ঢাকা, শনিবার,২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭

পাঠক গ্যালারি

টেলিফোন বিল জমা দিতে হয়রানি

মনী গোপাল দাস

২৬ আগস্ট ২০১৭,শনিবার, ১৫:০২


প্রিন্ট

আমার বাসার টেলিফোন বিল জুন ২০০৪ থেকে জনতা ব্যাংকে জমা দিয়ে আসছি। গত ১৬-৮-২০১৭ তারিখে এপ্রিল ২০১৭ সালের টেলিফোন বিল জমা দিতে গেলে জনতা ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মচারী জানান, তারা এখন থেকে আর টেলিফোন বিল জমা নিবেন না। বিলের অপর পৃষ্ঠায় বিল জমাগ্রহণকারী কয়েকটি ব্যাংকের নাম আছে। এসব ব্যাংকের যেকোনো একটিতে বিল জমা দিতে হবে। তালিকা অনুযায়ী ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেডে (ইউসিবি) যাই। কিন্তু রিসিপশন জানায়, তালিকায় এই ব্যাংকের নাম থাকলেও তারা টেলিফোন বিল জমা নিবেন না। এরপর আমি ওয়ান ব্যাংকে যাই। সেখানে বিল জমা দেয়ার জন্য লম্বা লাইন। গেটের নিরাপত্তাকর্মী আমাকে লাইনে দাঁড়াতে বললেন। আবার অনুচ্চস্বরে আমার কাছে ‘বখশিশ’ (ঘুষ) দাবি করেন। জানালেন, বখশিশ দিলে লাইনে দাঁড়াতে হবে না। আমার বয়স ৭১ বছর। তদুপরি ডায়াবেটিস, প্রেসার, আর্থাইটিস রোগে আক্রান্ত। এ অবস্থায় লাইনে দাঁড়ানো আমার জন্য অত্যন্ত কষ্টকর। ব্যাংকে বৃদ্ধদের জন্য আলাদা কোনো কাউন্টার নেই।

আগে টেলিফোন বিল পরবর্তী মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে পাওয়া যেত। কিন্তু সাম্প্রতিককালে ৩-৪ মাস পরে বিল দেয়া হয়। আমরা সরকারকে যথারীতি কর দিয়েছি। তবুও সাধারণ নাগরিকরা অযথা হয়রানি ভোগ করছি কেন? জনতা ব্যাংকে বিগত ১৩ বছর ধরে এ ধরনের হয়রানির সম্মুখীন হইনি। এটি একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক। এই ব্যাংকের ওপর এখনও আমাদের আস্থা আছে। জনতা ব্যাংকে বিল জমা দেয়ার সুব্যবস্থা পুনরায় চালু করার জন্য কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
নিতাইগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫