ঢাকা, শনিবার,২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭

স্বাস্থ্য

সাবধান, নিয়ম মেনে হাটুন!

নয়া দিগন্ত অনলাইন

০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭,শুক্রবার, ১২:০৯


প্রিন্ট

সুস্থ থাকতে হলে হাঁটতে হবে। হাঁটার নির্দিষ্ট গতিতেই লুকিয়ে সুস্থ থাকার চাবিকাঠি। কতটা গতিতে একজন মানুষ হাঁটতে পারবেন, তার ওপরেই নির্ভরশীল তার সুস্থতার মাপকাঠি। সম্প্রতি এক ব্রিটিশ গবেষণায় উঠে এসেছে এমনই তথ্য।

গবেষকদের দাবি, যে সব মানুষের চলার গতি কম, তাদের হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। আবার যাদের চলার গতি একটু বেশি, তাদের হার্ট সবল। স্বাভাবিকভাবেই এমন মানুষের আয়ুও বেশি।

আধুনিক জীবনে মানুষের ব্যস্ততা অনেক। এর জন্য খাওয়া দাওয়া হোক বা ঘুম, কোনো কিছুই আর ঘড়ির কাঁটা মেনে চলে না। এই অনিয়মিত জীবনযাপনই ডেকে আনছে বিপদ। যা প্রতিফলিত হচ্ছে মানুষের হাঁটাচলায়। জীবন থেকে প্রায় উধাও হয়ে যাচ্ছে হাঁটা। অল্প বয়সেই শরীরে জাঁকিয়ে বসছে প্রাণঘাতী সব রোগ। কম বয়সেই হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক বাড়ছে।

গবেষকদের দাবি, অতিরিক্ত জাঙ্কফুড অল্প বয়সে মৃত্যু পর্যন্ত ডেকে আনতে পারে। তার অন্যতম কারণ হাঁটা কমিয়ে দেয়া। কারণ না হাঁটলে দ্রুত দুর্বল হতে থাকে হার্ট।

প্রায় সাড়ে চার লাখ মধ্যবয়সী মানুষের ওপর গবেষণায় চালায় ইউরোপের হার্ট জার্নাল। এর মধ্যে প্রায় সাড়ে আট হাজার মানুষের মৃত্যু হয় ১-২ বছরের মধ্যে। যার মধ্যে দেড় হাজারের বেশি মানুষ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। এদের হাঁটাচলার গতি বেশ মন্থর ছিল। অনেকের আবার প্রথমে গতি ঠিক থাকলেও সময়ের সাথে সাথে তা কমে আসে।

কিন্তু কতক্ষণ হাঁটতে হবে, কত দ্রুত হাঁটতে হবে, হাঁটার পর কী খেতে হবে?

গবেষকদের দাবি, প্রাপ্তবয়স্ক নারী-পুরুষকে দিনে কমপক্ষে ৪৫ থেকে ৬০ মিনিট হাঁটতেই হবে। দ্রুতগতিতে হাঁটলে প্রতি মিনিটে প্রায় ৬ ক্যালরি খরচ হবে। ৪৫ মিনিট এই গতিতে হাঁটলে শরীর থেকে প্রায় ২৫০ ক্যালরি পোড়ানো সম্ভব। হাঁটা শেষে একটু বিশ্রাম বা অল্প ফল খেলে শরীর সুস্থ থাকবে। এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা। তাই সময় মেনে, নির্দিষ্ট গতিতে হাটতে হবে। তাহলেই দীর্ঘদিন সুস্থ থাকবে হার্ট।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫