ঢাকা, বৃহস্পতিবার,১৪ ডিসেম্বর ২০১৭

উপসম্পাদকীয়

‘লক্ষ্য লুণ্ঠন-পীড়ন, নিরাপত্তা-শান্তি নয়’

আলমগীর মহিউদ্দিন

২৯ আগস্ট ২০১৭,মঙ্গলবার, ১৯:২৮ | আপডেট: ২৯ আগস্ট ২০১৭,মঙ্গলবার, ১৯:৫৭


আলমগীর মহিউদ্দিন

আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রিন্ট

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে গণতন্ত্রের সূতিকাগার বলা হয়। কারণ, ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের আধিপত্যের ইতি ঘটিয়ে এরা অনুসরণীয় গণতন্ত্রের জন্ম দেয়। তবে তখনো চড়াই-উতরাই ছিল। এভাবে বিংশ শতাব্দীর প্রথম পাদে এসে এর অবস্থা জটিল হতে থাকে। এ অবস্থার চমৎকার চিত্র আঁকলেন হেনরি লুই মেঙ্কেন (Henry Louis Mencken) তার কয়েকটি নিবন্ধ ও বইয়ে। এর ফল হলো তাৎক্ষণিক। বিশাল আলোচনার সূত্রপাত হলো সাহিত্য-সংস্কৃতি রাজনৈতিক অঙ্গনে। আলোচকেরা ও রাজনীতিবিদেরা বেশ প্রভাবান্বিত হতে থাকল।

মেঙ্কেন বললেন, ‘Laws are no longer made by a national process of public discussion; they are made by a process of blackmail and intimidation, and they are executed in the same manner.’

এমন স্পষ্টভাবে বিশ্বব্যাপী চলমান রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের বর্ণনা আর কেউই দেননি। সাধারণ জনগণ প্রতিদিনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বিহ্বল হয়েছিল। নিত্যনতুন আইন তৈরি হচ্ছে। কে তৈরি করছে, কেন করছে, কার জন্য করছে তা তারা জানে না। তবে এরা লক্ষ করল- প্রতিটি আইন, বিধিনিষেধ ক্ষমতাসীন ও ক্ষমতাবানদের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করছে এবং সুবিধা দিচ্ছে। আইনপ্রণেতারা ভয়ভীতি-ঘুষের পথ ধরে আইনগুলো জনগণকে মেনে নিতে বাধ্য করছে।

রাজনীতিবিদদের কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ করে মেঙ্কেন লিখলেন, ‘The typical lawmaker of today is a man wholly devoid of principle’। তার এ অপূর্ব পর্যবেক্ষণের বর্ণনা যেন সাম্প্রতিক। সম্মানিত কিছু ব্যতিক্রম বাদে নীতিহীনতাই যেন তাদের একমাত্র পথ এবং এদের রাজনীতির উদ্দেশ্য ও তার ব্যবহার পর্যবেক্ষণ করে যে বর্ণনা দিলেন, তা আজো সর্বজনস্বীকৃত। তিনি বলেন, ‘The whole aim of practical politics today is to keep the people alarmed (and hence clamorous to be led to safety) by menacing with endless series of hobgoblins, all of them imaginary’।

বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব দেশের যেন একটি চলমান চিত্র। রাজনীতিবিদেরা সারাক্ষণ তাদের বক্তৃতা ও কর্মকাণ্ডে জনগণকে এক অদৃশ্য ভয়ানক অবস্থা ও অশরীরী জীবের ভয় দেখাচ্ছে এবং সেসব বিষয় নিয়ে তাদের অনুসারীরা কখনো মেকি বা কখনো সত্যিকারের ভাবে সঙ্ঘাত-সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ছে। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সাধারণ জনগণ। এসব কর্মকাণ্ডের মূল উদ্দেশ্য নিজেদের ক্ষমতায়ন। এভাবে ক্ষমতাবান হয়ে তারা ক্ষমতাসীন হচ্ছে এবং ক্ষমতা আঁকড়ে থাকার জন্য জনগণের অধিকার, নিরাপত্তা, গণতন্ত্র ও শান্তি প্রতিষ্ঠার নামে নানা আইন, বিধিনিষেধ প্রণয়ন করছে।

এর ফলে এখন বিশ্বের কোথাও জনগণের অবাধ অধিকার নেই। নানাভাবে তা সীমিত। জনগণ নিরন্তর চাপে আছে আর লুণ্ঠন-হয়রানি-পীড়ন হয়েছে সাধারণ দৈনন্দিন ব্যাপার। কোনো প্রতিবাদ বা সমালোচনার সুযোগ তারা রাখছে না। মেঙ্কেন বলেছেন এ চিত্রটির মূল উদ্দেশ্য জনগণের অজান্তে তাদের মগজধোলাই করা, যা তাদেরকে ভাবতে বাধ্য করবে ক্ষমতাসীন ও ক্ষমতাবানেরা যা করছে তাই স্বাভাবিক এবং জনগণের অধিকার সীমিত হলেও, তা তাদের জন্য মঙ্গলজনক। তাই মেঙ্কেন সরকার সম্পর্কে একটি কঠিন মন্তব্য করেছেন : ‘All governments, of course is against liberty’। এটিও একটি সর্বজনীন চিত্র। জনগণের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের নামে যত বাধানিষেধের প্রাচীর সরকার নির্মাণ করে তার মূল উদ্দেশ্য ক্ষমতাবান ও ক্ষমতাসীনদের নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করা। এগুলো শুধু সরকারকে করে একচ্ছত্র ক্ষমতার অধিকারী। এমনকি জবাবদিহিতার নামে যে আইন ও কর্মকাণ্ড তারা সৃষ্টি করেছে তারও উদ্দেশ্য একই : জননিয়ন্ত্রণ ও ক্ষমতাবানদের ক্ষমতা ও স্বাধীনতার বলয়ের বিস্তার।

মেঙ্কেন বলেছেন, ‘তারা এগুলো সহজেই করতে পারছে, কারণ ‘Most people want security, not liberty’। জনগণ চায় স্বস্তি, একটু খানিক শান্তি তা যেভাবেই হোক। তিনি বলছেন, জনগণের এই একটু নিশ্চিত শান্তিপূর্ণ জীবনের আকাক্সক্ষাকে পুরো ব্যবহার করে রাজনীতিবিদ ও সরকার।
তারা জনগণকে নিরাপত্তা ও শান্তি দেয়ার জন্য সৃষ্টি করে বিভিন্ন বাহিনী। এদের প্রকাশ্য লক্ষ্য অশান্তি সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে সজাগ থাকা এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া।

কিন্তু বাস্তবতা হলো, সেই সম্মানিত ব্যতিক্রম ছাড়া, নিরাপত্তা ও অশান্তির দায়ভার চাপে সাধারণ মানুষের ওপর। কোনো সংঘর্ষ-সঙ্ঘাতের পর এ বাহিনী হাজার হাজার মানুষ গ্রেফতার করে। প্রায় সবাই নিরপরাধ। কিন্তু তাদের আইনের মাধ্যমে যেতে হয় এবং ভোগ করতে হয় আর্থিক-শারীরিক-মানসিক শাস্তি ও যন্ত্রণা। মেঙ্কেন লিখেছেন, ‘সরকারের এই বাহিনী হলো পুলিশসহ নানা বাহিনী এবং রাজনৈতিক দল ও রাজনীতিবিদদের বিভিন্ন লাঠিয়ালবাহিনী।

তিনি বলেছেন, ‘বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এসব লাঠিয়ালবাহিনীই সব অশান্তির সৃষ্টির মূলে। এর কারণ সামাজিক অশান্তি বিরাজ করলে, তার প্রতিরোধ ও দমনের নামে জনগণকে সহজেই নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। তাই কৌশলে এসব অশান্তি সৃষ্টি করে সরকার একাধারে জনগণকে নিয়ন্ত্রণ ও চাপে রাখে, অন্য দিকে তাদের বহু অনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়িত করে। এ জন্যই সামাজিক বা রাজনৈতিক শান্তি কখনো নিরবচ্ছিন্ন হয় না। কারণ এসব বাহিনীর সব কর্মকাণ্ডের বেশির ভাগ লক্ষ্য হয় আত্মসেবা বা নিজেদের এবং তাদের প্রভুদের নিরাপত্তা ও স্বস্তি নিশ্চিত করা। অবশ্য আর্থিক যোগাযোগ তো থাকেই।

রাদারফোর্ড ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্ট জন ডাবলু হোয়াইটহেড তার ‘ব্যাটলফিল্ড আমেরিকা’ বইতে উল্লেখ করেছেন ‘পুলিশকে লাভের জন্য’ কেমন করে ব্যবহার করা হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাম্প্রতিক ‘অপরাধের বিরুদ্ধে যুদ্ধ’ কর্মকাণ্ডের নিন্দা করে তিনি লিখেছেন, ‘Most recentlly, under the guise of fighting crime (Home Minister) Jeff Sessions gave police the green light to rob, pilfer, steal, thieve, swipe, purloin, filch and liberate American tax payers of even more of their hard earned valuables (especially if it happens to be significant amount of cash) using any means, fair or foul.’

এ বর্ণনা চার দিকের এত পরিচিত চিত্র। পুলিশ অপরাধ দমনের নামে যেখানে-সেখানে ব্যারিকেড দিচ্ছে, বডি সার্চ করছে এবং সাথে থাকা সব মূল্যবান জিনিস, এমনকি টাকা-পয়সা বাজেয়াপ্ত করছে এবং তার হিসাবও থাকছে না। এগুলো সাধারণ ব্যাপার হয়ে পড়েছে। মেঙ্কেন বলেছেন, এর বিরুদ্ধে জনগণ কোনো মামলাও করে না বা দাবি করে না। তার একমাত্র কারণ খরচ ও ঝক্কি ঝামেলা। হয়রানির শেষ নেই এবং আদালত থেকে যে রায় পাওয়া যায়, তাতে ক্ষতি পোষায় না। পুলিশ অবৈধ বলে যেসব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে তা বিশাল।

তিনি মন্তব্য করেছেন : ‘চোরেরা যে চুরি করে তার চেয়ে অনেক বেশি।’ ওয়াশিংটন পোস্ট ২০১৪ সালে এক রিপোর্টে জানায়, ‘শান্তিরক্ষক বাহিনী বাজেয়াপ্ত করা সম্পত্তি বিক্রি করে ৫ বিলিয়ন ডলার (প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা) তাদের তৈরি বাজেয়াপ্ত ফান্ডে জমা দেয়। সে বছর এফবিআইর হিসাবে চোরেরা চুরি করে ২.৬ বিলিয়ন ডলারের (প্রায় ২০৮০০ কোটি টাকা) সমান সম্পত্তি ও অর্থ।’ এক কথায় পুলিশের আদায় দ্বিগুণ এবং এই পুরো ফান্ডের কোনো হিসাব নেই, মেঙ্কেন বলেছেন। ‘পুলিশের এ কর্মকাণ্ডের ফলে জনগণের কোনো অধিকারই নেই, এমনকি সুস্থভাবে জীবনধারণের’, মেঙ্কেন মন্তব্য করেছেন এক বিরাট সরকারি তথ্য উদ্ধৃতি দিয়ে।

তার একটি বক্তব্য বাংলাদেশসহ সব দেশের জন্য এক সাধারণ চিত্র। তাহলে, শান্তিরক্ষক বাহিনী ও সরকারের বিভিন্ন সংস্থা সর্বদা খোঁজ রাখে কার কত অর্থ ও সম্পদ আছে এবং প্রয়োজনমতো তার হিসাব নেয়ার জন্য হানা দেয়া। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে দেয়া-নেয়া হয় নতুবা আইনের মাধ্যমে সেগুলো বাজেয়াপ্ত করা হয়। আর এ বাজেয়াপ্ত করা সম্পদের কোনো হিসাব পাওয়া যায় না।

মেঙ্কেন মার্কিন মুলুকে অহরহ ঘটিত একটি অবস্থার বর্ণনা দিয়েছেন, যা বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব দেশে এক সুপরিচিত চিত্র। মাদক ব্যবসায়ীদের বহুল ব্যবহৃত জনপ্রিয় জনপথ দিয়ে লিজা লিওনার্ড যাচ্ছিল। সাথে ২০১০০০ ডলার। তার ছেলের জন্য বাড়ি কিনবে বলে নিয়ে যাচ্ছিল। এ তথ্য পুলিশ জানত এবং তাই তাকে রাস্তায় থামিয়ে সার্চ করে ডলারগুলো পায় এবং বাজেয়াপ্ত করে চুরির অর্থ বলে। আদালতও সে কথা মেনে নেয়।

মেঙ্কেন অর্ধ ডজন ঘটনা উল্লেখ করে বলেছেন, ‘এগুলো আর কিছুই না, রাজপথের ডাকাতি যেখানে শান্তিরক্ষক বাহিনী প্রায়ই উপস্থিত। তিনি বলেছেন, এই জনপথের ডাকাতিটা শান্তিরক্ষী বাহিনীদের বড় প্রিয়। চিত্রটি বিশ্বজনীন, সবার কাছে সুপরিচিত। সবচেয়ে ভয়াবহ বিষয় হলো প্রায়ই এই বাহিনী শিশুদের আটক করে পিতামাতাদের তাদের এই খেলায় সম্মতি দেয়ার জন্য।

মেঙ্কেন ইনকাম ট্যাক্স বিষয়ের অপর কঠিন সমালোচনা করে বলেছেন, সরকারকে জনমন তাদের অনেক পরিশ্রমের আয়ের বিশাল অংশ দেয়। তার ব্যবহার সরকার শুধু ক্ষমতাবান ও ক্ষমতাসীনদের সেবায় নিয়োগ করে। তাই তিনি দুঃখ করে বলেছেন, ‘কোথায় স্বাধীনতা, কোথায় অধিকার? সব ছিনতাই হয়ে গেছে।’

বিখ্যাত লেখক ড. আলবার্ট জে নক তার সাড়া জাগানো ‘আওয়ার এনিমি, দি স্টেট’ (১৯৩৫) বইতে ঠিক এরই প্রতিধ্বনি করে বলেছেন, ‘সরকার ও রাষ্ট্র সাধারণ মানুষকে স্বস্তি ও শান্তির পরিবর্তে একটু একটু করে ধ্বংস করে। তাদের উদ্দেশ্য জনগণের শান্তি ও নিরাপত্তা নয়, বরং লুণ্ঠন ও পীড়ন।’
কত ধ্বংস করে?

জবাব দিয়েছেন অধ্যাপক জোশেফ রুমেল তার ‘পাওয়ার কিলস’ নিবন্ধে। জার্নাল অব পিস রিসার্চে প্রকাশিত এই নিবন্ধে তিনি দেখিয়েছেন স্বৈরাচার শক্তি সরকারে গিয়ে গত শতাব্দীতে প্রথম ৮০ বছরে ১৭ কোটি লোক হত্যা করেছে। এর মধ্যে সোভিয়েত ইউনিয়ন হত্যা করে ৬ কোটি ২০ লাখ, চীন ৩ কোটি ৫০ লাখ, নাজি জার্মানি ২ কোটি ১০ লাখ, জাতীয়তাবাদী চীন ১ কোটি। এ ছাড়া জাপান, খেমাররুজ, কমবোডিয়া, তুরস্ক, ভিয়েতনাম, পোল্যান্ড, পাকিস্তান, যুগোশ্লাভিয়ায় বহু লোক হত্যা করা হয়। সবচেয়ে ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড হয় কমবোডিয়ায়, যেখানে খেমাররুজ প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মানুষ হত্যা করে।

তাই রুমেল বলেছেন, গণতন্ত্রের ইতিহাসে জনগণের অধিকার ও স্বাধীনতার পরিবর্তে লুণ্ঠন ও পীড়ন চলেছে বেশি। নিরাপত্তা ও শান্তি প্রায়ই ছিল অনুপস্থিত। ক্ষমতাপ্রত্যাশীরা গণতন্ত্রকে নিজের স্বার্থ রক্ষার জন্য ব্যবহার করেছে বেশি। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার নামে যে সঙ্ঘাত ও সংঘর্ষ হয় তা সবচেয়ে বেশি। দুই বিশ্ব যুদ্ধে যে অমানবিক হত্যাকাণ্ড ঘটে তার বর্ণনা করা কঠিন। অথচ এ দুই যুদ্ধ হয়েছিল গণতন্ত্র রক্ষার জন্য। রাজতন্ত্রেও এত হত্যাকাণ্ড হয়নি।

এর প্রধান কারণ হলো ক্ষমতা। রুমেল বলেছেন, “Power Kills, absolute power kills absolutely. The more the government has, the more it can act arbitrarily according to whims and desires of the elite, the more it will make war on others and murders its foreign and domestic subjects. The more constrained the power of the governments, the more it is diffused, checked and balanced, the less it will agrees on others and commit democide."

রুমেলের শেষের কথাগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকারের ক্ষমতা চেক ও ব্যালান্স অত্যন্ত প্রয়োজনীয়, যদি সাধারণ নাগরিক নিরাপদ থাকতে চায়। নতুবা সরকার যেকোনো অজুহাতে জনগণকে চাপে রাখার চেষ্টা করবে। কারণ কোনো সরকার বা ক্ষমতাবানেরা সমালোচনা ও প্রতিরোধ পছন্দ করে না। সেগুলো নির্মূল করতে হত্যাকাণ্ড ঘটাতে পিছপা হয় না। সে জন্যই গণতান্ত্রিক দেশ বলে পরিচিত দেশেও হত্যাকাণ্ড হয়; কারণ সরকার ও ক্ষমতাবানদের প্রতিরোধ করার আইনগত ভিত্তি থাকে না।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫