ঢাকা, সোমবার,২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭

ঢাকা

বালিয়াকান্দিতে বর্ষণে সড়কে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন

সোহেল রানা বালিয়াকান্দি (রাজবাড়ী)

১৩ আগস্ট ২০১৭,রবিবার, ১৪:৫৮


প্রিন্ট

বর্ষা মৌসুমের টানা বর্ষণে ক্ষতবিক্ষত হয়ে পড়েছে গুরুত্বপূর্ণ রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার কয়েকটি সড়ক। বালিয়াকান্দি থেকে নারুয়ার ঘিকমলা পর্যন্ত ১৫ কিলোমিটার এবং বালিয়াকান্দি বাজারের বিভিন্ন সড়ক। বৃষ্টিতে সড়কের বিটুমিনের কার্পেটিং উঠে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য গর্ত ও খানাখন্দ। এতে করে অত্যন্ত ব্যাস্ত এ সড়ক দিয়ে যানবাহন চলাচল করতে হচ্ছে ধীর গতিতে ঝুঁকি নিয়ে। সড়ক দিয়ে পায়ে হেটে যাওয়া পথচারীদের জন্য দুষ্কর হয়ে পড়েছে।
সরেজমিন দেখা যায়, বালিয়াকান্দি বাজার থেকে ঘিকমলা ঘোষখালী কালভার্ট পর্যন্ত সবচেয়ে বেশী গুরুত্বপুর্ণ ১৫ কিলোমিটার সড়ক। শত শত যানবাহন চলাচল করে। অপরদিকে বালিয়াকান্দি-মধুখালী সড়কের ওয়াপদা মোড় এলাকায় চরম ঝুকিপুর্ণ হয়েছে সড়কটি। মাঝে মাঝেই গাড়ী চলতে না পারার কারণে বালিয়াকান্দি বাজার হয়ে কবরস্থানের সামনে দিয়ে সাধু মোল্যার বাড়ীর সামনে দিয়ে ভারি যানবাহন চলাচল করার কারণে ওই সড়কটিও দু,পাশে নিচু হয়ে গেছে। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই কাদাপানিতে একাকার হয়ে যাচ্ছে। বালিয়াকান্দি থানা রোডেও বেহাল অবস্থা। বালিয়াকান্দি তালপট্রি ওয়াপদা সড়কের বেহাল অবস্থার কারনে ঝুঁকি আরো বেড়ে গেছে। পুরো এলাকা জুড়ে অসংখ্য খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। বহু জায়গায় সড়ক থেকে উঠে গেছে কার্পের্টিং। সড়কের গর্তের জন্য ঘটছে ছোটখাট দূর্ঘটনা। ঈদের আগে সড়কে কার্পেটিংয়ের কাজ না করলে বৃষ্টির কারনে বেহাল অবস্থার কারণে যানবাহন চলাচলে দুরবস্থা এবং যাত্রী দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে বলে জানিয়েছেন যানবাহনের চালক ও সাধারণ যাত্রীরা।
কয়েকজন যানবাহন চালক জানান, সড়কের সংস্কার কাজ না হলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এতে সড়ক ভরে গেছে অসংখ্য খানাখন্দে। যে কারণে একদিকে যেমন গাড়ি চালানো কষ্টকর হয়ে পড়েছে অপরদিকে নষ্ট হচ্ছে গাড়ির মূল্যবান যন্ত্রাংশ। খানাখন্দের কারণে গাড়ির অতিরিক্ত ঝাকুনীতে অনেক যাত্রী অসুস্থ্য হয়ে পড়ার ঘটনাও ঘটছে। এছাড়া গাড়ি ধীর গতিতে চালানোর ফলে তাদের এ সড়কটুকু পার হতে দ্বিগুনেরর বেশী সময় লাগছে।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫