ব্রাইটন এন্ড হোভ আলবিয়নের বিপক্ষে অভিষেক হয় কাইল ওয়াকারের
ব্রাইটন এন্ড হোভ আলবিয়নের বিপক্ষে অভিষেক হয় কাইল ওয়াকারের

প্রিমিয়ার লীগে ম্যান সিটির শুভ সূচনা

নয়া দিগন্ত অনলাইন

প্রিমিয়ার লীগে নতুন খেলতে আসা ব্রাইটন এন্ড হোভ আলবিয়নকে ২-০ গোলে পরাজিত করে লীগে শুভ সূচনা করেছে শিরোপা প্রত্যাশী ম্যানচেস্টার সিটি।

শিরোপা লড়াইয়ে প্রতিদ্বন্দ্বি আর্সেনাল, চেলসি, লিভারপুল যেখানে নিজেদের প্রথম ম্যাচে বেশ অনিশ্চয়তায় পড়েছে সেখানে নতুন দলটির বিপক্ষে সিটি অনেকটাই দাপুটে জয় পেয়েছে। শুধুমাত্র নিজেদের নিয়ন্ত্রিত আক্রমণগুলোকে শেষ পর্যন্ত গোলে পরিণত করতে না পারায় ব্যবধানটা বড় হয়নি।

পেপ গার্দিওলার দলটি ৭৬ ভাগ বলের পজিশন পেলেও ম্যাচে গোল হয়েছে মাত্র দুটি। তাও আবার ৭০ মিনিট পর্যন্ত সিটিকে আটকে রেখেছিল ব্রাইটন। আর্জেন্টাইন তারকা সার্জিও আগুয়েরো ডেডলক ভাঙ্গার পাঁচ মিনিট পরে ডিফেন্ডার লুইস ডাঙ্কের আত্মঘাতি গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ হয়।

ঘরের মাঠ এ্যামেক্স স্টেডিয়ামে রেকর্ড ৩৫ হাজার সমর্থকের সামনে ব্রাইটন একটিও সুযোগ সৃষ্টি করতে পারেনি। সিটি গোলরক্ষক এডারসনকে অনেকটা অলস সময় কাটাতে হয়েছে। প্রিমিয়ার লীগের ইতিহাসে কোনো গোলরক্ষকের অভিষেক এতটা সহজ হয়নি।

১৯৮৩ সালের পরে সীগালসের এটাই শীর্ষ পর্যায়ের কোন ম্যাচ ছিল। ঘটনাক্রমে তাদের আগের হোম ম্যাচটাও ছিল সিটির বিপক্ষে। ওই ম্যাচে ১-০ গোলে পরাজিত হয়ে ব্রাইটনের রেলিগেশন নিশ্চিত হয়েছিল। সিটিও ওই মৌসুমে রেলিগেশনের খরায় পড়েছিল। কিন্তু তারপর থেকে ব্রাইটন নিজেদের আর এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেনি। অন্যদিকে সিটির উন্নতি লীগের অন্যতম সফল একটি অধ্যায়।

কালকের ম্যাচে গার্দিওলারও অধীনে আরো অভিষেক হয়েছে কাইল ওয়াকার ও ডানিলোর। ম্যাচের শুরুতেই ডানদিক থেকে ওয়াকারের একটি প্রচেষ্টা কোনো রকমে রক্ষা করে ব্রাইটনের রক্ষণভাগ। গ্যাবিয়েল জেসাস ডাঙ্কের মাথার ওপর দিয়ে বল ফ্লিক করলে ব্রাইটনের আইরিশি সেন্টার ব্যাক শেন ডাফি তা আটকে দেন।

এরপর ডানিলোর শট অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায়। ২৭ মিনিটে আগুয়েরর লফটেড পাস থেকে জেসাস দারুণ একটি সুযোগ নষ্ট করেন। তবে এই আক্রমণে ব্রাইটনের অস্ট্রেলিয়ান গোলরক্ষক ম্যাথু রায়ান ইনজুরিতে পড়লে রেফারি মাইকেল অলিভার হলুদ কার্ড দেখিয়ে সতর্ক করে দেন।

৩৩ মিনিটে জেসাস প্রায় গোল করেই ফেলেছিলেন। ওয়াকারের ক্রস থেকে রায়ান বল রক্ষা করলে ফিরতি বলে জেসাস গোলের সুযোগ নষ্ট করেন। সব সুযোগগুলোতেই সিটি ব্রাইটনকে বল পজিশনের শিক্ষা দিয়েছে, কিন্তু ফিনিশ করতে পারেনি।

বিরতির পরে ছয় মিনিটে ফার্নানদিনহোর থ্রু বল থেকে ডেভিড সিলভা আগুয়ান জেসাসকে বল বাড়িয়ে দিলেও সহকারি রেফারি অফ-সাইডের নিদের্শ দেন। ৭০ মিনিটে অবশেষে সেই কাঙ্খিত সুযোগটি আসে। সিলভার সহায়তায় আগুয়েরো আর ভুল করেননি। পাঁচ মিনিট পরে ডান দিক থেকে ফার্নানদিনহোর ক্রস থেকে ডাঙ্কের হেড আটকানোর সামর্থ ছিল না রায়ানের। ফলে আত্মঘাতি গোলে ব্রাইটনের পরাজয় নিশ্চিত হয়।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.