ঢাকা, সোমবার,২১ আগস্ট ২০১৭

এশিয়া

ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বক্তব্যের পর যুদ্ধের আশংকা বেড়েছে: চীনা বিশেষজ্ঞ

নয়া দিগন্ত অনলাইন

১১ আগস্ট ২০১৭,শুক্রবার, ১৭:৪৪


প্রিন্ট
চলমান ডোকালাম সংকটকে কেন্দ্র করে চীন-ভারত সম্পর্কের ক্ষতি হয়েছে।

চলমান ডোকালাম সংকটকে কেন্দ্র করে চীন-ভারত সম্পর্কের ক্ষতি হয়েছে।

চীনের বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী অরুণ জেটলির বক্তব্যের পর দেশ দু’টির মধ্যে যুদ্ধের আশংকা বেড়েছে।

জেটলি বুধবার বলেছেন, ১৯৬২ সালের চীন-ভারত যুদ্ধ থেকে শিক্ষা নেয়া হয়েছে এবং যে কোনো নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার মতোই শক্তিশালী ভারতীয় সেনাবাহিনী। টাইমস অব ইন্ডিয়া বৃহস্পতিবার এ খবর দিয়েছে।

তার এ বক্তব্যকে কেন্দ্র দেশটির রাষ্ট্রীয় দৈনিক গ্লোবাল টাইমসের আজকের (শুক্রবার) ইন্টারনেট সংস্করণে চীনা বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য তুলে ধরা হয়। সাংহাই ইন্সটিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনালের সেন্টার ফর এশিয়া-প্যাসিফিকের পরিচালক ঝাও গাচেং বলেন, ডোকালামের চলমান সংকট নিয়ে সম্প্রতি ভারতীয় রাজনীতিবিদরা যে সব বক্তব্য দিয়েছেন তার মধ্যে সবচেয়ে কঠোর বক্তব্য দিলেন জেটলি। এ বক্তব্যের মধ্য দিয়ে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে বলে চীনকে ইঙ্গিত দিল ভারত আর এতে সম্ভাব্য সামরিক সংঘাতের আশংকা বেড়েছে বলেই জানান তিনি।

তিনি বলেন, ভারতের ওপর চাপ অব্যাহত রাখতে এবং যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে চীনকে।

এদিকে, জেটলির বক্তব্যকে অজ্ঞতাসূলভ বলে মন্তব্য করেন সাংহাই একাডেমি অফ সোশ্যাল সায়েন্সের রিসার্চ ফেলো হু ঝিয়োং। তার এ বক্তব্য সীমান্ত উত্তেজনা নিরসনে কোনো সহায়তা করবে না বলেও মনে করেন হু।

ডোকালাম অঞ্চলের সমস্যা শান্তিপূর্ণভাবে সমাধানের চেষ্টা করার কথা ভারত বলছে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কিন্তু সীমান্তের কাছে বাড়তি সেনা মোতায়েনসহ এর উল্টো কাজ করছে নয়াদিল্লি। এ ছাড়া, চলমান ডোকালাম সংকটকে কেন্দ্র করে চীন-ভারত সম্পর্কের ক্ষতি হয়েছে। এতে সেপ্টেম্বরে চীনে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস সম্মেলনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যে কোনো অজুহাত তুলে যোগ নাও দিতে পারেন বলে আশংকা প্রকাশ করেন তিনি।

ডোকালাম অঞ্চলের চীন-ভারত সীমান্ত সংকট প্রায় গত দু’মাস ধরে অব্যাহত রয়েছে।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫