ঢাকা, শনিবার,১৯ আগস্ট ২০১৭

সংসদ

প্লট পাচ্ছেন দশম জাতীয় সংসদের সদস্যরা

সংসদ প্রতিবেদক

১৩ জুলাই ২০১৭,বৃহস্পতিবার, ২২:১৬


প্রিন্ট

রাজউকের কোনো প্রকল্পে প্লট না পাওয়া চলতি সংসদের সদস্যদের প্লট বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন।

তিনি বলেছেন, দশম সংসদের যেসব সদস্য সরকারি প্লট পাননি, তাদের প্লট দেয়ার চিন্তা-ভাবনা চলছে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে আলোচনা হয়েছে। শিগগিরই কয়েকটি জায়গা এজন্য অধিগ্রহণ করা হবে। সেখানে সংসদ সদস্যদের প্লট বরাদ্দ দেয়া হবে।

আজ বৃহস্পতিবার সংসদের প্রশ্নোত্তরে জাতীয় পার্টির কাজী ফিরোজ রশীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য জানান।

এর আগে বিভিন্ন সময় প্রশ্নোত্তর বা সংসদের অন্য কোনো বিধিতে আলোচনার সময় বিরোধী দলের সদস্যরা প্লট না পাওয়া সদস্যদের রাজউকের প্লট বরাদ্দ দেয়ার দাবি জানিয়ে এসেছেন। সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদ ও জাপা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদও প্লট না পাওয়া সদস্যদের রাজউকের প্লট বরাদ্দের দাবি জানিয়ে আসছিলেন।
এসব দাবির পরিপ্রেক্ষিতে গৃহায়ণমন্ত্রী বরাবরই প্লট না দেয়ার কথা জানিয়েছিলেন।

তিনি বলেছিলেন, সরকার রাজউকে আর প্লট না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্লটের পরিবর্তে ফ্ল্যাট দেয়া হবে। তবে, বৃহস্পতিবার তিনি নতুন করে এমপিদের জন্য প্লট বরাদ্দ দেয়ার কথা জানালেন।

সরকারি দলের আ ফ ম বাহাউদ্দীনের প্রশ্নের জবাবে মোশাররফ হোসেন বলেন, ২০১৫ সালে একাধিকবার ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে সম্ভাব্য ক্ষতি এড়ানোর লক্ষ্যে এবং বিল্ডিং কোড মেনে ইমারত নির্মাণের জন্য রাজউকের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে জনসচেতনতামূলক বিজ্ঞাপন প্রচার করা হয়। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ মহানগরের বিভিন্ন এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত করে একটি প্রাথমিক তালিকা করেছে। অপসারণের জন্য কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে চিঠি দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া গত বছরের ১৩ এপ্রিল ভূমিকম্পের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনসমূহের তালিকা যাচাই বাছাই করার জন্য একটি বিশেষজ্ঞ কমিটির মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত করে আইনি প্রক্রিয়ায় অপসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বেদখলে ২৭৮টি সরকারি বাড়ি : গণপূর্তমন্ত্রী
সরকারি মালিকানাধীন ২৭৮টি বাড়ি বেদখল হয়েছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী মোশাররফ হোসেন।

তিনি বলেন, ‘বর্তমানে সরকারি আবাসন পরিদফতর ও পরিত্যক্ত সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা বোর্ডের অধীনে থাকা ২৭৮টি বাড়ি বেদখলে আছে।’

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে সরকারি দলের সদস্য সামশুল হক চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

গণপূর্তমন্ত্রী বলেন, ‘এসব বাড়ির বসবাসকারীরা বিভিন্ন আদালতে মামালা দায়ের করে অবৈধভাবে দখলে রেখেছেন। বিভিন্ন সময় উচ্ছেদ কার্যক্রম গ্রহণ করেও আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে উচ্ছেদ করা সম্ভব হয়নি।’

সরকারি দলের আ ফ ম বাহাউদ্দীনের প্রশ্নের জবাবে গণপূর্তমন্ত্রী বলেন, ‘২০১৫ সালে একাধিকবার ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে সম্ভাব্য ক্ষতি এড়ানোর জন্য বিল্ডিং কোড মেনে ইমারত নির্মাণের জন্য রাজউক গণমাধ্যমে জনসচেতনতামূলক বিজ্ঞাপন প্রচার করা হয়। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ মহানগরের বিভিন্ন এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত করে একটি প্রাথমিক তালিকা করেছে। অপসারণের জন্য কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশেনকে চিঠি দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া গত বছরের ১৩ এপ্রিল ভূমিকম্পের ফলে ক্ষতিগ্রস্থ ভবনগুলোর তালিকা যাচাই-বাছাই করার জন্য একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি করে ঝূঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত করে আইনি কার্যক্রম গ্রহণ করে অপসারণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।’

সিলেট সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় সিলেট মহানগরির চরম ঝূঁকিপূর্ণ সরকারি বেসরকারি ৩৩টি ভবন চিহ্নিত করা হয়েছে বলেও গণপূর্তমন্ত্রী জানান।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫