ঢাকা, সোমবার,২১ আগস্ট ২০১৭

তুরস্ক

পশ্চিমা বিশ্বের বিরুদ্ধে 'ভণ্ডামি'র অভিযোগ আনলেন এরদোগান

নয়া দিগন্ত অনলাইন

১৫ জুলাই ২০১৭,শনিবার, ১৯:৫৩


প্রিন্ট
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগান

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগান

তুরস্কের ব্যর্থ অভ্যুত্থানের এক বছর পূর্তির দিনে দেশটির প্রেসিডেন্ট রজব তায়েপ এরদোগান পশ্চিমা দেশগুলোর বিরুদ্ধে 'ভণ্ডামি'র অভিযোগ এনে বলেছেন, তারা সেদিন অভ্যুত্থানের ফল কী হয় তা দেখার জন্য অপেক্ষা করছিল।
সংবাদপত্রে প্রকাশিত এক নিবন্ধে এরদোগান বলেন, পশ্চিমা দেশগুলোর জন্য কোনোভাবেই এটাকে ঢেকে রাখার উপায় নেই যে সেদিন তারা তুরস্কের সাথে তাদের বন্ধুত্বকে প্রতারণা করে 'অভ্যুত্থানের ফল কী হয়' এটা দেখার জন্য বসে ছিল।
এরদোগান ওই অভ্যুত্থানের পর তুরস্কে গণগ্রেফতার এবং শুদ্ধ অভিযান চালানোর অভিযোগ অস্বীকার করেন।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী তুরস্কে ব্যর্থ অভ্যুত্থানের পর গ্রেফতার করা হয় ৫০ হাজার লোককে। গ্রেফতার হন অন্তত ১৩০ জন সাংবাদিক।
সামরিক বাহিনী থেকে চাকরিচ্যুত করা হয় ৭ হাজার জনকে। এ ছাড়াও চাকরি হারান ১ লাখ ৪০ হাজার শিক্ষাবিদ এবং সরকারি কর্মকর্তা।
২০১৬ সালের এই দিনে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তায়েপ এরদোগানকে ক্ষমতাচ্যুত করার একটি অভ্যুত্থানের চেষ্টা ব্যর্থ হয়। সেনাবাহিনীর একটি অংশ বড় শহরগুলোর রাস্তায় অস্ত্র এবং ট্যাংকসহ নেমে পড়ে এবং পার্লামেন্টসহ বিভিন্ন সরকারি ভবনে হামলা চালাতে থাকে।
অভ্যুত্থানের পেছনে ফেতুল্লাহ গুলেন ছিলেন এ অভিযোগ উঠলেও গুলেন তা অস্বীকার করেন
তুরস্কের ওই অভ্যুত্থানে নিহত হয় কমপক্ষে ২৬০ জন , আহত হয় ২ হাজার ১৯৬ জন।
অনেক বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যুর পরও জনগণের প্রতিরোধের মুখে সেই অভ্যুত্থান ব্যর্থ হয়।
এরদোগান বলেন, ওই অভ্যুত্থান ব্যর্থ হওয়াটা ছিল গণতন্ত্রের ইতিহাসে মোড়বদলকারী ঘটনা।
সেই রাতের পর প্রেসিডেন্ট এরদোগানের জনপ্রিয়তা আরো অনেক বৃদ্ধি পায়।
কিন্তু অভ্যুত্থানের পর ব্যাপকহারে ধরপাকড় নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দেয় এবং এ নিয়ে সমালোচনা এখনো চলছে।
তুরস্কে এর আগে চারটি অভ্যুত্থান হয়েছে, প্রথমটি ১৯৬০ সালে, এর পর ১৯৭১, ১৯৮০ ও ১৯৯৭ সালে আরো তিনটি অভ্যুত্থান হয়।
সূত্র : বিবিসি

 

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫