল্লাহসহ অন্যান্য ট্যানারি মালিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে শাহীন আহমেদ বলেন, এবার ব্যাংকগুলো চাহিদা অনুযায়ী কাঁচা চামড়া কিনতে ঋণ দেয়নি। তাই নগদ টাকার সঙ্কট থাকায় চামড়া কিনতে অগ্রিম অর্থ দিতে পারিনি। এ কারণে পাইকারি ও মওসুমি ব্যবসায়ীরা সুবিধামতো বিভিন্ন দরে চামড়া কিনেছেন। তবে এবার চামড়ার দাম কম হওয়ায় কোরবানির পশুর চামড়া পাচার হয়ে যাওয়ার আশঙ্কার কথাও জানান তিনি। এ জন্য আগামী এক মাস যাতে চামড়া পাচার না হয়, সে ব্যবস্থা নিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা চেয়েছেন ট্যানারি ব্যবসায়ীরা।

বগুড়া অফিস জানায়, বগুড়ায় সরকারদলীয় সিন্ডিকেটের কারণে পানির দামে চামড়া বিক্রি করেছেন কোরবানিদাতারা। তবে কেউ কেউ কম দামে বিক্রি না করে সরাসরি মাদরাসা ও এতিমখানায় চামড়া দান করেছেন। আবার চামড়া কিনে ব্যাপক লোকসানের শিকার হয়েছেন মওসুমি ব্যবসায়ীরা। এ জন্য সরকারদলীয় সিন্ডিকেটকে দায়ী করেছেন তারা।

বগুড়ার বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, ঈদের দিন সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত চামড়া কেনার চাহিদা দেখা গেলেও দুপুরের পরপরই পরিস্থিতি পাল্টে যায়। সকালের দিকে ক্ষুদ্র ও মওসুমি ব্যবসায়ীরা বগুড়া শহরে প্রতিটি গরুর চামড়া ক্রয় করে গড়ে এক হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ দুই হাজার টাকায়। তবে শহরের বাইরে উপজেলা পর্যায়ে এ দাম ছিল আরো কম। গ্রামে-গঞ্জে প্রতিটি গরুর চামড়া কেনাবেচা হয়েছে এক হাজার টাকা থেকে শুরু করে দুই হাজার টাকা পর্যন্ত। কিন্তু বিকেলের দিকে এ বাজারে ধস নামে। এ ছাড়া ছাগলের চামড়া বিক্রি হয়েছে গড়ে ১০০ টাকা থেকে শুরু করে ২০০ টাকা পর্যন্ত। তবে একটি সিন্ডিকেট চামড়া ভারতে পাচারের চেষ্টা করছেন বলে জানা গেছে।
এ ব্যাপারে চামড়া ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, সরকারদলীয় কোনো সিন্ডিকেট নেই। ব্যবসায়ীরা নিজ উদ্যোগে চামড়া কিনেছেন।

 

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫