ঢাকা, শনিবার,২২ জুলাই ২০১৭

ফুটবল

পুরুষ দলে মহিলা কোচ

ক্রীড়া ডেস্ক

১৭ জুলাই ২০১৭,সোমবার, ২১:৪৬


প্রিন্ট

সারা দুনিয়ার ফুটবলেরই এক চিত্র। পুরুষ ফুটবল দলের কোচের দায়িত্ব পান কোনো পুরুষই। এমনকি মহিলা দলেরও হেড কোচের পদ দখলে থাকে পুরুষের দখলে। অথচ এবার তাতে ভিন্নতা আনলেন ঘানার মহিলা মাভিস আপিয়া। পশ্চিম আফ্রিকান দেশ ঘানার পেশাদার লিগের দ্বিতীয় বিভাগের দল ডিসি ইউনাইটেডের কোচ হয়েছেন তিনি। তা দুই সপ্তাহ আগে। এরই মধ্যে মাভিস আপিয়ার দল লিগে পর পর দুই ম্যাচ জিতেছে। যা প্রমাণ করছে এই মহিলাকে দায়িত্ব দিয়ে মোটেই ভুল করেননি ক্লাব কর্তৃপক্ষ। গত বছর ডিসি ইউনাইটেডের সহকারী কোচ হিসেবে নিয়োগ পান তিনি। ঘানার বোরঙ আহাফো অঞ্চলের সানইয়ানি ভিত্তিক ক্লাব ডিসি ইউনাইটেড। শারীরিক শিক্ষা কলেজের বিএসসি ডিগ্রি নেয়ার জন্য বাধ্যতামূলক বিষয় হলো ফুটবল কোচিং। তখনই কনফেডারেশন অব আফ্রিকান ফুটবল (সিএফএ) থেকে ‘সি’ লাইসেন্স কোর্স করেন মাভিস। তারপরও এই কোচের চাকরিটা পাওয়া মোটেই সহজ ছিল না তার মতো মহিলার জন্য।
নতুন এই পেশাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবেই নিয়েছেন তিনি। তার বক্তব্য, আপনারা দেখুন ঘানার সব পুরুষ দলেই পুরুষ কোচ। মহিল দলেও কোচের পদে পুরুষ। আমি চেয়েছি এই ধারায় পরিবর্তন আনতে। মনে রাখবেন নতুন কিছু করতে হলে সহজ পথে হাঁটতে হবে চ্যালেঞ্জিং পথে। ডিসি ইউনাইটেডের হেড কোচের পদ খালি হওয়া মাত্রই আমি আগ্রহী ওই পদের জন্য।
মাভিস আপিয়া ফুটবলার পরিবারেরই সন্তান। তার বাবা ছিলেন ঘানার প্রথম বিভাগের দলের কোচ। মাভিস নিজেও এক সময় ফুটবল খেলেছেন। এখন তার শিষ্যরা পুরুষ ফুটবলার। এতে কোনো সমস্যা হচ্ছে না মাভিসের, বরং ফুটবলাররা তার নির্দেশনা শোনেন একজন শিক্ষার্থীর মতো। তার মতে, ফুটবলাররা আমাকে একজন মহিলা হিসেবে বিবেচনা করে না, বরং আমি তাদের কাছে একজন শিক্ষক, একজন নেতা এবং একজন প্রেরণা দাতা। তাদের কাছে আমি একজন পিতা একজন মাতা এবং একজন অভিভাবক। আমি তাদের শুধু খেলোয়াড়ি জীবনেই নয়, বাস্তব জীবনেও পরিবর্তন আনতে চাই।
মাভিস আপিয়াই পুরুষ ফুটবলে একমাত্র মহিলা কোচ নন। এ বছর ফ্রেব্রুয়ারিতেই হংকংয়ের ক্লাব টিম ইস্টার্ন লং লায়ন্সের হেড কোচ হিসেবে চাকরি পান চেন ইয়াং তিং। তার কোচিংয়েই এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলে ইস্টার্ন লায়ন্স। ২০ বছর পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার সুযোগ পায় হংকংয়ের ক্লাবটি। গত আসরে তার প্রতিপক্ষ দল চীনের গুয়াংজু এভার গ্র্যান্ডের কোচ ছিলেন আবার ব্রাজিলের বিশ্বকাপ জয়ী দলের কোচ লুইস ফিলিপে সোলারি। সূত্র : ফিফা ডট কম।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫