ঢাকা, শুক্রবার,১৮ আগস্ট ২০১৭

ক্রিকেট

ভারতকে ভুলের ফাঁদে নিয়ে গিয়েছিল পাকিস্তান!

নয়া দিগন্ত অনলাইন

১৯ জুন ২০১৭,সোমবার, ১৯:৩২


প্রিন্ট

পাকিস্তানি বোলাররা অতি মাত্রায় চাপে ফেলে দেয়ায় চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে ১৮০ রানে হারতে হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি।
টস জিতে কোহলি পাকিস্তানিদের প্রথমে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানিয়ে সবাইকে বিস্মিত করেন। সুযোগটি কাজে লাগিয়ে ফখর জামানের সেঞ্চুরিতে ভর করে পাকিস্তান চার উইকেটের বিনিময়ে ৩৩৮রান করতে সক্ষম হয়।
ওই লক্ষ্য অতিক্রম করে শিরোপা ধরে রাখতে হলে ভারতকে নতুন রেকর্ড গড়তো হতো। বিশ্ব সেরা ব্যাটিং লাইনআপ দিয়ে হয়তো সেটিও অসাধ্য কোনো বিষয় ছিল না ভারতীয়দের জন্য। কিন্তু মোহাম্মদ আমের যখন ৩৩ রানের মধ্যে তাদের তিনটি উইকেট ফিরিয়ে দেন তখন সত্যিকার অর্থে চাপে পড়ে যায় ভারত। পাকিস্তানের ওই বাঁহাতি বোলার মাত্র ২৮ বল খরচ করে ১৬ রানের বিপরীতে দখল করেন তিনটি মূল্যবান উইকেট।
প্রথমে ওপেনার রোহিত শর্মাকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে বিদায় করার পর তিনি শূন্য হাতে ফিরিয়ে দেন ওডিআই ক্রিকেটে এই মুহূর্তে বিশ্বসেরা ব্যাটসম্যান বিরাট কোহলিকে। ভারতীয় ওই অধিনায়ক পরে সাংবাদিকদের বলেন, ‘তারা এমনভাবে বোলিং করেছে যাতে আমরা ভুল ব্যাটিং করি। এভাবেই তারা আমাদেরকে চাপে ফেলে দেয়।’
এদিন পাকিস্তানের হয়ে ক্যারিয়ারের প্রথম ওডিআই সেঞ্চুরি হাঁকানো বাঁ হাতি ওপেনার ফখর একাধিকবার ভাগ্যের সহায়তা লাভ করেছেন। অবশ্য বেশ ঝুকি নিয়েই তিনি ব্যাটিং করেছেন। হাঁকিয়েছেন দৃষ্টি নন্দন ছয়ের মার। যার ফলে আজহার আলীকে সঙ্গী করে প্রথম উইকেট জুটিতে পাকিস্তানকে ১২৮ রানে পৌছে দেন তিনি।
কোহলি বলেন, ‘যখন একজন খেলোয়াড় দিনটিকে নিজের করে পায় তখন তাদেরকে থামানো সত্যিকার অর্থেই কঠিন হয়ে পড়ে। কারণ তার নেয়া শটের সত্তর ভাগই ছিল খুবই ঝুকিপুর্ন। তারা সবাই এরকম ঝুঁকি নিয়েই খেলেছেন।
একজন অধিনায়ক বা একজন বোলার যখন এমন কিছু ঘটতে দেখেন তখন তাকে অবশ্যই মেনে নিতে হবে যে এই ছেলেরা নিজেদের দিনে যেকোনো অসাধ্যই সাধন করতে পারবে। আমরা সঠিক জায়গায় বল করে তাদেরকে প্রতিহত করার চেষ্টা করেছি। ভেবেছি এতে তাদের অস্বস্তিতে ফেলা যাবে। কিন্তু আমরা কিছুই করতে পারিনি। ব্যাটিং থেকে বড় পার্টনারশিপও আদায় করতে পারিনি।’
পরাজয়ের পরও কোহলি বলেন, ‘এই পরাজয়ের পরও আমরা গৌরব করার মতো অনেক কিছু অর্জন করেছি। আমরা মাথা উচু করেই এখান থেকে যাচ্ছি। দলকে ফাইনালে পৌঁছে দেয়ার পথে অসাধারণ দক্ষতা প্রদর্শনের কৃতিত্ব দলের সব সদস্যের। ফাইনাল ছাড়া বাকি ম্যাচগুলোতে দলের সব বিভাগ অসাধারণ নৈপুণ্য প্রদর্শন করেছে।’
‘দিন শেষে প্রতিপক্ষ দলের দক্ষতার বিষয়টিকেও মানতে হবে হবে’- বলে উল্লেখ করেন ভারতীয় অধিনায়ক।

 

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫