ঢাকা, শনিবার,২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭

বিবিধ

'শ্যাম্পু করার' এই ভিডিও এখন ভাইরাল

নয়া দিগন্ত অনলাইন

২২ আগস্ট ২০১৭,মঙ্গলবার, ১৫:৫৯


প্রিন্ট
এক্সপেডিশন ৩৬-এর মহাকাশচারী ক্যারেন নিবার্গ

এক্সপেডিশন ৩৬-এর মহাকাশচারী ক্যারেন নিবার্গ

শূন্যে ভাসতে কার না ভালো লাগে। তবে তা অল্প সময়ের জন্যই। দিনের পর দিন নাওয়া-খাওয়া সবই যদি ভাসতে ভাসতে করতে হয়, তাহলে নিশ্চয়ই বিরক্তি লাগবে। এই যেমন ধরুন, চুলে শ্যাম্পু করার কথাই।

সুপারহিরোর মতো শূন্যে ভাসতে কে না চায়? কিন্তু ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশনে যারা কাজ করেন, মধ্যাকর্ষণ না থাকায় পৃথিবীর অনেক সহজ কাজও তাদের কাছে বেশ চ্যালেঞ্জিং হয়ে ওঠে। তবে অ্যাস্ট্রনটরাও কি কম চালাক? কঠিন কাজ সহজ করে নিতে তারাও আবিষ্কার করছেন নতুন নতুন পদ্ধতি।

ক্যারেন নিবার্গ এক্সপেডিশন ৩৬-এর একজন মহাকাশচারী। দীর্ঘদিন ধরে আছেন মহাকাশ স্টেশনে। নাসার এই মহাকাশচারী এবার দেখালেন, চুলে শ্যাম্পু করার মতো সহজ কাজও স্পেসস্টেশনে কতটা কঠিন হয়ে ওঠে।

মধ্যাকর্ষণ না থাকায় অন্য সবকিছুর মতো চুলও মাথা ছেড়ে ওপরের দিকে চলে যেতে চায়। তাই আর সব কাজের মতো, শ্যাম্পু করাতেও নিতে হয় বিশেষ ব্যবস্থা।

ভাসমান অবস্থায় চুল ধোয়ার জন্য প্রয়োজন নো-রিন্স শ্যাম্পু এবং গরম পানি, চিরুনি এবং তোয়ালে। প্রথমে প্যাকেট করা গরম পানি দিয়ে মাথ ভেজাতে দেখা যায়।

কিন্তু সেটাও এক সমস্যা। প্যাকেট থেকে পানি বের হতেই তা মাথায় না গিয়ে ভাসতে ভাসতে চারপাশে সরে যেতে থাকে। ফলে ভাসমান পানির কণাকে মাথার চুলে নিয়ে আসতে বেশ বেগ পেতে হয়। সেই অল্প পানিই ভালো করে চুলে মাখিয়ে নিতে হয়।

দ্বিতীয় ধাপে শ্যাম্পু নিয়ে একইভাবে চুলে লাগাতে হয়। কিন্তু যেহেতু স্পেস স্টেশনে শাওয়ার নেয়ার ব্যবস্থা নেই, তাই চুলের ময়লা মুছে ফেলতে হয় তোয়ালে দিয়ে। তারপর আবার একটু পানি দিয়ে চুল ভালো করে আঁচড়ে নিলেই শেষ।

তবে মহাশূন্যে চাইলেই অঢেল জিনিসপত্র পাওয়া যায় না। ফলে কোনো কিছু যাতে একেবারে নষ্ট না হয়ে যায়, আছে সে ব্যবস্থাও। যে অল্প পরিমাণ পানি চুল ধোয়ার কাজে লাগলো, সেটিও বাষ্প হওয়ার পর প্রক্রিয়াজাত হয়ে পরিণত হবে খাবার পানিতে।

ভিডিও দেখুন-

 

সূত্র : ডয়চে ভেলে

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫