ঢাকা, শনিবার,১৮ নভেম্বর ২০১৭

শেষের পাতা

গণিত শিখতে হবে জানতে হবে : ড. এম শমসের আলী

নিজস্ব প্রতিবেদক

২০ মে ২০১৭,শনিবার, ০০:২৯


প্রিন্ট

খ্যাতনামা বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. এম শমসের আলী বলেছেন, মানুষের জন্ম থেকে মৃত্যু এবং মৃত্যু-পরবর্তী সময়কালেও গণিত জড়িয়ে আছে। তৎপরবর্তী একটি জীবনে খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা ও শিক্ষা প্রতিটি ক্ষেত্রে গণিতের হিসাব ছাড়া পরিকল্পিত জীবনযাপন সম্ভব নয়। তাই প্রতিটি মানুষের গণিত জেনে সুন্দর গণতান্ত্রিক দেশ গঠনে ভূমিকা রাখা জরুরি। প্রকৃতি থেকে গণিত জেনে কৃষক, দিনমজুর, সাধারণ মানুষ তাদের অবস্থার উন্নয়ন করছেন। গণিত জেনে বুঝে কাজ করলে যেকোনো শিক্ষার্থী আত্মপ্রত্যয়ই ও আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠেন। গতকাল সকালে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে ই-ম্যাথ রিসার্চ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে গণিত শিক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মোহম্মদ কায়কোবাদ বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে জনগণের দৃষ্টিভঙ্গি, চিন্তা-চেতনা ও গণিতভিত্তিক প্রতিক্রিয়া, অভিমতসংবলিত তথ্য সংগ্রহ ও সঞ্চালনপূর্বক প্রয়োজনীয় পদপে নেয়ার জন্য উত্তম পন্থা গ্রহণ করতে হবে। সাধারণ মানুষের প্রযুক্তি উন্নয়নের স্বপ্নকে অর্থবহ ভাবে বাস্তবায়নের ল্েয তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে কাজ করতে হবে।
গবেষক কাজী খায়রুল বাসার বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি প্রসার ও সুষ্ঠু প্রয়োগের মাধ্যমে সর্বেেত্র কাক্সিক্ষত দতা অর্জনের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় ও ব্যক্তিজীবনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে দুর্নীতির মূলোৎপাটন করা সম্ভব। বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি গণিতের ভাষায় কথা বলে। তাই গণিতের সৃজনশীল জ্ঞানের প্রসার ও প্রয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশের কাক্সিক্ষত উন্নয়ন সম্ভব। এ উদ্দেশ্যকে সামনে রেখেই গণিত শিক কর্মশালা ঢাকা (দ্বিতীয় পর্ব)-২০১৭ অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেনÑ প্রফেসর ড. মো: আবদুল আলীম, প্রফেসর ড. আবদুল হাকিম খান, বাংলা একাডেমির পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ হারুন রশিদ প্রমুখ।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫