ঢাকা, শনিবার,২২ জুলাই ২০১৭

ধর্ম-দর্শন

উম্মাহর ঐক্যের ভিত্তি

ডা: মোহাম্মদ আবুল কালাম আবদুল্লাহ

১৩ জুলাই ২০১৭,বৃহস্পতিবার, ১৫:১১


প্রিন্ট

মুসলমান বিশ্বে আজ অশান্তির আগুন জ¦লছে। এমন কোনো একটি মুসলমান দেশ নেই, যেখানে দ্বীন-ধর্ম নিয়ে শান্তিতে আছে আজকের মুসলমানরা। এর প্রধান কারণ, মুসলমানরা আজ কার্যত বাস্তব জীবনে কুরআন এবং সুন্নাহ থেকে অজুত-নিযুত মাইল দূরে। সত্যি কথা বলতে কি, মুসলমানদের বাস্তব জীবন থেকে আজ কুরআন-সুন্নাহ একেবারেই নির্বাসিত। যে কুরআন এসেছিল দুনিয়ার মানুকে শান্তির পথ দেখাতে, শান্তির জীবন যাপনে সংবিধান হিসেবে কার্যকর ভূমিকা রাখতে, সে কুরআন আজ মহাশ্রদ্ধার, মহাপবিত্র তাকিয়ার বস্তু। এ কুরআনের চর্চা আজ বাস্তব জীবন পরিচালনার ক্ষেত্রে নেই। বর্তমান যুগের মুসলমানেরা এ কুরআনকে আজ মহাভক্তিভরে শ্রদ্ধার সাথে তিলাওয়াত করে। সুন্দর গিলাফে জড়িয়ে মহাপবিত্র জিনিস মহাভক্তিসহকারে তাকিয়ায় রেখে দেয়। এ তিলাওয়াতের উদ্দেশ্য কিন্তু এ থেকে জ্ঞান নিয়ে জীবন পরিচালনা করা নয়, বরং তিলাওয়াতের সওয়াব নিয়ে সহজ রাস্তায় বেহেশতে গমন। অতিসহজে, সঙ্কীর্ণ রাস্তায় বেহেশতে যাওয়ার রাস্তা খুঁজতে ব্যস্ত আজকের মুসলমান। আর এ কারণে দেখা যায়, মুসলমানেরা কুরআন নাজিলের উদ্দেশ্য থেকে কোটি কোটি মাইল দূরে। পিতা আদম আ: আর মা হওয়া আ:-কে দুনিয়ায় পঠানোর সময় প্রভু আল্লাহর ঘোষণা ছিল এমন- ‘ আমার পক্ষ থেকে যুগে যুগে জীবন বিধান পাঠানো হবে সে জীবন বিধান অনুযায়ী দুনিয়ার জীবন পরিচালনা করলে আবার এ বেহেশতে ফিরে আসতে পারবে’।
পিতা আদম আ: থেকে বহু নবী-রাসূল সা: দুনিয়ায় এসেছেন। অনেকের কাছেই আল্লাহ তাঁর প্রতিশ্রুতি মোতাবেক জীবন বিধান ঐশি কিতাব নাজিল করেছেন। এ সবই ছিল বিশেষ কোনো কওম বা জাতির জন্য। সে জীবন বিধানের সর্বশেষ সংস্করণ আল কুরআন। এ কুরআন কোনো বিশেষ কওম বা জাতির জন্য নয়, বরং সমগ্র দুনিয়াবাসীর জন্য। লক্ষ্যণীয় বিষয়, প্রভু আল্লাহ তার দেয়া ঐশি কিতাবকে জীবন বিধান হিসেবে আখ্যায়িত করে তা দুনিয়ার জীবনে মেনে চললে তবে আবার বেহেশতে ফিরে যাওয়ার জন্য আশাবাদী করেছেন। তার বিধি-বিধান থেকে বাস্তব জীবন বিচ্ছিন্ন রেখে শুধু শুধু তিলাওয়াত করে মাত্র সওয়াব দিয়ে বেহেশতে ফিরে যাওয়া যাবে এমন আশাবাদ কিন্তু প্রভু আল্লাহ দেননি। দুর্ভাগ্য মুসলমান জাতির- তারা ভুল করে তিলাওয়াতের সওয়াব নিয়েই আজ বেহেশতে যাওয়ার আশাবাদী। হাদিস গ্রন্থ থেকে জ্ঞান নিয়ে সে অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করে নয়, ওয়াজ পার্বণের মাধ্যমে সওয়াব কামাই করে, সওয়াব বিতরণ করে তার দ্বারাই আজ মুসলমান বেহেশতবাসী হতে আশাবাদী। অথচ এসব মুসলমানের জীবন চলে আজ কুরআনি জীবন ব্যবস্থা বাদ দিয়ে ইহুদি, নাসারা ক্ষেত্র বিশেষ নাস্তিকদের দেয়া জীবন দর্শনমোতাবেক। বলতে দ্বিধা নেই, এ জন্যই আজ দেশে দেশে মুসলমানদের জীবনে অশান্তির আগুন। হয়তো কুরআন আর সুন্নাহবর্জিত জীবন নিয়ে দুনিয়ায় এমনি অশান্তির আগুনে জ¦লতে জ¦লতে কাল কিয়ামতেও জাহান্নামের ইন্ধন হতে চলেছি আমরা। মুসলমানের এ অবস্থা এক দিনে হয়নি। যুগ যুগ ধরে। মুসলমানরা যখন ত্যাগী জীবন ছেড়ে ভোগবাদী জীবনে ডুব দিলো, তখন থেকেই মুসলমানের জীবনে এ দুর্দশা নেমে আসতে লাগল। এ মুসলমানরা এককালে অর্ধ দুনিয়া শাসন করত। সেসময় তাদের বক্ষে ছিল কুরআন, হস্তে হাদিস আর চক্ষে মুহাম্মদ সা:। সে মুসলমানের বক্ষে আজ ইহুদিবাদ, হস্তে নাসারাবাদ আর চক্ষে ভোগবাদের নেশা। কাজেই শয়তান সহজেই কাবু করে ফেলল এমন কথিত মুসলমানদের। ১৮৮২ সালে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের মন্ত্রী গ্লডস্টোন ঘোষণা দিলেন- ‘মুসলমানের দেশে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য নির্বিঘ্ন করতে হলে দু’টি কাজ করতে হবে আমাদের- এক, মুসলমানদের কুরআন থেকে দূরে সরিয়ে নিতে হবে। দুই, মুসলমানদের মনে কুরআন সম্পর্কে ঘৃণার সৃষ্টি করতে হবে’। দুর্ভাগ্য মুসলমান জাতির। গ্লডস্টোনরা দু’টিই পেরেছে।
আজ মুসলমানের জীবন কুরআনবিচ্ছিন্ন। মুসলমানের সন্তানরা আজ ক্ষেত্রবিশেষ কুরআনকে ঘৃণা করছে। তাই তো সত্যিকার কুরআনপন্থী মুসলমানরা আজ তাদের কাছে কোথাও মৌলবাদী, কোথাও সন্ত্রাসবাদী কোথাও জঙ্গি। অথচ সত্যিকার মুসলমানের সাথে এর একটিরও দূরতমও সম্পর্ক নেই। সবই কুখ্যাত গ্লডস্টোন আর তাদের যোগ্য উত্তরসুরীদের রচিত, সৃষ্ট, প্রযোজিত ও মঞ্চায়িত নাটক। যে নবীজি সা: যুদ্ধ-বিগ্রহ থেকে উদ্ধার করে দেশকে, দেশবাসীকে শান্তিতে রাখতে মাত্র ১৪ বছর বয়সে শান্তি সঙ্ঘ ‘হিলফুল ফুজুল’ গঠন করেছেন, সে নবী সা:-এর উম্মত হবে শান্তি বিনষ্টকারী সন্ত্রাসী আর জঙ্গি। উঁহু, অসম্ভব। তবে সবই এখন হয়। আগেই বলেছি, সব কিছুই মুসলমানদের চিরশত্রু ইহুদি-নাসাদের সৃষ্ঠ নাটকীয় কারসাজি। লক্ষ্য মুসলমানকে দৌঁড়ের উপর রেখে দুনিয়াময় তাদের স্বার্থের ঝোলা পূর্ণ করে চলা। তারা এ কাজটাকে সহজ-সাবলিল করতে মুসলিম দুনিয়ায় তাদের কিছু অনুগত কীট সৃষ্টি করে রেখেছে। যে কীটগুলোকে ওরা মুসলমান দেশে জনগণবিচ্ছিন্ন অবস্থায় ক্ষমতার মসনদে টিকিয়ে রেখে তাদের দিয়ে তাদের রচিত, প্রযোজিত নাটকগুলোর সফল মঞ্চায়ন করে চলেছে। জনগণবিচ্ছিন্ন অবস্থায় ক্ষমতায় রাখার উদ্দেশ্য জনগণের ভয় দেখিয়ে তারা তাদের পক্ষ নেয়, শক্তি জোগায়, মদদ দেয়। আর মুসলিম দেশে মুসলমানদেরই বিরুদ্ধে তাদের কাজে লাগায়।
দুনিয়ার পশ্চিমা গোষ্ঠী বিশেষ করে আজকের দুনিয়ার কথিত মোড়ল আমেরিকার কাজটি এমন। বিশ^ ব্যবস্থাপনার মোড়লিপনা এক সময়কার ব্রিটিশদের হাত থেকে দ্বিতীয় বিশ^যুদ্ধের পর আমেরিকার কাছে যাওয়ার পর থেকেই মুসলিম দুনিয়ার অবস্থা এরকম। তুর্কি খেলাফত নামকাওয়াস্তে ও যতদিন ছিল মুসলিম বিশ্বের একটা আদর্শিক ঐক্য ছিল সে খেলাফতকেন্দ্রিক। প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ^যুদ্ধের পরে মুসলমান সাম্রাজ্যকে ভেঙে খান খান করে দিয়ে পশ্চিমা গোষ্ঠী ও অঞ্চলে কিছু ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রাষ্ট্রের পত্তন ঘটায়। প্রত্যেকটি রাষ্ট্রে মুসলমান নামের এক একটা পুতুল বসিয়ে দিয়ে তাদের দিয়ে পশ্চিমা বিশ্ব বিশেষ করে আমেরিকা তাদের স্বার্থ হাসিল করে নিচ্ছে। আমেরিকার সে স্বার্থ সিদ্ধির জন্য ওখানে সে যখন যেটা দরকার হয় করে। তাদের এ কর্মসূচিতে দেখা যায়, তারা ওখানে তাদের প্রয়োজনে শয়তানকে মুহূর্তের মধ্যে ফেরেশতা বানায়, ফেরেশতাকে শয়তান বানায়। নায়ককে মুহূর্তের মধ্যে খলনায়কে পরিণত করে, আবার খলনায়ককে মহানায়ক। এমনি অবস্থা করে তারা সেখানে সব সময় একটা যুদ্ধংদেহী অবস্থা সৃষ্টি করে রাখে। এদিকে ব্রিটিশ আমেরিকার যৌথ জারজ সন্তান ইস্রাইল নামক এক বিষফোঁড়া সৃষ্টি করে তাকে কেন্দ্র করেও মুসলিম বিশ^কে সদা তটস্থ করে রেখেছে বিশ^ শয়তান আমেরিকা। ইস্রাইল কর্তৃক নিত্য মুসলমান ভূমি দখল করিয়ে নিচ্ছে কুখ্যাতরা। বিনিময় মুসলমানরা তা রক্ষার জন্য চেষ্টা করলে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ আখ্যা দিয়ে তাকে দমিয়ে রাখতে সদা তৎপর খ্রিস্টান ইহুদি গোষ্ঠী। এ কাজটিকে সহজ করার জন্য মুসলিম বিশ^কে আজ কার্যত শতধাবিভক্ত করে রেখেছে আমেরিকা তথা ইহুদি-খ্রিস্টানচক্র। এক মুসলমানকে আরব, অনারব, হাউসি, ইয়েমেনি, জর্ডানি, কুয়েতি, ইরাকি, তুর্কি, কুর্দি, সিরিয়ান, লেবাননি, মিসরি ও ফিলিস্তিনি ইত্যাদি কুখ্যাত জাতিয়তাবাদী নামে আখ্যা দিয়ে কার্যত মুসলমানদের দুর্বল করে রাখছে তারা। এ ছাড়া মুসলমানদের মধ্যে আদিকাল থেকে ষড়যন্ত্রকারী ইহুদি আবদুল্লাহ আল সাবাহ সৃষ্ট শিয়া-সুন্নি মতবাদ, আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত, আহলে হাদিস, বাহাই, ইসমাইলিয়া ইত্যাদি অমৌলিক বিষয় নিয়ে সৃষ্ট মতবাদকে ইন্ধন দিয়ে মুসলমানদের মধ্যে সর্বদা আভ্যন্তরীণ কোন্দল বাধিয়ে রাখছে ইহুদি-খ্রিস্টানচক্র, বিশেষ করে আজকের আমেরিকা। আগেই বলেছি, এ কাজটাকে সফল বাস্তবায়ন করছে মুসলমান নামধারী তাদের পদলেহি কিছু কীটের মাধ্যমে। তারা মুসলমানদের দেশে জেঁকে বসা কোথাও শেখ, কোথাও সাবা, কোথাও বাদশাহ, আর কোথাও রাজা নামে, কোথাও রাষ্ট্রনায়ক। মুসলমানদের এ দুরবস্থা থেকে আজ বেরিয়ে আসতে হবে। বেরিয়ে আসার একটাই উপায়- কুরআন আর সুন্নাহর ভিত্তিতে মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া। শিয়া-সুন্নি মতবাদ ভুলে আহলে হাদিস আর আহলে সুন্নত ফেরকা বাদ দিয়ে, ইসমাইলিয়া আর বাহাই মতভেদকে তুচ্ছ করে মুসলমানদের আজ এক কুরআনিক মুসলমান হতে হবে। এক নেতা নবী মুহাম্মদ সা:-এর অনুসারী সত্যিকার উম্মত হতে হবে। এসব মুসলমানরা জীবনে মানবে কুরআনের এমন বাণী- ‘ওয়া তাছিমু বিহাবলিল্লাহ জামিয়াও ওয়ালা তাফাররাকু- তোমরা আল্লাহর রজ্জুকে শক্ত করে আঁকড়ে ধরো। পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না।’ এসব মুসলমানরা মানবে এমন হাদিসের বাণী যেখানে বলা হয়েছে ‘যারা আল্লাহর দেয়া জীবনব্যবস্থা রেখে অন্য কোনো পথ-মতের দিকে মানুষকে আহ্বান জানায়, তারা অবশ্যই জাহান্নামে যাবে, যদিও তারা নামাজ পড়–ক, রোজা রাখুক এবং নিজেদের মুসলমান বলে দাবি করুক না কেন’। এ মুসলমানের বাস্তব জীবনে প্রতিষ্ঠিত, প্রতিফলিত হবে এমন কুরআনিক দর্শন যেখানে বলা হয়েছে ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা আহলি কিতাবদের ( ইহুদি-খ্রিস্টান) একটি দলেরও আনুগত্য করো না। করলে তারা তোমাদের পুনরায় কাফের বানিয়ে ফেলবে’। এসব কুরআনিক মুসলমান, নবী সা:-এর উম্মতরা মানবে কুরআনের এমন বাণী যেখানে বলা হয়েছে- ‘আর যদি মুমিনদের দু’টি দল পরস্পর যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে পড়ে, তবে তোমরা তাদের মধ্যে সন্ধি স্থাপন করে দেবে। অতঃপর যদি একদল অন্যদলের উপর বাড়াবাড়ি করে, তবে তোমরা তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে যে পর্যন্ত না তারা আল্লাহর হুকুমের দিকে ফিরে আসে। যদি তারা ফিরে আসে, তবে তোমরা উভয় দলের মধ্যে ন্যায়ের সাথে সন্ধি করে দেবে এবং ইনসাফ কায়েম করবে। নিশ্চয়ই আল্লাহ ইনসাফ কায়েমকারীদের ভালোবাসেন’। কুরআনিক মুসলমান, নবী মুহাম্মদ সা:-এর উম্মতদের জীবন-দর্শন হবে এমন বাণীভিত্তিক যেখানে বলা হয়েছে- ‘তোমাদের মধ্যে কোনো বিষয় নিয়ে মতানৈক্য দেখা দিলে আল্লাহ এবং রাসূলের কাছে ফিরিয়ে দাও। তার মানে সে বিষয়ে কুরআন এবং সুন্নাহ যে ফয়সালা দেয় তাকে তোমরা অবনত শিরে বিনা বাক্যব্যয়ে মেনে নাও।’
দুনিয়ায় আজ এমন মুসলমান দরকার। তাহলেই মুসলমান বিশে^ শান্তি আসবে। আর সে মুসলমনারাই আশা কর যায়, আল্লাহর ঘোষিত বেহেশতে ফিরে যেতে পারবে দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী জীবন শেষে। যেটাই আল্লাহ আদি পিতা আদম আ:-কে বলে দিয়েছেন, তাকে দুনিয়ায় পাঠানোর সময়। আর হতভাগা মুসলমানরা যতদিন গ্লডস্টোন আর তার যোগ্য উত্তরসুরী ট্রাম্প, থেরেসা মে, পুতিনদের মুরিদ হয়ে তাদের কথা মতো নাচবে, গাইবে, খাইবে, পিংপং করবে আর নিজেদের মধ্যকার মতবিরোধের ফয়সালার জন্য কুরআনিক ফয়সালা রেখে সালিস ফয়সালার দ্বারস্থ হবে তাদের কাছে ততদিন কথিত সে মুসলমানের ইহজীবনে বিরাজ করবে চরম দুর্দশা, যেমনটা আজ করছে আর নিঃসন্দেহে বলা যায়, ইহকালে অশান্তির আগুনে জ¦লতে জ¦লতে পরকালীন জীবনেও চিরস্থায়ী জাহান্নামের আগুনের ইন্ধন হতে হবে তাদের দুনিয়ার জীবনে আল্লাহর দেয়া জীবন দর্শনের অবাধ্য হওয়ার কারণে, নবী সা:-এর পথ থেকে ডিলেইড হওয়ার দায়ে।
লেখক : বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও প্রাবন্ধিক

 

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫