ঢাকা, বুধবার,১৬ আগস্ট ২০১৭

অনলাইন জগৎ

ব্রিটিশ লাইব্রেরির সৌজন্যে দুষ্প্রাপ্য বাংলা বই ডিজিটাল ফর্মে

নয়া দিগন্ত অনলাইন

২২ জুলাই ২০১৭,শনিবার, ১৩:৪৮


প্রিন্ট

এবার ১৯ শতকের বিরল ও দুষ্প্রাপ্য কিছু বাংলা বই ডিজিটাইজ করার পথে ব্রিটিশ লাইব্রেরি। দক্ষিণ এশিয়ার বইয়ের কালেকশন থেকে ১০০০-এর ওপর বাংলা বই স্ক্যান করেছে ব্রিটিশ লাইব্রেরি।

‘টু সেনচ্যুরিজ অফ ইন্ডিয়ান প্রিন্ট’ প্রজেক্টের লক্ষ্য অবশ্য ৪ হাজার বাংলা বইয়ের ৮ লাখ পাতা ডিজিটাইজ করা। আর এই সব বই অনলাইনে পাওয়া যাবে এক্কেবারে বিনামূল্যে।

টিসিআইপি-র ডিজিটাল কিউরেটর টম ডেরিক একটি সাক্ষাত্কারে জানিয়েছেন, ‘এখন পর্যন্ত আমরা ১০০০ বই স্ক্যান করেছি। সব রকমের বই রয়েছে এই ভাষায়। সে বিজ্ঞান হোক বা শিক্ষা কিংবা ধর্ম, মিশনারিজরা ভারতে গিয়ে বাইবেল পর্যন্ত অনুবাদ করেছিলেন।’

এই পাইলট প্রজেক্টটি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অফ কালচারাল টেক্সটস অ্যান্ড রেকর্ডস, সৃষ্টি ইনস্টিটিউট অফ আর্ট, ডিজাইন অ্যান্ড টেকনলজি এবং লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের ওসওএএস লাইব্রেরির সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে করা হচ্ছে। এই প্রকল্পে পাশে রয়েছে ভারতীয় জাতীয় গ্রন্থাগারও। ব্রিটিশ লাইব্রেরির কালেকশনে ১৭১৩ থেকে ১৯১৪ সাল পর্যন্ত ভারতীয় প্রিন্টেড বইয়ের যে সম্ভার আছে তা পাঠকের সঙ্গে আগামী দিনে ভাগ করে নেয়াই প্রধান লক্ষ্য।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অফ কালচারাল টেক্সটস অ্যান্ড রেকর্ডস-এর যুগ্ম ডিরেক্টর অভিজিত্‍ গুপ্ত জানিয়েছেন, ‘ব্রিটিশ লাইব্রেরি একটি অনন্য প্রক্রিয়ায় পাতলা বই একসঙ্গে বাঁধিয়েছে। এই প্রজেক্টের অন্যতম বিরল বই অ্যাডভাইস ফর রেলওয়ে ট্র্যাভেলার্স। প্রথম যখন দেশে ট্রেন যাত্রা শুরু হয়, তখনই এই বইটি প্রকাশিত হয়েছিল। এই ডিজিটাইজেশন পাঠকদের জন্যে এক দারুণ উপহার। এমন সব বই এখানে পাওয়া যাবে যার কথা হয়তো আমরা পড়েছি, কিন্তু কোনোদিন খোঁজ পাইনি।’

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫