ঢাকা, সোমবার,২১ আগস্ট ২০১৭

তুরস্ক

কেন কাতার সঙ্কট নিরসনে উদ্যোগী তুরস্ক?

নয়া দিগন্ত অনলাইন

২৩ জুলাই ২০১৭,রবিবার, ১৩:৪৫


প্রিন্ট
সৌদি আরব সফরের আগে কুয়েত যাবেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তৈয়ব এরদোগানন

সৌদি আরব সফরের আগে কুয়েত যাবেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তৈয়ব এরদোগানন

কাতার এবং সৌদি আরবসহ চারটি আরব দেশের মধ্যকার বিরোধ মেটাতে গালফ দেশগুলোতে দুই দিনের সফর শুরু করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তৈয়ব এরদোগান।

সৌদি আরব সফরের আগে এরদোয়ান এই বিরোধ নিরসনে প্রধান মধ্যস্থতাকারী দেশ কুয়েতে যাবেন। এরপর যাবেন কাতার।

জুনে 'সন্ত্রাসবাদে সমর্থন দেয়া' এবং ইরানের সাথে সম্পর্ক রাখার অভিযোগে কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন এবং মিসর।

এরপর দুই দফায় কাতারকে নানা রকম শর্ত দেয় আরব দেশগুলো, যা মানতে অস্বীকৃতি জানায় কাতার।

তবে, বিবিসির সংবাদদাতা জানাচ্ছেন, এ সফরের মাধ্যমে এরদোগানের পক্ষে এই বিরোধ নিরসনে ভূমিকা রাখার সুযোগ খুবই কম।

কেননা, তুরস্ক ইতোমধ্যেই কাতারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে, আবার একইসঙ্গে দেশটি সৌদি আরবের বিপক্ষে অবস্থান নেবে না।

তুরস্কের সাথে কাতারের সম্পর্ক

জুনে উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর কাতারের ওপর অবরোধ আরোপের ফলে দেশটিতে যেন খাদ্য সঙ্কট তৈরি না হয় সেই জন্য খাদ্যসামগ্রী পাঠায় তুরস্ক।

সেসময় দেশটির ওপর আরোপ করা অবরোধেরও কড়া সমালোচনা করেছিলেন এরদোগান।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কাতারের সাথে তুরস্কের সম্পর্কের উন্নতি হয়েছে।

২০১৫ সালে সামরিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করে দুই দেশ। এ ছাড়া কাতারে সামরিক ঘাঁটিও তৈরি করেছে তুরস্ক।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আরব বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর দোহাকে অন্যতম মিত্র হিসেবে আঙ্কারার অবস্থানের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু কারণ রয়েছে।

গত বছর প্রেসিডেন্ট এরদোগানের বিরুদ্ধে সেনা সদস্যদের একাংশের অভ্যুত্থানের ব্যর্থ চেষ্টার সময় প্রথম রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে সংহতি প্রকাশ করেছিলেন কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানি।

অভ্যুত্থান চেষ্টার পর এরদোগানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাতারের বিশেষ বাহিনীর ১৫০ সদস্যের একটি ইউনিট তুরস্ক পাঠানো হয়েছিল বলেও জানা যায়।

তাছাড়া দুই দেশের সরকারের মধ্যে আদর্শিক ঐক্যও রয়েছে।

মিসরভিত্তিক ইসলামপন্থী দল মুসলিম ব্রাদারহুড ও ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসকে 'সন্ত্রাসী সংগঠন' হিসেবে মনে করে না দুই দেশই।

আবার ইরানের প্রতিও দেশ দুটির দৃষ্টিভঙ্গি একই রকম। দুই পক্ষই স্বীকার করে, মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম শক্তি হলো ইরান।

সূত্র : বিবিসি

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫