ঢাকা, শুক্রবার,১৮ আগস্ট ২০১৭

গল্প

হট নিউজ

জীম হামযাহ

২৯ জুন ২০১৭,বৃহস্পতিবার, ১৪:৩৮


প্রিন্ট

মেয়েটি ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছে। যেন সে প্রচণ্ড আঘাতে জর্জরিত। কথা বলতে পারছে না। কথা বলতে গেলেই তার কান্না আসছে। কথা মিশে যাচ্ছে কান্নার ফোঁপানিতে।
সে আবারো জিজ্ঞেস করল- কে আপনি, এত রাতে এখানে কেন?
মেয়েটি কী বলতে গেলে আবারো কান্নার হাঁপানোতে মিইয়ে গেল।
সে এবার একটু ধমকের সুরে বলল- কথা না বলে শুধু কাঁদছেন কেন? কী হয়েছে বলবেন তো।
মেয়েটি এবার কথা বলতে যেয়ে হাউমাউ করে কেঁদে ওঠে। কেঁদে কেঁদে বললÑ প্লিজ আমাকে সাহায্য করুন। আমার ভীষণ বিপদ হয়েছে। সে আবারো ফোঁপাতে লাগল।
বিপদ! সে ভ্রু কুঁচকালো। কী হয়েছে আপনার?
আমার অনেক বড় বিপদ হয়ে গেছে। আমাকে সাহায্য করুন, প্লিজ। মেয়েটি হাত জোড় করে আবারো কান্নার তোড়ে ভেসে গেল।
আপনার বাসা কি শহরের কোথাও?
মেয়েটি না-বোধক মাথা নেড়ে বলল- অনেক দূরে, গ্রামে।
ঝাপটা বাতাস আর বৃষ্টিতে যখন ছাউনিতে আশ্রয় নেয়, আলোহীন পরিবেশে প্রথমে কিছুই বুঝতে পারেনি। সহসা একপাশে অবগুণ্ঠিতা কাউকে দেখে সে চমকে ওঠে। একটি গাড়ির হেডলাইট এসে পড়ল তখন সে অবাক হয়! এত রাতে এখানে একজন মেয়েকে বসা দেখে। তাও একা! ভাবল আশপাশে হয়তো কেউ আছে। কিন্তু আশপাশ ভালো করে নজর বুলিয়ে সেভাবে কাউকে দেখা গেল না। এদিকে কোনো পথচারী মানুষও নেই। একটি পানের দোকান ও দুই-তিনজন ফুটপাথের ব্যবসায়ী বসে। বৃষ্টি থাকায় তারাও নেই। সে মেয়েটির দিকে আড়চোখে তাকাল। সন্দেহ হলো, অন্য কোনো পেশাধারিণী কেউ নয়তো! নির্জনে এভাবে তার কাছে দাঁড়িয়ে থাকতে তার সঙ্কোচ হলো। যখন সে চলে যাওয়ার জন্য পা বাড়াল তখন তার কানে মেয়েটির কান্নার অস্ফুট শব্দ এলো। সে থমকে দাঁড়াল এবং মেয়েটির দিকে বিস্ময়ে তাকিয়ে রইল। লক্ষ্য করল মেয়েটি ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছে। একজন অষ্টাদশী যুবতী এত রাতে এখানে কাঁদছে কেন? সে স্থির দাঁড়িয়ে রইল।
ঘড়ির দিকে তাকাল। রাত ১০টা পেরিয়ে ১১টা ছুই ছুই। এতক্ষণে নিশ্চয় তার বাসার গেট বন্ধ হয়ে গেছে। বৃষ্টি থামার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।
মেয়েটিকে নিয়ে তার কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়ল। প্রথমেই যদি কিছু জিজ্ঞেস না করে, না জেনে চলে যেত, তাহলে এতটা পীড়া ছিল না। কিন্তু এখন জেনে বুঝে তাকে এই অসহায় তিমিরে কিভাবে ফেলে যায়? তার বিবেক বাধা দিলো। মেয়েটি অসম্ভব সুন্দরী। চেহারায় আভিজাত্যের ছাপ। যে কারো চোখে পড়ার মতো। তার এই অসহায়ত্বে নিশ্চিত কোনো ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। যেভাবে হোক মেয়েটির এই অসহায়ত্বে পাশে দাঁড়ানো উচিত। সে নিজের মধ্যে নৈতিক ও মানবিক পীড়া অনুভব করল।
মেয়েটির বাড়ি এ শহর থেকে অনেক দূরে ভিন্ন এক ডিস্ট্রিকে। দুই গাড়িতে অনেকজন এসেছিল প্রাকৃতিক জলপ্রপাতে বেড়াতে। যাওয়ার পথে শহরে যাত্রাবিরতি করেছিল। তারা নেমে অনেকক্ষণ ঘোরাঘুরি ও কেনাকাটা করে। এরই ফাঁকে এই মেয়েটি মূল দল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। আর ওরাও খেয়ালের ভুলে চলে যায়। এমন ঘটনার যোগসূত্র থাকায় তার কাছে এটি ছিল বিশ্বাসযোগ্য। দুই বছর আগে ঠিক এরকম পরিস্থিতির শিকার হয়েছিল সে নিজেও।
দ্রুত এ স্থান ত্যাগ করতে হবে। এখানে বেশিক্ষণ থাকা মঙ্গলবোধ করল না। সে মেয়েটিকে নিয়ে একটি রিকশায় চেপে বসে।
ছাউনির ভেতরে বৃষ্টির ছাঁটে মেয়েটির জামাকাপড় ভিজে প্রায় জবুথবু। ঠাণ্ডা শিরশির বাতাসে গায়ের সাথে লেপ্টে থরথর করে কাঁপছে। রিকশা বাতাসের উল্টো দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। কেউ কোনো কথা বলছে না। মেয়েটি রিকশার হুড একহাতে শক্ত করে ধরে বসে আছে। সে একবার মেয়েটিকে কিছু জিজ্ঞেস করতে গিয়ে রিকশাওয়ালার দিকে তাকিয়ে নীরব থাকে। মেয়েটার উৎকণ্ঠা ও দুশ্চিন্তা সে বুঝতে পারে। তাকে আশ্বস্ত করার চেষ্টা করে। এটা স্বাভাবিক। এমনটা হতে পারে। চিন্তার কোনো কারণ নেই। সব ঠিক হয়ে যাবে। মেয়েটি নিশ্চুপ থাকে। মার্কেট, দোকানপাট প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে, যা দুই একটি খোলা আছে তাও বন্ধ হওয়ার পথে। সে এক জায়গায় রিকশা থামায়। মেয়েটিকে বসিয়ে রেখে দ্রুত যায় আবার ফিরে আসে। হাতে একটা বড় টাওয়াল নিয়ে আসে। মেয়েটির হাতে ধরিয়ে বলে- গায়ে জড়িয়ে নাও, ঠাণ্ডা লাগবে না। মেয়েটি কোনো কথা না বলে তার দিকে লজ্জা ও কৃতজ্ঞতার মিশেলে তা গ্রহণ করে।
রেস্টুরেন্টে মানুষজন তেমন নেই। এদিকের কেবিনটাও নিরিবিলি। একান্তে বসে মেয়েটির সাথে নিশ্চিন্তে কথা বলা যায়। কথা বলে কোনো একটা সিদ্ধান্তও নিতে পারবে। উদ্বেগ, দুশ্চিন্তায় মেয়েটির চেহারা নিরক্ত পাংশু। ঠিকমতো কথা বলতে পারছে না। গলা জড়িয়ে যায়। কিছু খেতেও চাচ্ছে না। ‘সেই কবে থেকে না খেয়ে আছেন। কিছু খাবেন না, তা হয় না। অবশ্যই আপনাকে কিছু খেতে হবে।’ তার জেদের বশে সে প্লেটে হাত রাখে এবং অতি ধীরে ধীরে একটু একটু করে মুখে তুলে।
আপনার বাসার কোন নাম্বার আছে?
মেয়েটি না সূচক মাথা নেড়ে বলে মুখস্থ নেই।
কোনো নাম্বার মুখস্ত নেই?
মুখস্থ ছিল, নতুন সিম নেয়ায় সেটি বন্ধ রয়েছে।
আপনার সাথের মোবাইল কোথায়?
উত্তরে যা শুনল তাতে মেয়েটির ওপর যেমন রাগ হলো, তেমনি তার হাসিও পেল। নিজের মোবাইলটাও সেলফি তুলতে গিয়ে মাধবকুণ্ড জলপ্রপাতে দিয়ে এসেছে।
মাথায় প্রচণ্ড চাপ অনুভব করল। চোখ দু’টি বন্ধ করে ঠোঁট কামড়ে ধরল। বিপদ তার খুব আঁটঘাট বেঁধে খুব আয়োজন করে এসেছে। মেয়েটিকে এ নিয়ে আর কিছু জিজ্ঞেস করতে ইচ্ছে হলো না। দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে তার চোখে চেয়ে বলল- তো- আমি আপনাকে এ রাতের বেলা কী করতে পারি?
মেয়েটি লা-জবাব। মাথা নত করে বসে আছে।
সে যেন চিন্তার গভীর খাদে আটকে গেল। রাতটা পার হলে না হয় কাল সকালে সে পৌঁছিয়ে দিয়ে এলো। কিন্তু এ রাতটা কী করবে? সে নিজেও ব্যাচলর। থাকে মেসে। মেয়ে মানুষ না হলে চিন্তার কোনো কারণ ছিল না। তাকে নিয়ে এই রাতে কোথায় যাবে? সে ভাবল তার বন্ধুবান্ধবের সাথে পরামর্শ করা দরকার। তাদের কাছ থেকে কোনো সহায়তা পেতে পারে। সে ফোন দিলো। একজন তাকে প্রায় ধমকিয়ে বলল, ‘তোকে কি ভূতে কিলিয়ে এ প্যাঁচালে জড়াইছে? নির্ঘাত বিপদে পড়বি। বাঁচতে চাইলে ওকে রেখে তাড়াতাড়ি পালা।’ কেউ কেউ পরামর্শ দিলো, ‘পুলিশের জিম্মায় দিয়ে দিতে। পুুলিশ ঠিকানামতো পৌঁছে দেবে, কোনো ঝামেলা হবে না।’ এই পরামর্শ তার কাছে পছন্দ এবং বেশ যৌক্তিক মনে হলো। সে মেয়েটিকে জানালো। মেয়েটি হয়তো এতক্ষণে এমনটি আশা করেনি। এবার সে দেখল তার আশ্বাসের তরী কূলের কাছে এসে ডুবে যাচ্ছে। আঁতকে উঠল এবং তার চেহারা বিবর্ণ হয়ে গেল। জোড় হাত করে কাঁদতে শুরু করল। ‘দোহাই লাগে আপনি এমনটি করবেন না, প্লিজ! পুলিশ-কোর্ট হলে, জানাজানি হয়ে যাবে। মান সম্মান থাকবে না। আপনার দোহাই লাগে, আমাকে পুলিশের হাতে দেবেন না। আমার খুব ভয় হয়...।’
অবস্থা দেখে মেয়েটিকে বিনীতভাবে আশ্বস্ত করে। শান্ত হোন। একটা উপায় বের করতে হবে।
নিশ্চুপ ভাবতে থাকে। তার জীবনে যদি এ রাতটা না আসতো তাহলে হয়তো কোনো দিন বুঝতে পারত না, পৃথিবীটা বিশাল হওয়া সত্ত্বেও নারীদের জন্য স্থান কত সঙ্কীর্ণ। ঘরের বাইরে বিপদগ্রস্ত অবলা কতটা অসহায় এবং আশ্রয়হীন। অসহায় অবলার পাশে নিঃস্বার্থে কেউ দাঁড়াতে চায় না। বরং কখনো তার চারপাশে সন্দেহ, অপবাদের বৃত্ত তৈরি করে একে একে তীর নিক্ষেপ করে। খাদের কিনারে হোঁচট খেয়ে পড়লে তাকে হাত ধরে না তুলে খাদের গভীরে ফেলার মানুষও সমাজে কম নয়।
সে ঠিক করে রাতটা কোনো আবাসিক হোটেলে কাটিয়ে দেবে। এবং ভোরে উঠে একটা ব্যবস্থা করবে। প্রথমে ভেবেছিল তাকে হোটেলে রেখে চলে যাবে। এবং ভোরে এসে নিয়ে যাবে। তাতে মেয়েটি প্রচণ্ড অমত করে। সে একা থাকতে রাজি হলো না। অনুনয় করে বলল- এতটুকু যখন করছেন, একা ফেলে যাবেন না। রাতটা থেকে যান। আলাদা একটা রুম নিয়ে নেবেন। সে তাতে কোনো অসুবিধে দেখল না। তা ছাড়া এত রাতে তার মেসে গিয়েও গেট খোলা পাবে না।
কিন্তু হোটেলের গেটে এত বিড়ম্বনা আর বিব্রত অপেক্ষা করছিলো তার ধারণায় ছিল না। কোনো হোটেল ম্যানেজার তাদের রুম দিতে রাজি হলো না। বিলাসবহুল কোনো হোটেল ভাড়া করার মতো টাকাও তার পকেটে নেই। একজনের কাছে রুম চাইতে সে তাদের পরিচয় জানতে চাইল। সে এতটা মিথ্যুক নয় যে হুট করে কোনো মিথ্যা দাঁড় করাতে পারে। তার দ্বিধা-সঙ্কোচ দেখে ম্যানেজার বলল- ‘যান, অন্য কোথাও যান এখানে রুম খালি নেই। অন্য এক হোটেল ম্যানেজার তার কথা শুনতেই রাজি হলো না। না ভাই এখানে হবে না। কিছু দিন আগে মামলা খাইছি জরিমানা হইছে। অনেক ঝামেলায় আছি, অন্য কোথাও যান।’
পাশাপাশি হোটেল। সে আরেকটি হোটেলে গেল এবং বলল- ‘আমাদের আলাদা দু’টি রুম দিয়ে দিন। লোকটি ভেংচি দিয়ে বলল, নেয়ার সময়তো আলাদা নিবা, পরে তো এক হইয়া যাইবা।’ চলে আসার সময় বিড়বিড় করে আরো কী সব মন্তব্য করল। শেষে এক বৃদ্ধ ম্যানেজারের কাছে সব খুরে বললো। টাকাও বাড়িয়ে দেয়ার কথা বললো। লোকটি কিছুক্ষণ ভেবে তারপর রাজি হলো। হাতে তুলে দিলো পৃথক এবং পাশাপাশি দু’টি রুমের চাবি।
তারা দু’জন ছিল ক্লান্ত এবং বিমর্ষ। বুক ভরে একটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ছাড়ার জন্য হলেও বিছানা তাদের টানছে। হাত মুখ ধোয়ে নিলো। মেয়েটিও ফ্রেশ হয়ে টাওয়ালে হাত মুখ মুছতে মুছতে বিছানায় বসল। তার দুই চোখে উপচে পড়ছে কৃতজ্ঞতা। আনত নয়নে নিচু স্বরে বলল- ‘কৃতজ্ঞতার কোনো ভাষা আমার জানা নেই। এ ঋণ শোধ করার নয়। আপনি না থাকলে কি যে হতো।’ তারপর মেয়েটি কোনো এক ঘোরের মধ্যে আটকে গেল। হঠাৎ মেয়েটির মধ্যে অনুতাপ জেগে উঠল। বলেন- ‘আমার বাবা-মা জানে না, আমি যে এখানে এসেছি।’
সে ভ্রু কুঁচকাল- মানে?
‘হ্যাঁ তাদের কাছে আমি মিথ্যা বলেছিলাম। এক বান্ধবীর বাসায় থাকব বলে বাড়ি থেকে বের হই। আমার বান্ধবী বাবা-মাকে বলে নিয়ে এসেছিল। সে জানাল- ‘এ ছাড়া আমার কোনো উপায় ছিল না। তারা জানলে এতদূর আসতে দিত না।’
এবার সে মেয়েটিকে তিরস্কার করল। ‘এটা আপনার মোটেও উচিত হয়নি। বাবা-মায়ের সাথে আপনি অন্যায় করেছেন। আজ যে পরিস্থিতিতে পড়েছিলেন, এখান থেকে আপনার মারাত্মক ধরনের কোনো ক্ষতি হতে পারত।’
রাত অনেক হয়েছে। সে মেয়েটিকে এ নিয়ে আর দুশ্চিন্তায় ফেলতে চায় না। এখন তার বিশ্রাম প্রয়োজন। ‘দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। আপনি এখন নিরাপদ। রাত পোহালে আপনার গন্তব্যে পৌঁছে দেব। বাকি রাত আপনি নিশ্চিন্তে ঘুমান।’ সাহস দিলো- ‘ভয়ের কোনো কারণ নেই। আমি সামনের রুমে আছি। কোনো ভয় নেই।’
রুমের দরজা ছিল ভেড়ানো। সে তার রুমের দিকে যাবে এমন সময় তার কানে এলো অনেক পায়ের ধপাস ধপাস আওয়াজ। সে উঠতে গিয়ে আবার বসে পড়ল। একসাথে অনেক জুতার আওয়াজ আরো স্পষ্ট হচ্ছে। সে কান খাড়া করে নিশ্চুপ বসে রইল। জুতার শব্দ এসে ঠিক তাদের রুমের সামনে স্থির হয়। পরস্পর কথা বলছে। একজন বলল- ‘এই রুমে, না?’ -‘এই রুমে, হ্যাঁ এই রুমে তো। ডাক দাও।’ অপরজন বলল।
মেয়েটি এবার ভয়ে কাতর হয়ে যায়। তার মুখটা সহসা ফ্যাকাশে হয়ে গেল। চোখে পানি এসে গেল। বাইরে থেকে ডাকল না। দরজা ভেড়ানো থাকায় ধাক্কা দিতেই খুলে যায়। পুলিশ! আঁতকে উঠল দু’জন!
পরদিন সকাল ৮টা। সিলেট রেলস্টেশনে যাত্রীদের কোলাহল আর হকারের হাঁকডাকে মুখর। ১নং প্লাটফর্মে দাঁড়িয়ে আছে ঢাকাগামী কালনী এক্সপ্রেস। একটু পর ছেড়ে যাবে। কাউন্টারের সামনে দীর্ঘ লাইন। যারা টিকিট করেছে, নিজ নিজ আসনে গিয়ে বসে আছে। ট্রেনের জানালার কাছ ঘেঁষে একজন পত্রিকা হকার একগাদা পত্রিকা বগলদাবা করে একহাতে কয়েকটি পত্রিকা উঁচিয়ে ধরে হেঁকে হেঁকে যাচ্ছে- আজকের তাজা খবর! গরম সংবাদ! হট নিউজ- ‘নগরীর আবাসিক হোটেল থেকে আপত্তিকর অবস্থায় যুবক-যুবতী গ্রেফতার!’

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫