ঢাকা, সোমবার,১১ ডিসেম্বর ২০১৭

উপসম্পাদকীয়

স্বাস্থ্যঝুঁকি কমানো ও নিরাময়ের উপায়

শাহ্ আব্দুল হান্নান

০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭,বৃহস্পতিবার, ১৭:৫১ | আপডেট: ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭,বৃহস্পতিবার, ১৮:০৮


শাহ্ আব্দুল হান্নান

শাহ্ আব্দুল হান্নান

প্রিন্ট

বিশ্বব্যাপী হার্ট অ্যাটাক বাড়ছে। এর নানা কারণ রয়েছে। অনৈতিক জীবনযাপন ও আধুনিক জীবনের জটিলতা এ রোগ বৃদ্ধি পাওয়ার নতুন কারণ।

সাধারণত এসব রোগীর চিকিৎসা করা হয় হার্ট সার্জারির মাধ্যমে বাইপাস করে বা রিং পরিয়ে। কিন্তু একদল চিকিৎসক মনে করেন, জীবনধারার পরিবর্তনের মাধ্যমে, স্বাস্থ্য উন্নয়ন করে স্ট্রোকের গতিরোধ ও নিরাময় সম্ভব। এ সম্পর্কে সাভারের সিআরপির ডাক্তার ও বিশেষজ্ঞরা যা লিখেছেন তার সংক্ষিপ্তসার এখানে উল্লেখ করছি-

‘হার্টের রক্তনালীতে কোলেস্টেরল দিয়ে ব্লক হয়ে সৃষ্টি হয় হার্ট অ্যাটাক। আবার ব্রেনের রক্তনালীতে ব্লক হয়ে সৃষ্টি হয় স্ট্রোক। প্রচলিত চিকিৎসা ওষুধ, বাইপাস অপারেশনে ও রিং বসিয়ে এই ব্লক মুক্ত করতে পারে না।’ অন্য দিকে সঠিক ও পরিমিত আহার, ব্যায়াম এবং মানসিক চাপ কমানোর মাধ্যমে স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাক, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ইত্যাদি প্রতিরোধ ও নিরাময় সম্ভব।

সঠিক ও পরিমিত আহার : যেকোনো ধরনের শাক যেমন- পুঁই, ডাঁটা, কলমি, পালং, লালশাক, কচু, শসা, ক্ষীরা, টমেটো, কাঁচা পেঁপে, লাউ, পটোল, করলা, উচ্ছে, ঝিঙ্গা, চিচিঙ্গা, ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, চালকুমড়া, সজনে ও বেগুন পর্যাপ্ত পরিমাণে খাওয়া উচিত। মরিচ, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, ধনে ও জিরাও পর্যাপ্ত পরিমাণে খাওয়া যাবে। প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে। ভিটামিন সি-যুক্ত খাবার যেমন- লেবু, কমলা, আমলকী, জাম্বুরা, পেয়ারা, আমড়া, কামরাঙ্গা ইত্যাদি খেতে হবে। ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। ফলও প্রচুর পরিমাণে খেতে হবে। ভাত, রুটি, আলু ও অন্যান্য শস্যজাতীয় খাদ্য পরিমিত পরিমাণে খেতে হবে। প্রাণী থেকে প্রোটিনজাতীয় খাদ্য দৈনিক ১০০ গ্রাম খাওয়া যাবে। বেশি চর্বিযুক্ত গোশত, ফুলক্রিম দুধ, কলিজা, ডিমের কুসুম ও চিংড়ি মাছ বাদ দিতে হবে। খাবার একসাথে না খেয়ে কয়েকবার অল্প করে খেতে হবে।

ব্যায়াম : ব্যায়ামে অভ্যস্ত হতে হবে, অ্যারোবিক ব্যায়াম (হাঁটা, সাইকেল চালানো ও সাঁতার), অ্যানারোবিক (Anarobic) ব্যায়াম যেমন- ভারোত্তোলন, স্ট্রেচিং ইত্যাদি করতে হবে।
এসব করলে মানসিক চাপও কমে যাবে। নৈতিকতা অনুসরণ করলে টেনশন ও মানসিক চাপ কম হবে। আধ্যাত্মিক স্বাস্থ্যের জন্য স্রষ্টামুখী হতে হবে। এ সব কিছু মিলে স্বাভাবিকভাবেই হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও যৌন অক্ষমতা প্রতিরোধ করা যাবে।
এ ব্যাপারে যোগাযোগ করতে পারেন সিআরপি, চাপাইন, সাভার, ফোন- ০২৭৭৪৫৪৬৪-৫ এবং ০১৯১০৩১৩২৫৮।
লেখক : সাবেক সচিব
বাংলাদেশ সরকার

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫