ঢাকা, শুক্রবার,২২ সেপ্টেম্বর ২০১৭

ময়মনসিংহ

ফুলবাড়ীয়ায় সড়কের উপর কাঠের সেতু 

ফুলবাড়ীয়া (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা 

০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭,শনিবার, ১১:৩০


প্রিন্ট

সড়কের পাশে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ময়মনসিংহ বিভাগে বৃহত্তম বিনোদন পার্ক, রয়েছে ২/৩ টি বাজার, সড়কটি কাঁচা হলেও এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন যাতায়াত করে ৩ গ্রামের মানুষ।

বিলে বাঁধ পুকুর খনন করায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে সড়কের উপর ৩ মাস থাকে কোমর পর্যন্ত পানি। সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক রাখতে সড়কের উপর কাঠের সাঁকো তৈরি করেছে বিনোদন পার্ক কর্তৃপক্ষ। এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন আসা যাওয়া করছে স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীসহ শত শত পর্যটক। সড়কের উপর কাঠের সেতুর সড়কটি হল ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার এনায়েতপুর ইউনিয়নের মাঝির ঘাট হতে লোহাশহর মোড় সড়ক।
উপজেলার এনায়েতপুর ইউনিয়নের বেতবাড়ী গ্রামের মাঝিরঘাট হতে লোহাশহর মোড় সড়কের পাশে গড়ে উঠেছে ময়মনসিংহ বিভাগের বৃহত্তম বেসরকারী বিনোদন পার্ক আলাদীনস। রয়েছে তারাগনি রেজিঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাঝির ঘাট বাজার, লোহাশহর বাজারসহ ২/৩ টি বাজার। এ সড়ক দিয়ে বেতবাড়ী, সোয়াইতপুরসহ ৩ গ্রামের মানুষ প্রতিদিন চলাচল করে। সেই সাথে চলাচল করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও বিনোদন পার্কের শতশত পর্যটক। সড়কের পাশে থাকা বিলে বাঁধ দিয়ে পুকুর নির্মান করায় বর্ষাকালে সড়কের দুটি স্থানে ৩ মাস থাকে কোমর পানি। সড়কটি স্থাণীয় সরকারের হওয়ার পরও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ কোন কর্তৃপক্ষ প্রদক্ষেপ না নেয়ায় বিনোদন পার্ক কর্তৃপক্ষ পার্কটি সচল রাখার জন্য সড়কের উপর নির্মান করেছে কাঠের সেতু। এ কাঠের সেতুর উপর দিয়ে প্রতিদিন আসা যাওয়া করছে শতশত মানুষ। মানুষের চাপে মাঝে মধ্যেই ভেঙ্গে যায় সেতুটি। সে সময় যাতায়াতে দুর্ভোগ পোহায় শিক্ষার্থী পর্যটক ও গ্রামের মানুষ।
বিনোদন পার্কের সুপার ভাইজার নাজমুল হাসান জানান, ২০ একর জমির উপর ময়মনসিংহ বিভাগের বৃহত্তম এ পার্কে প্রতিদিন আসা যাওয়া করে ৩/৪শ পর্যটক। বর্ষাকালের ৩ মাস সড়কের উপর কোমড় পানি থাকায় পার্ক সচল রাখার জন্য সড়কের উপর কাঠের সেতু নির্মান করা হয়েছে। পর্যটকের ও গ্রামের শিক্ষার্থী ও মানুষের চাপে মাঝে মধ্যেই ভেঙ্গে যায় কাঠের সাঁকো। সড়টি উচু করে পাকার করার জন্য কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এ সুপারভাইজার।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫