ঢাকা, সোমবার,২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭

উপমহাদেশ

‘যুদ্ধের’ ইঙ্গিত দিলেন রজনীকান্ত

নয়া দিগন্ত অনলাইন

১৯ মে ২০১৭,শুক্রবার, ১৪:৪০


প্রিন্ট

গত কয়েক দিন ধরেই রজনীকান্তের রাজনীতিতে আসা প্রসঙ্গে জোর জল্পনা চলছে বিভিন্ন মহলে। সেই জল্পনাকে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছিলেন থালাইভা স্বয়ং। রাজনীতিতে আসার খবর সরাসরি অস্বীকার না করে তিনি কয়েক দিন আগে বলেছিলেন, ‘আমি জীবনে কী কী করব তা ভগবানের সিদ্ধান্ত। এই মুহূর্তে তিনি চাইছেন আমি অভিনয় করি। আমি সেই দায়িত্ব পালন করছি। যদি ভগবান চান, আমি হয়তো আগামিকাল রাজনীতিতে যোগ দেব।’ এর পর জল্পনাকে আরও একধাপ উস্কে দিয়ে সুপারস্টার ঘুণধরা রাজনীতির সমালোচনা করে বসলেন। বললেন, ‘গোটা ব্যবস্থাটাই পচে গিয়েছে। পুনর্নির্মাণ প্রয়োজন।’ রজনীর এই বক্তব্যের পর ফের জল্পনা শুরু হয়েছে, পুনর্নির্মাণের দায়িত্ব কি নিজের কাঁধে তুলে নেবেন তিনি?

২০১৬-এর ডিসেম্বরে জয়ললিতার মৃত্যুর পর অনেকেই ভেবেছিলেন তামিলনাড়ুর মুখ হিসেবে হয়তো এ বার রজনী রাজনীতিতে প্রবেশ করবেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সুসম্পর্ক ইদানীং রজনীর রাজনীতিতে যোগদানের জল্পনাকে আরও উস্কে দিচ্ছে। রজনীকান্ত রাজনীতিতে যোগ দিলে আমূল বদলে যাবে দক্ষিণী রাজনীতির চালচিত্র। অন্তত এমনটাই মনে করেন বিশেষজ্ঞেরা। সেই প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে শুক্রবার রজনী তার অনুরাগীদের বলেন, ‘স্ট্যালিন, অনুবুমানির মতো ভালো নেতারা রয়েছেন। কিন্তু সিস্টেমটা পচে গেলে ওরা কী করবেন? মানসিকতার বদল প্রয়োজন। আমার নিজস্ব কাজ রয়েছে। আপনারাও নিজের কাজে ফিরে যান। যুদ্ধের সময় আবার দেখা হবে। তখন আমি ডেকে নেব আপনাদের।’

প্রশ্ন উঠছে, কোন যুদ্ধের ইঙ্গিত দিচ্ছেন রজনী? তিনি কি সত্যিই রাজনীতিতে আসছেন? এ দিনও ধোঁয়াশা বজায় রেখে রজনীর জবাব, ‘প্রতিপক্ষ ছাড়া রাজনীতিতে আসার কোনও মানে নেই।’ এর মাধ্যমে রজনী কি বোঝাতে চাইলেন যে, দক্ষিণী রাজনীতিতে তার সঙ্গে লড়ার মতো কোনো প্রতিপক্ষ এখনও নেই? যদিও তার অনুরাগীরা মনে করেন, জয়ললিতার মৃত্যুর পর দক্ষিণী রাজনীতির সিংহাসন খালি। সেটা ভরাট করতে পারেন একমাত্র রজনীকান্ত।

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, রজনীর জনপ্রিয়তাকে সামনে রেখে দক্ষিণ ভারতে নিজেদের ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে চাইছে বিজেপি। সম্প্রতি বিজেপির অন্যতম সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক এইচ রাজা বলেন, ‘রজনীকান্ত জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব। সব সময়ই গেরুয়া দলে তার জন্য দরজা খোলা। উনি যে কোনও সময় রাজনীতিতে আসতে পারেন। তবে যতক্ষণ উনি কোনো সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন না, ততক্ষণ আমরা অপেক্ষা করব।’

রাজনৈতিক মহলের একটা বড় অংশের মতে, যুদ্ধের ইঙ্গিত দিয়ে এ দিন রাজনীতিতে যোগদানের জল্পনা জিইয়ে তো রাখলেনই, আরও বাড়িয়ে দিলেন রজনী।

 

 

অন্যান্য সংবাদ

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫