ঢাকা, শনিবার,১৯ আগস্ট ২০১৭

সংসদ

ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর ১০ মিটার পর্যন্ত নিচে নেমে গেছে সংসদে মন্ত্রী

সংসদ প্রতিবেদক

১১ জুলাই ২০১৭,মঙ্গলবার, ১৮:৫২ | আপডেট: ১১ জুলাই ২০১৭,মঙ্গলবার, ১৯:০২


প্রিন্ট

ভূ-গর্ভস্থ পানির উপর অধিকহারে নির্ভরশীলতার কারণে ইতোমধ্যে ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর ৩ মিটার থেকে ১০ মিটার পর্যন্ত নিচে নেমে গেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য মোঃ আব্দুল মতিনের (মৌলভীবাজার-২) এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। এরআগে বিকেল ৫টা ১৮ মিনিটে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনের দিনের কার্যক্রম শুরু হয়।
খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, সুপেয় পানি ও কৃষি কাজে ভূ-গর্ভস্থ পানির উপর অধিকহারে নির্ভরশীলতার কারণে ইতোমধ্যে ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর ৩ মিটার থেকে ১০ মিটার পর্যন্ত নিচে নেমে গেছে। এরফলে শুস্ক মৌসুমে নলকূপে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পাওয়া যায় না। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য সরকার ৩৭৫কোটি টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে। এ প্রকল্পের আওতায় সারাদেশে ৮০৯টি পুকুর পুনঃখনন করা হবে। এছাড়া পল্লী অঞ্চলে পানি সরবারাহ প্রকল্পের আওতায় ১৪৩টি পুকুর পুনঃখনন ও ২০০টি পুকুর নতুনভাবে খনন করা হবে। তিনি বলেন, এ সকল পুকুর পুনঃখনন করে পানি পন্ড স্যান্ড ফিল্টার পদ্ধতিতে সরবরাহের মাধ্যমে সকল জেলায় ভূ-গর্ভস্থ পানির উপর নির্র্ভশীলতা কমিয়ে ভূ-উপস্থ সুপেয় পানির ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে।
বর্তমানে বাংলাদেশে ৮৭ ভাগ জনগণ বিশুদ্ধ পানির সুবিধা আওতাভুক্ত জানিয়ে মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, বাকি ১৩ ভাগ জনগণ দূরবর্তী অনান্য নিরাপদ পানির উৎস থেকে খাবার পানি সংগ্রহ করে থাকে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার সকলের জন্য সুপেয় পানি ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ। এ লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। এরমধ্যে প্রায় ১৬০০ কোটি টাকা ব্যয়ে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর দেশের প্রত্যন্ত এলাকায় চারটি গ্রামীন পানি সরবরাহ প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। এ প্রকলগুলোর আওতায় প্রায় ১ লাখ পানির উৎস স্থাপন করা হবে।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫