ঢাকা, মঙ্গলবার,১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭

স্বাস্থ্য

অনেক রোগের ওষুধ নিম

নয়া দিগন্ত অনলাইন

৩১ আগস্ট ২০১৭,বৃহস্পতিবার, ১২:৫৯


প্রিন্ট

পেটের গণ্ডগোল? হজমে সমস্যা? খসখসে ত্বক? কাঁচা নিমপাতা খান। অনেক রোগের ওষুধ এটি। অনেকে বলেন, বাড়িতে একটি নিমগাছ থাকলে ডাক্তারের কাছে নাকি যাওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। বিশেষজ্ঞরাই বলে থাকেন, কথাটা খুব একটা ভুল নয়। এটি একটি ঔষধি গাছ। ডাল, পাতা, রস, ফুল, ফল, তেল, ছাল, শিকড় সবই কাজে লাগে। স্বাদ তেতো। কিন্তু উপকার বহু।

ডায়াবেটিসের যম নিমপাতা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিদিন এক টেবিল চামচ নিমপাতার রস সকালে খালি পেটে তিন মাস খেলে ডায়াবেটিসে দারুণ উপকার। ১০টি নিমপাতা গুঁড়ো করে বা চিবিয়ে খেলেও দারুণ উপকার। নিমপাতার রস খেলে ইনসুলিন নেয়ার প্রবণতাও অনেকটা কমে যায়।

জন্ডিস প্রতিরোধে নিমপাতা। ২৫ থেকে ৩০ ফোঁটা নিমপাতার রস একটু মধুর সাথে মিশিয়ে সকালে খালি পেটে খেলে জন্ডিসে দারুণ উপকার।

ম্যালেরিয়ার যম নিমপাতা। নিমপাতার নির্যাস ব্যবহারে ম্যালেরিয়া ভালো হয়। পানির সাথে মিশিয়েও খাওয়া যেতে পারে। নিমপাতা অ্যান্টি ফাঙ্গাল ও অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল। চিকেন পক্সে নিমপাতা বেটে লাগালে উপকার পাওয়া যায়।

মানসিক চাপ কমায় নিমপাতা। প্রতিদিন অল্প একটু নিমপাতার রসেই এই উপকার পাওয়া যায়।

আলসার সারায় নিমপাতা। নিমপাতা ও নিম বীজের রস পেপটিক ও ডিওডেনাল আলসারে দারুণ কাজ দেয়।

রক্ত পরিষ্কার ও চর্মরোগ সারায়। নিমপাতার রস প্রতিদিন ২-৩বার করে নিয়মিত প্রায় দুই মাস খেলে রক্ত পরিষ্কার হয়। নিমপাতার সাথে সামান্য কাঁচা হলুদ বেটে ৭ থেকে ১০দিন লাগালে চর্মরোগ ও পুরনো ক্ষত সারে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় নিমপাতা।

রূপচর্চায় নিমের গুণ-নিমপাতা স্কিন টোনার হিসাবে ব্যবহার করা যায়। নিমপাতা সেদ্ধ করে প্রতি রাতে মুখে লাগালে ব্রণ, ক্ষতচিহ্ন, মুখের কালো দাগ দূর হয়। এইভাবে চুলে ব্যবহার করলে খুসকি ও চুল পড়া বন্ধ হয়।

ফেসপ্যাক তৈরিতে নিমপাতা। ১০টি নিমপাতা ও একটি ছোট কমলালেবুর খোসা অল্প পানিতে সেদ্ধ করতে হবে। অল্প পরিমাণ মধু ও দুধ পেস্টে মেশাতে হবে। ফেসপ্যাকটি সপ্তাহে তিনবার ব্যবহার করা যাবে। মধু ও নিম উন্নতমানের ময়শ্চারাইজার হিসাবে কাজ করে।

সূত্র : ইন্টারনেট

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫