ঢাকা, রবিবার,১৯ নভেম্বর ২০১৭

আরো খবর

রংপুরে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামী ও দেবরের মৃত্যুদণ্ডাদেশ

রংপুর অফিস

১৯ মে ২০১৭,শুক্রবার, ০০:০০


প্রিন্ট
স্ত্রী হত্যার দায়ে রংপুরের তারাগঞ্জে স্বামী ও দেবরের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার দুপুরে রংপুর জেলা অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত-২ এর বিচারক আবু জাফর মোহাম্মদ কামরুজ্জামান এই আদেশ দেন। 
রংপুর জেলা অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত-২ এর অতিরিক্ত পিপি আখতারুজ্জামান পলাশ জানান, ২০০২ সালে রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার সয়ার কাজীপাড়া গ্রামের কল্পনা রানীর সাথে একই গ্রামের নৃপেণ চন্দ্রের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় পণ হিসেবে কিছু টাকা বাকি ছিল। সেই টাকা দিতে সময় চেয়েছিল কল্পনা রানীর স্বজনেরা। কিন্তু তার স্বামী নৃপেণ চন্দ্র পণের দাবিতে প্রায়ই তাকে মারধর করত। বিয়ের মাত্র ১১ মাসের মাথায় ২০০৩ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি স্বামী নৃপেন ও দেবর লক্ষণ চন্দ্র কল্পনা রানীকে তার বাবার বাড়িতে গিয়ে বকেয়া থাকা ২০ হাজার টাকা পণ আনতে বলে। এ নিয়ে কথাকাটাকাটি হলে স্বামী নৃপেন চন্দ্র দেবর লক্ষণ চন্দ্র তাকে পিটিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহত কল্পনা রানীর দুলাভাই সতীশ চন্দ্র অধিকারী বাদি হয়ে স্বামী নৃপেণ চন্দ্র, দেবর লক্ষণ চন্দ্র ও শাশুড়ি সুমিত্রা দেবীকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করে। তদন্ত শেষে ২০০৩ সালের ১৫ মে তারাগঞ্জ থানার এস আই মমতাজ উদ্দিন আদালতে তিন আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করে। 
মামলায় সাতজন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও জেরা শেষে বিচারক স্বামী নৃপেণ চন্দ্র ও দেবরকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার রায় প্রদান করেন। মামলা চলাকালীন আসামি সুমিত্রা দেবী মারা যাওয়ায় তাকে অব্যাহতি দেয়া হয়। সেই সাথে আসামি লক্ষণ চন্দ্র জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর থেকে পলাতক রয়েছে। রায় ঘোষণার সময় আসামি নৃপেণ চন্দ্র আদালতে উপস্থিত ছিল। আদালত পলাতক আসামি লক্ষণের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি ও ক্রোকি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন। সেই সাথে গ্রেফতার হওয়ার পর রায় কার্যকর করা হবে বলে জানান। 
আসামি পক্ষের আইনজীবী ফেরদৌস আলম অ্যাডভোকেট জানান, আমরা রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করব।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫