ঢাকা, শনিবার,২২ জুলাই ২০১৭

বিবিধ

বারকোড

আহমেদ ইফতেখার

১৭ জুলাই ২০১৭,সোমবার, ১৮:০৪


প্রিন্ট

চট্টগ্রামের নাসিরাবাদের মঞ্জুরুল হকের হাত ধরে ঢাকায় যাত্রা শুরু করে বারকোড রেস্তোরাঁ। শুরুতে ২০ জন বসার মতো ব্যবস্থা ছিল। মাত্র চারটি খাবার পাওয়া যেত। এরপর ঢাকার গুলশান এক নম্বরে ২০১৬ সালের জুলাইতে নিউজিল্যান্ডের ব্র্যান্ড ‘নিউজিল্যান্ড ন্যাচারাল’ আইসক্রিমের ফ্র্যানচাইজ হিসেবে ঢাকায় শুরু করা এস এম শফিউল সালেহ, নাজ রহমান ও তাদের দুই সহকর্মী বারকোডের সাথে জুটি বেঁধে রেস্তোরাঁর শাখা নিয়ে আসেন ঢাকায়। অন্দরসজ্জা পুরোটাই কর্ণধার মঞ্জুরুল হকের নির্দেশনায়। ব্যবহার করা হয়েছে অতি সাধারণ আসবাবপত্র, তবে নজর কাড়বে দেয়ালে ঝোলানো উক্তি ও পেপার কাটিংগুলো।
গুলশান এক গোল চত্বর থেকে শুটিং ক্লাবের দিকে যেতে হাতের বামে ১৪২ নম্বর রোডে ঢুকে হাতের ডানেই পড়বে দোতলা রেস্তোরাঁটি। নিজস্ব ভবন হওয়ায় গাড়ি পার্কিংয়ের রয়েছে যথেষ্ট জায়গা। দুপুর ১২টা থেকে রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত খোলা থাকে। নিচতলায় নিউজিল্যান্ড ন্যাচারাল, দোতলায় বারকোড। তবে যেকোনো তলায় বসেই দুই রেস্তোরাঁর খাবার অর্ডার করতে পারবেন। নিচে বসতে পারে ২০ জন আর উপরে ১১০ জন। ওয়াইফাই আছে।

এস এম শফিউল সালেহ দাবি করেন, ‘খাবারের মধ্যে জনপ্রিয়তার তালিকায় আছে হানি চিকেন সালাদ (৩৪০ টাকা), মিন্ট লেমোনেইড (৯০ টাকা), চিকেন স্টেক (৩৪০ টাকা), ইংলিশ রোস্টেড (৩৪০ টাকা) ও বিবিকিউ ড্রামস্টিক (৩৪০ টাকা)। সামুদ্রিক খাবারের মধ্যে বেশি চলে রেড স্ন্যাপার ও লবস্টার। প্রতি ১০০ গ্রামের দাম যথাক্রমে ১৯৯ ও ৩৯০ টাকা। সব খাবারের দামে ভ্যাট যোগ করা আছে।

এই রেস্তোরাঁটি অফিস পাড়ায় হওয়ায় কর্মজীবী ক্রেতারাই বেশি আসেন। তবে ছাত্রছাত্রী ও পরিবার নিয়ে খেতে আসা ক্রেতার পরিমাণও কম নয়। দুপুর ১টা থেকে সাড়ে ৩টা এবং সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ভিড় হয়। তালিকায় থাকা বিভিন্ন ধরনের খাবার থাকায় সব বয়সের ক্রেতাকেই সন্তুষ্ট করতে সক্ষম বারকোড।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫