ঢাকা, বৃহস্পতিবার,২১ সেপ্টেম্বর ২০১৭

বিবিধ

গোল্ডকোস্টে আধিক্য থাকবে শুটারদেরই

রফিকুল হায়দার ফরহাদ

১৮ আগস্ট ২০১৭,শুক্রবার, ২১:৪৫


প্রিন্ট

কমনওয়েলথ গেমসে বাংলাদেশের অভিষেক ১৯৭৮ সালে। কানাডার অ্যাডমন্টনে অনুষ্ঠিত সে আসরে অবশ্য ‘অংশগ্রহণই বড় কথা’ নীতি ছিল লাল সবুজদের। ১৯৮২ সালে অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেন এবং ১৯৮৬ সালে স্কটল্যান্ডের অ্যাডিনবার্গ গেমসে দলই পাঠায়নি বাংলাদেশ। ১৯৯০ থেকে নিয়মিত তারা অংশ নিচ্ছে প্রতি কমলওয়েলথ গেমসে।
আগামী এপ্রিলে অস্ট্রেলিয়ার গোল্ডকোস্টে অনুষ্ঠিতব্য ২১তম গেমসে প্রতিনিধিত্ব থাকবে লাল সবুজদের। কোন কোন ডিসিপ্লিনে দল পাঠানো হবে তা চূড়ান্ত হয়নি এখনো। এ গমেস যা কিছু অর্জন তা শুটিং থেকেই। দুইটি স্বর্ণসহ ছয়টি এনে দিয়েছেন শুটাররাই। তাই গোলকোস্টে বাংলাদেশ বহরে সর্বাধিক সংখ্যক ক্রীড়াবিদ থাকবেন শুটাররাই। বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের মহাপরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব:) ফখরুদ্দিন হায়দার জানান এ তথ্য। ২০১৪ সালের গ্লাসগো কমনওয়েলথ গেমসে ১০টি ডিসিপ্লিনে বাংলাদেশের ৩০ জন ক্রীড়াবিদ অংশ নেন। শুটিং অ্যাথলেটিকস, সাঁতার, বক্সিং, ব্যাডমিন্টন, সাইক্লিং, জিমন্যাসটিকস, টেবিল টেনিস ও ভারোত্তোলনে প্রতিনিধিত্ব ছিল তাদের। এর মধ্যে ৯ জন ছিলেন শুটার। এতে পদক আসে শুধুই শুটিংয়ে। তাও সেটা বাংলাদেশের ফেবারিট পুরুষদের ১০ মিটার এয়ার রাইফেলে। স্কটল্যান্ডের এই শহরে গেমসের পদক প্রদান অনুষ্ঠানে দেশের পতাকা উড়ে আবদুল্লাহ হেল বাকীর কল্যাণে।
কমনওয়েলথ গেমসে বাংলাদেশের দুইটি স্বর্ণের মালিক আসিফ হোসেন খান, আতিকুর রহমান ও আবদুস সাত্তার নিনি। ১৯৯০ সালে নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ডে ১০ মিটার এয়ার পিস্তল দলগততে স্বর্ণ জেতেন নিনি ও আতিক। ৫০ মিটারে তারা জেতেন ব্রোঞ্জ। ২০০২ সালে ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টার বিজয় মঞ্চে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত বাজে আসিফের এয়ার রাইফেলের ওপর ভর করে।

এ ছাড়া ২০০৬ সালে মেলবোর্ন কমনওয়েলথ গেমস এবং ২০১০ সালের দিল্লি গেমসেও পদকের দেখা পায় শুটাররা। মেলবোর্নে আসে রৌপ্য। ১০ মিটার এয়ার রাইফেল দলগততে এ পদক জয় করেন আসিফ ও অঞ্জন কুমার সিংহ।
দিল্লিতে আসে ব্রোঞ্জ। এর মালিক বাকী ও অঞ্জন। এসব পরিসংখ্যানই গোল্ডকোস্টে সর্বোচ্চ সংখ্যক শুটার পাঠাতে উৎসাহিত করছে বিওএকে। বিওএ মহাসচিব জানান, আমরা ১২ জন শুটার পাঠাব আগামী কমনওয়েলথ গেমসে।
সাফল্য যা আসার এ শুটিংয়েই পদক আসছে। কমনওয়েলথ গেমসের বাইরে কমনওয়েলথ শুটিংয়েও বাংলাদেশের স্বর্ণ আছে। ১৯৯৭ সালে কুয়ালালামপুরে সাবরিনা সুলতানা স্বর্ণ জেতেন ৫০ মিটার রাইফেল প্রোণে। ২০১০ সালে দিল্লি কমনওয়েলথ শুটিংয়ে বাংলাদেশকে স্বর্ণ এনে দেন শারমিন আক্তার রত্না। তা মহিলাদের ১০ মিটার এয়ার রাইফেলে। সে আসরেই শোভন চৌধুরী ১০ মিটার এয়ার রাইফেলে জেতেন ব্রোঞ্জ। কমনওয়েলথ শুটিংয়ে দেশকে প্রথম পদক উপহার দেন আসবাব আলী ফয়েজ ও সাইফুল ইসলাম চৌধুরী রিংকি। ১০ মিটার এয়ার রাইফেল দলগততে রৌপ্য জয় তাদের। ব্যক্তিগততে ব্রোঞ্জ যায় রিংকির দখলে। ১৯৯৫ সালে কুয়ালামপুরে হয়েছিল এ আসর।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫