ঢাকা, সোমবার,২১ আগস্ট ২০১৭

আরো খবর

মোটরসাইকেল ভাঙচুর আহত ১৫, আটক এক

ভেদরগঞ্জে বিএনপি সমর্থক ইউপি চেয়ারম্যানের ওপর হামলা

শরীয়তপুর সংবাদদাতা

১৯ মে ২০১৭,শুক্রবার, ০০:০০


প্রিন্ট
শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুর থানার দণি তারাবুনিয়া ইউনিয়নের বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যান নুরুদ্দিন দর্জির ওপর তার নিজ দলীয় কর্মী ও ছাত্রলীগ হামলা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত বুধবার রাতে দণি তারাবুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদে সালিস বৈঠক চলার সময় এ হামলা হয়। হামলায় সখিপুর থানা পুলিশের দু’টি মোটরসাইকেলসহ আটটি মোটরসাইকেলে ভাঙচুর করা হয়। হামলাকারীরা পরিষদের দেয়ালে টানানো বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ভাঙচুর করেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
প্রত্যদর্শী আবদুল হামিদ বেপারি জানান, গত বুধবার রাত ৯টার দিকে উত্তর তারাবুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনুস সরকার ও দণি তারাবুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুদ্দিন দর্জি একটি গ্রাম্য সালিস বৈঠক করার জন্য দণি তারাবুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদে উপস্থিত হন। এ সময় স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী, এলাকার লোকজন ও স্থানীয় কিছু ছাত্রলীগ কর্মী মিলে নুরুদ্দিন দর্জির বিরুদ্ধে রকম অশালীন ভাষায় শ্লোগান দিয়ে মিছিল করতে থাকে। মিছিলের একপর্যায় দুইপরে মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। সংঘর্ষে ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি আমির হোসেনসহ ১৫ জন আহত হন। এ সময় চেয়ারম্যান নুরুদ্দিন দর্জি বাথরুমে আশ্রয় নেন। এ ঘটনায় শাহাদাৎ বেপারি নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
এ ব্যাপারে মানিক শেখ বলেন, নুরুদ্দিন দর্জির বিরুদ্ধে মিছিলের একপর্যায়ে যুবদল নেতা মোতালেব মালের নির্দেশে হানিফ শেখ, হাবিবুল্লাহ বেপারি, মিন্টু মাল, হানিফ মাল, শাহাদাত বেপারিসহ বিএনপির নেতা কর্মীরা রাম দা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালান। এতে ১০-১২ জন আহত হন। স্থানীয় ইউপি সদস্য রেহান উদ্দিন মাঝি বলেন, চেয়ারম্যান নুরুদ্দিন দর্জি মিটিং শেষে মাঠে গিয়ে বসলে তাদের ওপর মিছিলকারীরা অতর্কিত হামলা চালায়। 
মামলার প্রধান আসামি মোতালেব মাল বলেন, আমার নেতৃত্বে কোনো হামলা হয়নি, নুরুদ্দিন দর্জির অপর্কমের বিরুদ্ধে কথা বলায় আমাকে ফাঁসানো হচ্ছে। চেয়ারম্যান নুরুদ্দিন দর্জি বলেন, নির্বাচনী বিরোধ ও মাদকদ্রব্য বিক্রিতে বাধা দেয়ায় মোতালেব মাল, শাহাদাত বেপারি, হানিফ শেখ, হাবিবুল্লাহ বেপারি, হানিফ চোকদার, মিন্টু মাল শতাধিক লোক নিয়ে আমার ওপর হামলা চালায়। হামলায় আমার এক ভাইসহ আত্মীয়রা আহত হয়। এ ব্যাপারে আমি বাদি হয়ে সখিপুর থানায় ২৭ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত ২০০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছি। 
এ ব্যাপারে সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ কে এম মঞ্জুরুল হক আকন্দ বলেন, দণি তারাবুনিয়ায় সংঘর্ষের ঘটনায় নুরুদ্দিন দর্জি বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। আসামিদের মধ্যে শাহাদাৎ বেপারি নামে একজনকে আটক করা হয়েছে।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫