ঢাকা, বুধবার,২৪ মে ২০১৭

শেষের পাতা

হেলথ টিপস : মানসিক চাপে শিশু জটিল রোগে আক্রান্ত হয়

১৯ মে ২০১৭,শুক্রবার, ০০:০০


প্রিন্ট
মানসিক অতিরিক্ত চাপ বা তর্জন গর্জন শিশুদের কোমল মনে মারাত্মক তিকর প্রভাব ফেলে। এতে দীর্ঘস্থায়ী অবসাদ, দৈহিক বৃদ্ধিতে বাধা, বিষাদগ্রস্ততা, ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের মতো নানা রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে তাদের। বিশেষজ্ঞরা বলেন, শরীর সবসময় একটি নিয়মের মধ্য দিয়ে যেতে চায়। অতিরিক্ত মানসিক চাপ সেই নিয়মকে ভেঙে দেয়। তখন শিশুর মন এক ধরনের ইনজুরিতে আক্রান্ত হয়। এর প্রভাব গিয়ে পড়ে শরীরের ওপর। এমনটা বারংবার হলে বায়োলজিক্যাল প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয় এবং শিশুটি জটিল অসুখে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়ে। প্রকৃতিগতভাবে একজন মানুষ অল্প সময়ের জন্য মানসিক চাপ সহ্য করতে পারে। এতে শরীরের ওপর তার কোনো প্রভাব পড়ে না।
শরীর স্বাভাবিকভাবেই তা পুনরুদ্ধার করে নিতে পারে। কিন্তু শরীর যখন দীর্ঘস্থায়ী এবং বারংবার মানসিক চাপ বা স্ট্রেসের মধ্য দিয়ে অতিবাহিত হয়, তখন এই চাপ শরীর আর কুলিয়ে উঠতে পারে না এবং ওলোস্টেটিক সঞ্চালনের মাধ্যমে শরীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় নিজেকে আর ফেলতে পারে না। বিশেষজ্ঞরা বলেন, ওলোস্টেটিক বেড়ে গেলেই শরীর দীর্ঘস্থায়ী স্ট্রেস, প্রদাহজনিত সমস্যা, হরমোনের পরিবর্তন এবং বিপাকীয় প্রতিক্রিয়ার সমস্যায় পড়ে। পরে এক সময় মানসিক চাপে শরীরবৃত্তীয় পরিবর্তন, বিষণœতা, ডায়াবেটিস এবং হৃদরোগের মতো ঘাতক রোগের আক্রমণে পড়ে।
দীর্ঘস্থায়ী স্ট্রেস এ ছাড়াও শিশুর মানসিক ও শারীরিক বিকাশে বাধার সৃষ্টি হয়। তাই এ ধরনের অবস্থায় নিপতিত শিশুটির মানসিক চিকিৎসা নেয়া জরুরি হয়ে পড়ে। তখন কিনিকাল যতœই শিশুটিকে সুস্থ করে তুলতে পারে। তা না হলে ধ্বংসের মুখে পড়বে নির্দোষ শিশুর ভবিষ্যৎ। ইন্টারনেট। 

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন
চেয়ারম্যান, এমসি ও প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

ব্যবস্থাপনা পরিচালক : শিব্বির মাহমুদ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫