ঢাকা, সোমবার,২০ নভেম্বর ২০১৭

অর্থনীতি

সদস্য কারখানার সব শ্রমিকের বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হয়েছে : বিজিএমইএ

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক

৩১ আগস্ট ২০১৭,বৃহস্পতিবার, ১৯:৪৪


প্রিন্ট

আসন্ন ঈদ-ইল-আযহা উপলক্ষে বাংলাদেশ তৈরিপোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সদস্যভুক্ত সব পোশাক কারখানার শ্রমিকদের শতভাগ বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন সংগঠনটির সভাপতি সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান।

তবে সমিতির বাইরে থাকা কারখানাগুলোর অবস্থা জানা নেই বলে জানান তিনি।

তার দাবি, সদস্যভুক্ত কারখানার কোনো শ্রমিক যদি বেতন-ভাতা না পেয়ে থাকলে তার পাওনা পরিশোধ করেই বিজিএমইএ নেতারা ঢাকা ত্যাগ করবেন।

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর বিজিএমইএ ভবনে পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে পোশাক শিল্পখাতের শ্রম পরিস্থিতি বিষয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেন সিদ্দিকুর রহমান।

সহ-সভাপতি এস.এম. মান্নান (কচি), মোহাম্মদ নাছির, ফেরদৌস পারভেজ বিভন প্রমূখ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, শ্রমিকদের উৎসব ভাতা শতভাগ দেয়া হয়েছে। জুলাই মাসের বেতন তেয়া হয়েছে শতভাগ, আগস্ট মাসের অগ্রিম বেতন কোথাও আংশিক কোথাও শতভাগ দেয়া হয়েছে।

বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, ঈদের আগে শ্রমিকরা যাতে সুষ্ঠুভাবে বেতন ভাতাদি পায়, সে লক্ষ্যে সরকার এবং আমরা মিলে অগ্রীম প্রস্তুতিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। এর আওতায় বৃহত্তর ঢাকাকে মোট ১৫টি জোনে ভাগ করে মোট ১৫টি আঞ্চলিক/জোনভিত্তিক কমিটি গঠন করেছি। টিমগুলো গত এক মাস ধরে এলাকায় কাজ করে চলছে। প্রতি বছরের মতো এবারও ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে ঢাকাস্থ বিজিএমইএ কার্যালয়ে কেন্দ্রীয়ভাবে ক্রাইসিস কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। এর বাইরে সরকার গঠিত আঞ্চলিক ক্রাইসিস কমিটি কাজ করে যাচ্ছে, যেখানে সংসদ সদস্য, শ্রম মন্ত্রণালয়, বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এবং শ্রমিক নেতৃবৃন্দ রয়েছেন।

তিনি বলেন, ঈদের আগে বেতন ভাতা বিষয়ে সমস্যা হতে পারে এরকম কিছু কারখানার তালিকা আমরা বিভিন্ন সংস্থা থেকে পেয়েছিলাম। সেখান থেকে প্রাপ্ত ৮০০টি প্রতিষ্ঠানকে ক্লোজ মনিটরিংয়ের আওতায় এনে সমস্যার ধরন বুঝে সমাধানের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বিজিএমইএর সরাসরি হস্তক্ষেপে সমস্যাপূর্ণ প্রায় ৪০টি কারখানার কর্তৃপক্ষ ও শ্রমিক ফেডারেশন নেতৃবৃন্দের সাথে আলোচনাপূর্বক বিজিএমইএ দফতরে কারখানা প্রতিনিধি ও শ্রমিক এনে প্রায় ৪৫ হাজার শ্রমিকের বেতনভাতাদি নিশ্চিত করা হয়েছে।

এক্ষেত্রে কারখানার সমস্যার ধরন বুঝে বিজিএমইএ শ্রমিক, মালিক, ফেডাশেন নেতৃবৃন্দের সাথে যৌথ আলোচনাপূর্বক মালিকরা যাকে ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে শ্রমিকের বেতর পরিশোধ করতে পারেন, তার জন্য ব্যাংকের সাথে কথা বলে, কখনো মালিকের সম্পত্তি, স্বর্ণালংকার ও জমিজমা বিক্রি করে, আবার ক্ষেত্রবিশেষে কারখানার মেশিনপত্র, জেনারেটর বিক্রয় করে মালিকরা বেতন পরিশোধ করতে পারেন, সে উদ্যোগ নিয়েছে।

তিনি বলেন, এ মুহূর্তে আমাদের হাতে বেতন ভাতা পরিশোধ বিষয়ে সমাধা করা হয়নি, এরকম একটি কারখানাও নেই।

চট্টগ্রাম বন্দরে সংকটের কারণে পোশাক শিল্পের উৎপাদন ও রফতানি কার্যক্রম এখনও ব্যাহত হচ্ছে জানিয়ে বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, আমি উদ্বেগের সাথে জানাচ্ছি যে, সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের নির্দেশে চট্টগ্রামসহ সব স্থল ও নৌবন্দরে মালামাল আমদানি-রফতানির কাজে ২৪ ঘণ্টা কাস্টমস স্টেশন খোলা থাকলেও এবং ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সহযোগিতায় আমদানি রফতানি কার্যক্রম ২৪ ঘণ্টা চালু থাকার কারণে কিছুটা গতি এলেও সামগ্রিকভাবে পণ্য খালাস সংকট এখনও সমাধান হয়নি।

চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজের বহিঃনোঙরে অবস্থানকাল ও সামগ্রিকভাবে টার্ন এরাউন্ড টাইম এখনও কাঙ্খিত পর্যায়ে পৌঁছেনি। বহিঃনোঙরে জাহাজের অবস্থানকাল এখনও চার থেকে নয় দিন লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা আরো কমিয়ে আনা প্রয়োজন। সেইসাথে চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য বন্দরে জেটি সংখ্যা বৃদ্ধি করা, ইয়ার্ড সম্প্রসারণ, কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ের জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক ইকুইপমেন্ট সংগ্রহ করার দাবি পুনরায় ব্যক্ত করেন তিনি।

সদস্য কারখানার সব শ্রমিকের বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হয়েছে : বিজিএমইএ
অর্থনৈতিক প্রতিবেদক
আসন্ন ঈদ-ইল-আযহা উপলক্ষে বাংলাদেশ তৈরিপোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সদস্যভুক্ত সব পোশাক কারখানার শ্রমিকদের শতভাগ বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন সংগঠনটির সভাপতি সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান।

তবে সমিতির বাইরে থাকা কারখানাগুলোর অবস্থা জানা নেই বলে জানান তিনি।

তার দাবি, সদস্যভুক্ত কারখানার কোনো শ্রমিক যদি বেতন-ভাতা না পেয়ে থাকলে তার পাওনা পরিশোধ করেই বিজিএমইএ নেতারা ঢাকা ত্যাগ করবেন।

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর বিজিএমইএ ভবনে পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে পোশাক শিল্পখাতের শ্রম পরিস্থিতি বিষয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেন সিদ্দিকুর রহমান।

সহ-সভাপতি এস.এম. মান্নান (কচি), মোহাম্মদ নাছির, ফেরদৌস পারভেজ বিভন প্রমূখ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, শ্রমিকদের উৎসব ভাতা শতভাগ দেয়া হয়েছে। জুলাই মাসের বেতন তেয়া হয়েছে শতভাগ, আগস্ট মাসের অগ্রিম বেতন কোথাও আংশিক কোথাও শতভাগ দেয়া হয়েছে।

বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, ঈদের আগে শ্রমিকরা যাতে সুষ্ঠুভাবে বেতন ভাতাদি পায়, সে লক্ষ্যে সরকার এবং আমরা মিলে অগ্রীম প্রস্তুতিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। এর আওতায় বৃহত্তর ঢাকাকে মোট ১৫টি জোনে ভাগ করে মোট ১৫টি আঞ্চলিক/জোনভিত্তিক কমিটি গঠন করেছি। টিমগুলো গত এক মাস ধরে এলাকায় কাজ করে চলছে। প্রতি বছরের মতো এবারও ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে ঢাকাস্থ বিজিএমইএ কার্যালয়ে কেন্দ্রীয়ভাবে ক্রাইসিস কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। এর বাইরে সরকার গঠিত আঞ্চলিক ক্রাইসিস কমিটি কাজ করে যাচ্ছে, যেখানে সংসদ সদস্য, শ্রম মন্ত্রণালয়, বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এবং শ্রমিক নেতৃবৃন্দ রয়েছেন।

তিনি বলেন, ঈদের আগে বেতন ভাতা বিষয়ে সমস্যা হতে পারে এরকম কিছু কারখানার তালিকা আমরা বিভিন্ন সংস্থা থেকে পেয়েছিলাম। সেখান থেকে প্রাপ্ত ৮০০টি প্রতিষ্ঠানকে ক্লোজ মনিটরিংয়ের আওতায় এনে সমস্যার ধরন বুঝে সমাধানের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বিজিএমইএর সরাসরি হস্তক্ষেপে সমস্যাপূর্ণ প্রায় ৪০টি কারখানার কর্তৃপক্ষ ও শ্রমিক ফেডারেশন নেতৃবৃন্দের সাথে আলোচনাপূর্বক বিজিএমইএ দফতরে কারখানা প্রতিনিধি ও শ্রমিক এনে প্রায় ৪৫ হাজার শ্রমিকের বেতনভাতাদি নিশ্চিত করা হয়েছে।

এক্ষেত্রে কারখানার সমস্যার ধরন বুঝে বিজিএমইএ শ্রমিক, মালিক, ফেডাশেন নেতৃবৃন্দের সাথে যৌথ আলোচনাপূর্বক মালিকরা যাকে ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে শ্রমিকের বেতর পরিশোধ করতে পারেন, তার জন্য ব্যাংকের সাথে কথা বলে, কখনো মালিকের সম্পত্তি, স্বর্ণালংকার ও জমিজমা বিক্রি করে, আবার ক্ষেত্রবিশেষে কারখানার মেশিনপত্র, জেনারেটর বিক্রয় করে মালিকরা বেতন পরিশোধ করতে পারেন, সে উদ্যোগ নিয়েছে।

তিনি বলেন, এ মুহূর্তে আমাদের হাতে বেতন ভাতা পরিশোধ বিষয়ে সমাধা করা হয়নি, এরকম একটি কারখানাও নেই।

চট্টগ্রাম বন্দরে সংকটের কারণে পোশাক শিল্পের উৎপাদন ও রফতানি কার্যক্রম এখনও ব্যাহত হচ্ছে জানিয়ে বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, আমি উদ্বেগের সাথে জানাচ্ছি যে, সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের নির্দেশে চট্টগ্রামসহ সব স্থল ও নৌবন্দরে মালামাল আমদানি-রফতানির কাজে ২৪ ঘণ্টা কাস্টমস স্টেশন খোলা থাকলেও এবং ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সহযোগিতায় আমদানি রফতানি কার্যক্রম ২৪ ঘণ্টা চালু থাকার কারণে কিছুটা গতি এলেও সামগ্রিকভাবে পণ্য খালাস সংকট এখনও সমাধান হয়নি।

চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজের বহিঃনোঙরে অবস্থানকাল ও সামগ্রিকভাবে টার্ন এরাউন্ড টাইম এখনও কাঙ্খিত পর্যায়ে পৌঁছেনি। বহিঃনোঙরে জাহাজের অবস্থানকাল এখনও চার থেকে নয় দিন লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা আরো কমিয়ে আনা প্রয়োজন। সেইসাথে চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য বন্দরে জেটি সংখ্যা বৃদ্ধি করা, ইয়ার্ড সম্প্রসারণ, কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ের জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক ইকুইপমেন্ট সংগ্রহ করার দাবি পুনরায় ব্যক্ত করেন তিনি।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫