ঢাকা, বৃহস্পতিবার,১৯ অক্টোবর ২০১৭

মিউজিক

বৃষ্টির স্বপ্নপূরণ

বিনোদন প্রতিবেদন

১২ আগস্ট ২০১৭,শনিবার, ১৬:৪৫ | আপডেট: ১২ আগস্ট ২০১৭,শনিবার, ১৭:৩৯


প্রিন্ট
বৃষ্টি মুৎসুদ্দি

বৃষ্টি মুৎসুদ্দি

অনেক দিনের স্বপ্ন পূরণ হলো ২০১২ সালের সেরাকণ্ঠ চ্যাম্পিয়ন চট্টগ্রামের মেয়ে কণ্ঠশিল্পী বৃষ্টি মুৎসুদ্দির। ছোটবেলা থেকেই বৃষ্টির স্বপ্ন ছিল শিক্ষকতার মতো মহান পেশার সাথে যুক্ত হওয়ার। অবশেষে সেই স্বপ্ন পূরণ হলো তার।

চট্টগ্রামের সদরঘাটে অবস্থিত ইসলামিয়া ইউনিভার্সিটি কলেজের ফিন্যান্স ডিপার্টম্যান্টে লেকচারার হিসেবে যোগ দিয়েছেন বৃষ্টি। গত ১ আগস্ট তিনি লেকচারার পদে যোগ দেন। আর এই দিনেই যেন জীবনের সবচেয়ে বড় স্বপ্নটি পূরণ হলো তার।

বৃষ্টির শিক্ষকতা পেশায় যোগদানের পর থেকে যেন তার পরিবারে বইছে খুশির বন্যা। বিশেষত তার এমন পেশায় যোগদানে তার বাবা রঞ্জিত কুমার মুৎসুদ্দি এবং মা ডা: শেলী বড়ুয়া ভীষণ খুশি। পড়াশোনার জন্য মেয়েকে রাজধানীর ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা করতে হতো বলে বাবা-মাকে ছেড়ে রাজধানীতে থাকতে হতো বৃষ্টির। কিন্তু এখন যেহেতু চট্টগ্রামেই শিক্ষকতা পেশায় যোগ দিয়েছেন তাই বিয়ের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত বাবা-মায়ের পাশে থেকেই চাকরি করতে পারবেন।

জীবনের স্বপ্ন পূরণ হওয়া প্রসঙ্গে বৃষ্টি মুৎসুদ্দি বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই আমার স্বপ্ন ছিল শিক্ষকতার মতো মহান পেশায় জড়িত হব। যে কারণে ২০১২ সালে সেরাকণ্ঠে চ্যাম্পিয়ন হলেও পড়াশোনার কারণে গানে খুব বেশি নিয়মিত হতে পারিনি আমি। পড়াশোনা নিয়েই আমার যত ভাবনা ছিল, কিভাবে ভালো ফলাফল করা যায় সেই ভাবনাই ছিল সারাক্ষণ। অবশেষে শিক্ষক হতে পেরেছি, এটা আমার জন্য অনেক বড় অর্জন।

আমি কৃতজ্ঞ আমার বাবা-মায়ের কাছে, কারণ তারা আমাকে সবসময়ই উৎসাহ দিয়েছেন। আর আমার দিদি নির্বাচিতার কথা বলতেই হয়, কারণ তার কাছেই আমার গানে হাতেখড়ি। আমার জীবন চলার পথে যেকোনো সিদ্ধান্ত দিদির কাছ থেকেই নিয়েছি সবসময়। আমার পাশে থেকে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন সবসময়। সেই সাথে কৃতজ্ঞ আমার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রিন্সিপাল রেজাউল করিম স্যার এবং আমার বিভাগের প্রধান জিয়া স্যারের কাছে। তারা শুরু থেকেই আমাকে সহযোগিতা করে আসছেন।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫