ঢাকা, বৃহস্পতিবার,২১ সেপ্টেম্বর ২০১৭

বাংলার দিগন্ত

সৈয়দপুরে আমন আবাদে ব্যস্ত কৃষক

জাকির হোসেন সৈয়দপুর (নীলফামারী)

১৭ জুলাই ২০১৭,সোমবার, ০০:০০ | আপডেট: ১৭ জুলাই ২০১৭,সোমবার, ০৬:৪৩


প্রিন্ট
সৈয়দপুরের কামারপুকুরে আমনের চারা রোপণ করছেন কৃষিশ্রমিকেরা : নয়া দিগন্ত

সৈয়দপুরের কামারপুকুরে আমনের চারা রোপণ করছেন কৃষিশ্রমিকেরা : নয়া দিগন্ত

বৃষ্টির পানিতে দোল খাওয়া জমিগুলো জেগে উঠেছে। সেই সাথে সৈয়দপুরের পাঁচ ইউনিয়নের কৃষকরা আমন আবাদে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। কেউ জমি চাষাবাদ, কেউবা চারা রোপন আবার কেউ আগে লাগানো চারাগুলো আবার নতুন করে রোপণ করছেন। 
সৈয়দপুর উপজেলা কৃষি বিভাগ জানায়, চলতি বছরে উপজেলার কামারপুকুর, কাশিরাম বেলপুকুর, খাতামধুপুর, বাঙালিপুর ও বোতলাগাড়ি ইউনিয়নে মোট আট হাজার ২০০ হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে হাইব্রিড জাতের ৮৬০ হেক্টর, উচ্চফলনশীল (উফসি) জাতের সাত হাজার ২৭৫ হেক্টর ও স্থানীয় জাতের আমন ৬৫ হেক্টর জমিতে আবাদ করা হবে। আর আমনের বীজতলা তৈরি করা হয়েছে ৭৫ হেক্টর জমিতে। যা গেল বছরের তুলনায় অনেক বেশি।
উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নের বকশাপাড়ার কৃষক তোফাজ্জল হোসেন জানান, একের পর এক ফসল উৎপাদন করে দামে মার খাওয়ায় উৎসাহ ও পুঁজি দু’টোই হারিয়েছেন। তিনি বলেন, যেহেতু আমন বছরের আবাদ তাই প্রায় পাঁচ বিঘা জমিতে আবাদ করছেন। 
উপজেলার বাঙালিপুর ইউনিয়নের লক্ষণপুর চড়কপাড়ার কৃষক জুলফিকার আলী বলেন, ‘হামরা কৃষক মানুষ। আবাদ করি খাবার নাগে। কি করা যায় আর। বোরোতে সব গেল। কপালোত যা ছিল, হইছে। তার জন্য কী আর আবাদ থামি থাকিবে ব্যাহে।’
১২ জনের কৃষিশ্রমিক দলের দলনেতা আইনুল জানান, বর্ষার ভরা মওসুমে চারদিকে বৃষ্টির পানিতে আমন লাগানো শ্রমিকদের চাহিদা বেড়েছে। কে আগে কাজ করে নিতে পারেন তার প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। প্রতি বিঘা জমিতে আমন চারা তোলা ও রোপণে দুই হাজার ৩০০ টাকা থেকে শুরু করে দুই হাজার ৫০০ টাকা করে নেয়া হচ্ছে। 
সৈয়দপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ হোমায়রা ম ল জানান, আমন আবাদে কৃষি বিভাগ সুষম সার প্রয়োগ, চারা তৈরি ও রোপণে কৃষকদের করণীয় সম্পর্কে জানাতে লিফলেট বিতরণ করছে। এই মুহূর্তে আমন ধানের বাজার বেশ চড়া। আগাম আবাদ করায় ক্ষতি থেকে রক্ষা, উৎপাদন ও দাম ভালো পাবেন বলে তারা মনে করছেন। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে কৃষি বিভাগের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা নিরলসভাবে কাজ করছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। বন্যা বা আপদকালীন সময়ে যাতে আমনের চারা সঙ্কট না হয় সে জন্য বীজতলা তৈরি করে রাখার জন্য কৃষকদেরকে পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
 

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫