ঢাকা, বুধবার,২৩ আগস্ট ২০১৭

গৃহস্থালি

বর্ষাকালে শিশুর যত্ন

নিপা আহমেদ

১০ জুলাই ২০১৭,সোমবার, ১৪:৫৭


প্রিন্ট

বর্ষাকালের বৃষ্টি, কাদা, স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়া সহজেই অসুখ-বিসুখ ছড়ায়। বিশেষ এ সময় শিশুদের মধ্যে অসুস্থ হওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায়। তবে একটু সতর্কতা এই বর্ষাকালেও শিশুকে রাখতে পারে সুস্থ।
বর্ষাকালে বাড়িঘর সহজেই স্যাঁতস্যাঁতে হয়ে পড়ে। সেই সাথে বৃষ্টির পানি, কাদা প্রভৃতির প্রভাবে জ্বর, ডায়রিয়া, ম্যালেরিয়া ডেঙ্গু ইত্যাদি রোদের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যায়। এবার চিকুনগুনিয়ার ব্যাপক প্রাদুর্ভাবে বড়দের সাথে সাথে শিশুরাও আক্রান্ত হচ্ছে। শিশুদের ইমিউন সিস্টেম পুরোপুরি ডেভেলপ করে না বলে তারা সহজেই এসব অসুখে আক্রান্ত হতে পারে। তাই বাড়িঘর পরিষ্কার ও শুকনো রাখা জরুরি। বাড়ির আশপাশের গাছপালা বা ঝোপঝাড় পরিচ্ছন্ন রাখুন। শিশুদের ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টাঙিয়ে দেবেন। স্কুলগামী শিশুরা যদি বৃষ্টির পানিতে হাঁটাহাঁটি করে তাহলে সাথে সাথে তাদের সাবান ও স্যাভলন পানি দিয়ে পা ধুয়ে দেবেন। নাহলে এর থেকে নানা ধরনের স্কিন ইনফেকশন হতে পারে। আপনার সন্তান যেন খালি পায়ে না থাকে সে দিকে নজর রাখুন।
শিশুদের প্রতিদিন কুসুম গরম পানি দিয়ে গোসল করান। বাইরে থেকে খেলাধুলা করে আসার পর মনে করে শিশুর হাত পা অবশ্যই ধুয়ে দেবেন। বর্ষাকালে পানিবাহিত রোগের প্রার্দুভাব বেড়ে যায়। তাই পানির ব্যবহারে খুব সতর্ক হতে হবে। খাওয়ার পানি ছাড়াও ফল, সবজি ও রান্নায় বিশুদ্ধ পানি ব্যবহার করুন।
খাবার সব সময় ঢেকে রাখুন যেন মাছি বা অন্য কোনো পোকামাকড় না বসতে পারে। শিশুকে খাওয়ানোর আগে হাত ভালো করে সাবান দিয়ে ধুয়ে নিন। অন্য অসুস্থ ব্যক্তিদের কাছ থেকে শিশুকে দূরে রাখুন।
বর্ষার সময় হলেও শিশুদের সুতির জামা পরান। বৃষ্টিতে ভিজে গেলে সাথে সাথে তোয়ালে দিয়ে মুছিয়ে, শুকনো জামাকাপড় পরিয়ে দিন। যারা স্কুলে যায় তাদের সাথে অবশ্যই রেইনকোট দেবেন। এ সময় শিশুদের রাবারের জুতো পরাতে পারলে ভালো হয়।
শিশুকে রাস্তার কাটা ফল, জুস বা খোলা খাবার খেতে দেবেন না। এতে অসুস্থ হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। শিশুকে বাসি খাবার খেতে দেবেন না।
বাড়িতে যাতে কোনোভাবে পোকামাকড়ের উপদ্রব না হয় সেদিকে লক্ষ রাখুন।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫