ঢাকা, বৃহস্পতিবার,২১ সেপ্টেম্বর ২০১৭

উপমহাদেশ

এই চা-ওয়ালার পরিচয়টাই ভুল!

নয়া দিগন্ত অনলাইন

১৭ জুলাই ২০১৭,সোমবার, ১৯:০৪


প্রিন্ট

ইন্টারনেটের দুনিয়ায় এখন সবই সম্ভব। মাস কয়েক আগেই একটি ভাইরাল ছবির বদৌলতে রাতারাতি গোটা জীবনটাই বদলে গিয়েছিল পাকিস্তানি চা-ওয়ালা আরশাদ খানের। এবার ফের সামনে এল নতুন এক সত্য।


এই চা-ওয়ালা নেট দুনিয়ায় ঝড় তুলেছিলেন! ছবি— আরশাদের টুইটার

আরশাদ খানের কথা মনে আছে? নীল রঙের চোখ আর হাতে চায়ের পাত্র। ইন্টারনেটে একটি ছবির দৌলতে রাতারাতি খ্যাতির শিরোনামে পৌঁছে গিয়েছিলেন পাকিস্তানের এই চা-ওয়ালা। দিন আনা দিন খাওয়া থেকে এখন তিনি সেলিব্রিটি। ইতিমধ্যেই মডেলিং এবং বেশ কয়েকটি বিজ্ঞাপনেও তাকে দেখা গেছে। সম্প্রতি ফের খবরের শিরোনামে তিনি। কিন্তু কেন?
জানা গেছে, সেই সময় তিনি নিজেকে পাকিস্তানি বলে যে পরিচয় দিয়েছিলেন, তা নাকি ভুয়া। তিনি নাকি আদতে পাকিস্তানি নন। সম্প্রতি জাতীয় তথ্য নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষ(এনএডিআরএ), পাকিস্তানের একটি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে যে আরশাদের পাকিস্তানি হওয়ার কোনও বৈধ কাগজপত্র নেই। ওই সংস্থার তরফে এও জানানো হয়েছে যে, আরশাদ জাল কাগজপত্র দেখিয়ে পাকিস্তানের জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ার জন্য দরখাস্ত করেছিল। সম্প্রতি পাসপোর্টের জন্য আবেদনপত্র জমা দিয়েছিলেন আরশাদ। পাসপোর্টের জন্য নথিগুলো পরীক্ষা করতে গিয়েই বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আসে।

দিন আনা দিন খাওয়া থেকে এখন তিনি সেলিব্রিটি। ছবি— আরশাদের টুইটার
পাকিস্তানের ওই সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, আরশাদ আসলে আফগানিস্তানের কান্দাহারের বাসিন্দা। কোনোভাবে ভুয়ো নথি জোগাড় করে সীমান্ত পার হয়ে পাকিস্তানে এসেছিল আরশাদের পরিবার। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করে দিয়েছেন আরশাদ। তিনি জানিয়েছেন, ১৯৮৪ সালে সৌদি আরবে চলে যান তিনি। সেখানে ১৩ বছর থাকার পরে তিনি ফের পাকিস্তানে ফিরে আসেন। পাকিস্তানের মরদান থেকে খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে গিয়েছিল তার পরিবার। পরে ইসলামাবাদে যান তারা। যদিও এই দাবির পক্ষে কোনো বৈধ নথিপত্র দেখাতে পারেননি তিনি। এর আগেও আরশাদ সাক্ষাৎকারে দাবি করেছিলেন, তিনি নাকি বিগত ২৫ বছর ধরে ইসলামাবাদে বাস করছেন।
ইন্টারনেটের দুনিয়ায় এখন সবই সম্ভব। মাস কয়েক আগেই একটি ভাইরাল ছবির বদৌলতে রাতারাতি গোটা জীবনটাই বদলে যায় তার। এবার নতুন এক সত্য ফের সামনে আসায় পাক প্রশাসন এবং আরশাদ কী পদক্ষেপ নেন, সেটাই এখন দেখার।
সূত্র : ওয়েবসাইট

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫