ঢাকা, রবিবার,১৯ নভেম্বর ২০১৭

উপসম্পাদকীয়

একজন উদ্বিগ্ন হামিদ আনসারী

জসিম উদ্দিন

১৬ আগস্ট ২০১৭,বুধবার, ১৮:৪৫


জসিম উদ্দিন

জসিম উদ্দিন

প্রিন্ট

ভারতের প্রেসিডেন্ট ও ভাইস প্রেসিডেন্ট এক সপ্তাহ সময়ের ব্যবধানে অবসরে গেছেন। প্রেসিডেন্ট প্রণব মুখার্জি এক মেয়াদে দায়িত্ব শেষে শাসকদের কাছ থেকে উষ্ণ আন্তরিকতা পেয়ে বিদায় নিয়েছেন। অন্য দিকে ভাইস প্রেসিডেন্ট হামিদ আনসারী দুই মেয়াদের দায়িত্ব শেষে অনেকটাই যেন হতাশ ও বিচলিতচিত্তে ঘরে ফিরে গেলেন। প্রণব মুখার্জির উচ্চপ্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক দীর্ঘ চিঠি লিখেছেন। সেখানে উচ্চ বুদ্ধিমত্তা, সহৃদয়তা ও মহানুভবতার অধিকারী ও জনগণের উদার সেবক হিসেবে প্রণব মুখার্জিকে চিত্রিত করেছেন মোদি।

দায়িত্ব পালনের শেষদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পক্ষ থেকে প্রণব মুখার্জি একটি চিঠি পান। চিঠি পেয়ে প্রণব মুখার্জি আবেগপ্রবণ হন এবং আহ্লাদিত হয়ে ব্যক্তিগত টুইটারে সেটি ছেড়ে দেন। ওই চিঠিতে মোদি লিখেছেন, আপনার প্রজ্ঞা, নির্দেশনা এবং ব্যক্তিগত উষ্ণ আচরণ আমাকে আত্মবিশ্বাসে বলীয়ান করেছে এবং শক্তি জুগিয়েছে। আপনি নিজে একটি জ্ঞানের ভাণ্ডার এবং জানাশোনা একজন মানুষ। আপনার অসাধারণ বুদ্ধিমত্তা অব্যাহতভাবে আমার সরকার ও আমাকে সাহায্য করেছে। আপনি এমন প্রজন্মের নেতা, যার রাজনীতি ছিল স্বার্থহীনভাবে সমাজকে বিলিয়ে দেয়ার জন্য। ভারত আপনার জন্য গর্বিত। আপনি একজন প্রেসিডেন্ট, জনগণের বিনীত সেবক এবং একজন ব্যতিক্রমধর্মী নেতা।

একজন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মোদির প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে কতটা উদার ছিলেন চিঠির শুরুতে সেটা প্রকাশ পেয়েছে। তিনি লিখেছেন, তিন বছর আগে আমি নয়াদিল্লিতে একজন বহিরাগত হিসেবে প্রবেশ করেছি। কাজটি ছিল অনেক বড় এবং চ্যালেঞ্জিং। এই সময় আপনি পাশে ছিলেন বাবার মতো, ছিলেন আমার একজন পরামর্শদাতা। চিঠিটি শেষ হয়েছে ‘জয় হিন্দ’ স্লোগান দিয়ে।

প্রণব মুখার্জি ওই টুইটে বলেন, ‘কার্যদিবসের শেষ দিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছ থেকে একটি চিঠি পাই। সেটি আমার হৃদয়কে ছুঁয়ে গেছে। আপনাদের প্রত্যেকের সাথে এটি আমি শেয়ার করছি।’

দায়িত্ব শেষে প্রণব মুখার্জিকে যখন তুষ্টির প্রশান্তি আচ্ছন্ন করছে, ঠিক সেই সময়টা তার ভাইস প্রেসিডেন্ট হামিদ আনসারীর জন্য কষ্টকর ও দুঃখজনক মুহূর্ত হিসেবে হাজির হয়েছে। বিজেপির অঙ্গ ও শাখা সংগঠনের পক্ষ থেকে তাকে তিরস্কার করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নিজেও এমনসব মন্তব্য করছেন, যা সাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন ঘটায়। হামিদ আনসারী ভারতের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের বিপদের দিকটি উল্লেখ করেছেন তার বিদায়বেলায়।

ভাইস প্রেসিডেন্টের মেয়াদ শেষ হওয়ার এক দিন আগে রাজ্যসভা টিভিকে দেয়া শেষ সাক্ষাৎকারে হামিদ আনসারী বলেন, ‘ভারতে মুসলিমদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা ও ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। এটি ভারতীয় সমাজের একটি বাস্তবতা। একজন দায়িত্ববান মানুষ হিসেবে এই কথা বলতে গিয়ে রীতিমতো তিনি বিপদে পড়ে গেছেন। সুতরাং দায়িত্ব পালনের জন্য কোনো ধরনের প্রশস্তি দূরের কথা দেশে সম্মানের সাথে বাঁচা তার জন্য কঠিন হয়ে যাচ্ছে।’

আনসারী ওই সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘এই ধারণা সঠিক যে দেশের মুসলিমদের মধ্যে ভয় ও নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি রয়েছে। দেশের বিভিন্ন অংশ থেকে আমি এ কথা জানতে পেরেছি। বহু শতাব্দী ধরে ভারতীয় সমাজ বহুত্ববাদী, কিন্তু সর্বজনস্বীকৃত এই পরিবেশ এখন ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। যেভাবে কথায় কথায় মানুষের জাতীয়তাবোধ নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে- তা খুব উদ্বেগজনক বিষয়।’

ওই টিভির সাংবাদিক তার প্রতি প্রশ্ন রাখেন, মুসলিম সম্প্রদায় ভয়ের মধ্যে রয়েছে, তারা নিরাপদ বোধ করছে না, এই মূল্যায়ন কি সঠিক, ভারতীয় মুসলিমদের এখনকার অনুভূতি কী; না বিষয়টি নিয়ে বেশি বেশি করে বলা হচ্ছে? হামিদ আনসারী জবাবে বলেন, ‘হ্যাঁ এটি সঠিক মূল্যায়ন, দেশের সব জায়গা থেকে সমাজের বিভিন্ন অংশ থেকে আমি একই কথা শুনছি। একই কথা শুনেছি বেঙ্গালুরু থেকে এবং দেশের অন্যান্য অংশ থেকেও। বেশি করে শোনা যাচ্ছে উত্তর ভারত থেকে; সেখানে অস্বস্তি বিরাজ করছে, নিরাপত্তাহীনতার চাদর তাদের আচ্ছন্ন করছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘গণপিটুনিতে মৃত্যুর ঘটনা, কুসংস্কারের বিরোধিতাকারীদের হত্যা ও ঘর ওয়াপসির ঘটনা ভারতীয় মূল্যবোধ পতনের উদাহরণ। এসব ঘটনা থেকে বোঝা যায়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সরকারি কর্মকর্তাদের ক্ষমতাও বিভিন্ন স্তরে শেষ হয়ে যাচ্ছে।’

তিনি এমন এক সময় এই উদ্বেগের কথা জানালেন যখন বিজেপি উগ্র শাখা গোরক্ষার নামে পিটিয়ে মানুষ হত্যা করছে সমগ্র ভারতে। ২০১৭ সালের প্রথম ছয় মাসে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় গোরক্ষদের সন্ত্রাসী আক্রমণ ৭৫ শতাংশ বেড়েছে। দলবেঁধে পিটিয়ে হত্যা, ঝুলিয়ে হত্যা, দলবেঁধে ধর্ষণ, হয়রানি ও আক্রমণাত্মক সন্ত্রাস চালিয়ে যাচ্ছে তারা। এর সামান্য কিছু ঘটনা মিডিয়ায় প্রকাশ হওয়ার সুযোগ হয়। দেশে ক্রমবর্ধমান অসহিষ্ণুতার ইস্যু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং সরকারের অন্য মন্ত্রীদের সামনে তুলে ধরেছেন বলেও জানান হামিদ আনসারী।

বেঙ্গালুরুতে ন্যাশনাল ল’ স্কুলের ২৫তম বার্ষিক সমাবর্তন অনুষ্ঠানেও আনসারী বলেন, সমাজের প্রত্যেক অংশে বৈচিত্র্যের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্যকে উন্নীত করতে সহিষ্ণুতা এক অপরিহার্য রাষ্ট্রীয় গুণ হওয়া উচিত। তিনি বলেন, ধর্মনিরপেক্ষতার মৌলিক নীতির পুনরাবৃত্তি ও পুনরুজ্জীবিত করাই বর্তমান সময়ের বড় চ্যালেঞ্জ। এতেই সহনশীলতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সহনশীলতা ভারতীয় সমাজের বাস্তবতায় প্রতিফলিত হওয়া উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি শুধু বর্তমান সময়ের একটি মূল্যায়ন দিয়েছেন, যা তিনি শুনেছেন এবং বাস্তবে দেখেছেন। এ জন্য তিনি সরকারকে অভিযুক্ত করেননি। কিন্তু বিজেপির কাছ থেকে এর প্রতিক্রিয়া করা হয়েছে আগ্রাসী সাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে। লেখক সাংবাদিক ও অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের ভারত শাখার নির্বাহী পরিচালক আকার পেটেল লিখেছেন, ‘বিজেপি সরকারের শুরু থেকে আনসারী অস্বস্তির মধ্যে পড়ে যান। দলটির সাধারণ সম্পাদক রামমাধব ভাইস প্রেসিডেন্ট আনসারীর ব্যাপারে এমন অজ্ঞতাপূর্ণ মন্তব্য করেছেন, পরে সেটা তার টুইটার থেকে মুছে ফেলেন। তার ওইসব বক্তব্য ছিল ভুল। কী ঘটেছিল সেগুলো আবার উল্লেখ করার মতো আমার রুচি নেই।’

শাসকদলের শীর্ষ এক নেতার দৃষ্টিভঙ্গির এমন করুণ দশা পেটেল এভাবেই তুলে ধরেন। অর্থাৎ একজন মানুষের প্রতি ন্যূনতম সম্মান প্রদর্শন করতে পারছেন না শাসকদলের উঁচু সারির নেতারা।
হামিদ আনসারীর এসব বক্তব্যের পর বিজেপির অঙ্গসংগঠনের পক্ষ থেকে কঠোর মনোভাব দেখানো হচ্ছে। এর মধ্যে আরএসএস নেতা ইন্দ্রেষ কুমার মোটামুটি আনসারীকে পথ দেখিয়ে দিয়েছেন কী করতে হবে। এর আগে অনেককেই একই ধরনের হুমকি দেয়া হয়েছিল বিজেপির কট্টর শাখা সংগঠনটি। এর মধ্যে অন্যতম ছিল মুম্বাইয়ের অভিনেতা আমির খানকে। ওই একই ধরনের ধমকের মুখে পড়েন আমির খানের পর আরো অনেকে, যারা সামান্য মুখ খুলতে চাইলেও সবাই চুপ হয়ে গেছেন।

ইন্দ্রেষ কুমার বলেছেন, ‘দীর্ঘ এই দশ বছরে আনসারী নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেননি। তাকে এমন একটা দেশের নাম উল্লেখ করা উচিত যেখানে মুসলমানেরা নিরাপদ। আমি মনে করি না, আনসারীর দুশ্চিন্তায় থাকা উচিত। এমন যদি হয়, তাকে এমন দেশে চলে যাওয়া উচিত, যেখানে তিনি নিরাপদ অনুভব করেন।’

হামিদ আনসারীর উদ্বিগ্ন হওয়ার পেছনে যৌক্তিক কারণ রয়েছে সেগুলোকে রাষ্ট্র হিসেবে মোকাবেলা করার মানসিকতা ভারতের বর্তমান শাসকদের মধ্যে দেখা যাচ্ছে না, বরং একেবারে শীর্ষপর্যায় থেকে সাম্প্রদায়িক মানসিকতা চাঙ্গা করার অভিপ্রায় দেশটিতে ব্যাপক মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কংগ্রেস নেতা অবসরে যাওয়া প্রেসিডেন্ট প্রণব মুখার্জির যখন প্রশস্তি গাইছেন একই সময় অপর কংগ্রেস নেতা তার ভাইস প্রেসিডেন্ট হামিদ আনসারীর ব্যাপারেও তার মনোভাব প্রকাশ করেছেন। ওই মনোভাবের মধ্যে অসহিষ্ণুতা ও বিদ্বেষকে লুকিয়ে রাখতে পারেননি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের এই প্রধান কর্মকর্তা। প্রকাশ হয়ে পড়েছে কংগ্রেস দলেরই অন্য সদস্য আনসারীর প্রতি তার অস্বস্তিকর মনোভঙ্গি।

মুখার্জি কংগ্রেস নেতা হলেও তিনি মোদির ধর্মমতের অনুসারি, তাই তার প্রতি একধরনের মনোভাব। অন্য দিকে অপর কংগ্রেস নেতা আনসারী যিনি মোদির ধর্মমতের অনুসারী নন, তার প্রতি ভিন্ন ধরনের মনোভাব। এতে করে উপমহাদেশের এই বড় দেশটির প্রধানমন্ত্রীর মানসিক সঙ্কীর্ণতার ব্যাপারটি স্পষ্ট হয়ে যায়। তাহলে তিনি ধর্মের ভিত্তিতে মানুষকে বিবেচনা করতে ভারতবাসীকে উৎসাহিত করছেন। অন্তত ভারতের প্রেসিডেন্ট ও ভাইস প্রেসিডেন্টের সদ্য অবসেরর পর এমনটা মনে করার যথেষ্ট কারণ সৃষ্টি হয়েছে।

হামিদ আনসারীর ব্যাপারে মোদির ধারণা কিভাবে গড়ে উঠেছে সেটাও স্পষ্ট বোঝা যায়। মোদি তার টুইটারে লিখেন, ‘আনসারীর পরিবার দীর্ঘদিন ধরে কংগ্রেসের সাথে যুক্ত, খেলাফত আন্দোলনের সাথেও যুক্ত ছিল। তার কূটনীতিক কাজে পশ্চিম এশিয়া প্রাধান্য পেয়েছে। আনসারী এমন কিছু কাজের সাথে সংযুক্ত যেখানে একই ধরনের পরিবেশ একই ধরনের আদর্শ এবং একই ধরনের মানুষ।’

হামিদ আনসারীকে নিয়ে মোদির এমন সাম্প্রদায়িকতাদুষ্ট মনোভঙ্গির সমালোচনা করেছেন আকার পেটেল। তার মতে, মুসলিম পরিচয় ব্যবহার করে মোদি আনসারীকে চুপ করিয়ে দিতে চাইছেন। এ জন্য তিনি আরব বিশ্বে তার কূটনীতিক হিসেবে কাজ করা এবং শিক্ষাবিদ হিসেবে আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজ করাকে সংযোগ দেখাতে চাইছেন। তার ভঙ্গিমায় এটাই প্রকাশিত হয় যে ভিন্ন ধর্মের প্রতি তার অসহিষ্ণুতা রয়েছে।

পেটেল তার টুইটারে লিখেছেন, অবসরে যাওয়ার পর আনসারীর প্রতি মোদি লিখেছেন, আনসারী সংখ্যালঘু কমিশন এবং আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ে বেশি কাজ করেছেন। পেটেল ওই টুইটে উল্লেখ করেন, মোদি শেষ করেন আনসারীর প্রতি এক অপ্রীতিকর মন্তব্য দিয়ে, ‘আপনি সম্ভবত নিজের সাথে লড়াই করেছেন (ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনের ১০ বছর), কিন্তু এখন থেকে আপনাকে আর দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়তে হবে না। আপনার থাকবে স্বাধীনতার অনুভূতি, নিজের ‘আদর্শ’ অনুযায়ী চিন্তা ও কাজ করার সুযোগ পাবেন আপনি।’

প্রধানমন্ত্রীর মতে আনসারী কোন আদর্শ ধারণ করেন সেটা মোদি বলেননি। সেটা বলার প্রয়োজনও নেই। মোদির তৃষ্ণা কোন জায়গাটায় সেটা কারো জন্য না বুঝে থাকা অসম্ভব। পেটেল বিষয়টিকে এভাবে বিশ্লেষণ করেন।

সংখ্যালঘুদের প্রতি অন্যায় আচরণ হচ্ছে এ ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট হামিদ আনসারী। এটুকু অবস্থান ভারতীয় শাসকদের কাছে সহ্য হয়নি। বৃহত্তর সম্প্রদায়ের একজন হয়ে অবসরে যাওয়া প্রেসিডেন্ট প্রণব মুখার্জি এ কথাগুলো উল্লেখ করলে সবাই লাভবান হতো। সে ক্ষেত্রে তার সহকর্মী হামিদ আনসারীর প্রতি তিরস্কার তাচ্ছিল্যের মানসিকতা গ্রহণ করা শাসকদের জন্য কঠিন হতো।

একজন বড়মাপের অসাম্প্রদায়িক ব্যক্তি হিসেবে মুখার্জি পরিচিত। এ ব্যাপারে বাংলাদেশীদের মধ্যে অনেকে মুখার্জির ভূয়সী প্রশংসা করেন। ভারতীয় সমাজে বহুত্ববাদ চর্চা আশঙ্কার মধ্যে পড়েছে এমনটা তিনি উপলব্ধি করতে পারেননি। অথবা উপলব্ধি করলেও সেটা তিনি ফলাও করে প্রকাশ করার প্রয়োজন মনে করেননি। ফলে মুখার্জিকে নিয়ে মোদি এবং তার সরকার যেমন উষ্ণ আচরণ করছেন; একইভাবে মুখার্জি নিজেও এই সরকার ও তার প্রধানের আচরণে আবেগাপ্লুত হয়েছেন।

jjshim146@yahoo.com

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫