ধর্ষণ করা হয়েছে ৬ বছরের এক শিশুকে
ধর্ষণ করা হয়েছে ৬ বছরের এক শিশুকে

বরিশালে শিশুকে ধর্ষণ, প্রেমিকাকে গণধর্ষণ

বরিশাল ব্যুরো

বরিশাল নগরীর পশ্চিম কাউনিয়া এলাকায় ছয় বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ ও উজিরপুরের শোলক গ্রামে এক প্রেমিকাকে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। শিশু ধর্ষণের ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়েও ধর্ষক ভাড়াটিয়া রাকিবকে গ্রেফতার করতে পারেননি।

বরিশাল কাউনিয়া থানার ওসি মো: নুরুল ইসলাম পিপিএম জানান, ওই এলাকার মোহাম্মদ আলী ডিলারের বাড়ির নান্নু মিয়ার ভাড়াটিয়া মামুন আকনের পুত্র রাকিব বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রথম শ্রেণীর ছাত্রী ওই শিশুটিকে একাকী বাসায় পেয়ে ধর্ষণ করে। এসময় শিশুটির চিৎকারে প্রতিবেশিরা এগিয়ে এলে একই বাড়ির ভাড়াটিয়া ধর্ষক রাকিব পালিয়ে যায়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হওয়ায় শিশুটিকে শেবাচিমে ভর্তি করা হয়েছে।

বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার জন্য বাড়িওয়ালা নান্নুসহ একটি মহল চেষ্টা চালায়। খবর পেয়ে ওইদিন রাত নয়টার দিকে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।

এ ঘটনায় ওইদিন রাতেই শিশুর বাবা মফিজউদ্দিন বাদি হয়ে থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন।

ওসি আরও জানান, অভিযুক্ত ধর্ষক রাকিবকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

অপরদিকে উজিরপুর উপজেলার শোলক গ্রামে প্রেমিকের সাথে দেখা করতে এসে গণধর্ষনের স্বীকার হয়েছে এক যুবতী।

বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ থানার মহাখালা গ্রামের ওই যুবতী (২২) জানায়, আগৈলঝাড়া উপজেলার রত্নপুর গ্রামের আব্দুল হক ফকিরের পুত্র সাঈদ ফকিরের (২৫) সাথে গত ছয় মাস পূর্বে মোবাইল ফোনে পরিচয়ের সূত্রধরে তাদের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। গত ৯ আগস্ট সকালে সে (যুবতী) প্রেমিক সাঈদের সাথে দেখা করতে এলে সাঈদ তাকে উজিরপুরের শোলক গ্রামের ইব্রাহিম নামের তার এক বন্ধুর বাড়িতে নিয়ে যায়। ওইদিন রাতে শোলক গ্রামের একটি পানবরজে অস্থায়ী টোং ঘরে নিয়ে সাঈদ ও তার চারবন্ধু জোরপূর্বক তাকে গণধর্ষণ করে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয়রা জানায়, বিষয়টি টের পেয়ে এলাকাবাসী ওই যুবতীসহ ধর্ষক শাহীন ফকিরকে আটক করে থানার এসআই জসিম হাওলাদারের কাছে সোপর্দ করেন। এসময় অপর চার ধর্ষক পালিয়ে যায়।

সূত্রমতে, পরের দিন (১০ আগস্ট) দিনভর বিভিন্ন রফাদফা শেষে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে দুপুর দুইটার দিকে শাহীনকে ছেড়ে দেয় পুলিশ। পরবর্তীতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে পুনরায় থানা পুলিশ ধর্ষক শাহীন ও ধর্ষিতা যুবতীকে আটক দেখিয়ে রহস্যজনকভাবে ব্যাভিচারের মামলা দিয়ে জেলহাজতে প্রেরণ করেন।

সূত্রে আরও জানা গেছে, এলাকাবাসীর ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে যাওয়া অপর চার ধর্ষক হলো রত্নপুর গ্রামের সাঈদ ফকির, শোলক গ্রামের ইব্রাহিম সরদার, সঞ্জিত দাস ও বেল্লাল হাওলাদার।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.