ঢাকা, সোমবার,২০ নভেম্বর ২০১৭

চট্টলা সংবাদ

আইএমও মহাসচিবের পিএইচপি শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ড পরিদর্শন

চট্টগ্রাম ব্যুরো

৩১ আগস্ট ২০১৭,বৃহস্পতিবার, ০০:০০


প্রিন্ট

জাহাজ ভাঙা শিল্প গড়ে তোলার েেত্র হংকং কনভেনশনসহ আন্তর্জাতিক নৌ সংস্থা কিছু নীতির কথা বরাবরই বলে আসছে। এসব নীতি অনুসরণ করে এ দেশে পিএইচপি শিপ ব্রেকিং অ্যান্ড রিসাইকিং ইয়ার্ড আন্তর্জাতিকতা লাভ করেছে। এ শিল্পের বিকাশ হলে বাংলাদেশ লাভবান হবে এবং এ খাতে বাংলাদেশের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। গত সোমবার চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের শীতলপুর এলাকায় অবস্থিত পিএইচপি শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ড পরিদর্শন শেষে মন্তব্য করেন আন্তর্জাতিক নৌ সংস্থা (আইএমও) মহাসচিব মিস্টার কিটাত লিম।
জাতিসঙ্ঘ মহাসচিবের পরেই স্থান পাওয়া মতাধর এ পদের কর্ণধার মিস্টার কিটাত লিম আট সদস্যে উচ্চপদস্থ প্রতিনিধিদল নিয়ে পিএইচপি শিপইয়ার্ডটি পরিদর্শন করেন। এ সময় তাদের সাথে ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের নৌ পরিবহন অধিদফতরের মহাপরিচালক সৈয়দ কমডোর আরিফুল ইসলাম মেরিন অ্যাকাডেমির কমান্ডেন্ট সাজিদ হাসান, আইএমও ইমপ্লিমেন্টেশনের প্রধান ব্রিচ মার্টিন কেসটেক্স, শিপিং ডেপুটি কমান্ড্যান্ট ক্যাপটেন কাজি এ বি এম শামিম, পিএইচপি কনসাল্ট্যান্ট ধরমেশ জামি, ইয়ার্ড রক নুরুল ইসলাম ফারুক প্রমুখ।
আইএমও মহাপরিচালক পিএইচপি শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডের কার্যক্রমের প্রশংসা করে বলেন, জাহাজ ভাঙা শিল্পের ক্ষেত্রে এ ইয়ার্ড হতে পারে একটি কার্যকর মডেল। সব ইয়ার্ড যদি এই মান অর্জন করে, তাহলে এ শিল্পের বিকাশের পথে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের যে নেতিবাচক ধারণা রয়েছে, তা অচিরেই দূর হবে।
ইয়ার্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জহিরুল ইসলাম রিংকু আইএমও মহাসচিবকে স্বাগত জানান ও জাহাজ ভাঙার বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন। আইএমও মহাসচিব প্রতিনিধিদল নিয়ে ইয়ার্ডের বিভিন্ন অংশ ঘুরে ঘুরে দেখেন এবং ইয়ার্ডের সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার প্রশংসা করেন।
পিএইচপি ইয়ার্ড এমডি জহিরুল ইসলাম রিংকু বলেন, আমাদের ইয়ার্ডে পার্সোনাল প্রটেকটিভ ইকুইপমেন্ট (পিপিই) তথা আমাদের শ্রমিকেরা হ্যান্ড গ্লাভস, মাস্ক, হেলমেট, গামবুটসহ প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা সরঞ্জামাদি ব্যবহার করছেন। স্ক্রাপ জাহাজের সরঞ্জামাদি ম্যানুয়েল লিফটিংয়ের পরিবর্তে এখন ম্যাগনেট-লিফটিং ও অত্যাধুনিক ক্রেন ব্যবহার করা হচ্ছে। আগে তেলের ড্রাম পানিতে ভাসিয়ে দেয়া হতো, এখন আমরা সমুদ্রের পানি দূষণ রায় ছোট ছোট বোটের সাহায্যে জাহাজের তেল পাম্প আউট করে পৃথক সংরতি অয়েল শেডে সেসব তেল স্টোরেজ করছি। পানিতে তৈলাক্ত বর্জ্য ধ্বংস করার জন্য ইনসিনারেটর মেশিন চালু করেছি। বর্জ্য পদার্থ যেমন কপার (তামা), এক্সপেন্টাসিভ, কেমিক্যাল প্রভৃতির জন্য পৃথক স্টোরেজ এরিয়া করেছি। এসবেসটসের মতো ধূসর খনিজ পদার্থ যাতে বাতাসের সংমিশ্রণে না আসতে পারে সে জন্য নিগেটিভ প্রেসার রুম রয়েছে। মোটের ওপর জাহাজ বিভাজন ব্যবস্থা এখন পরিবেশবান্ধব হয়ে উঠেছে।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫