ঢাকা, শুক্রবার,২০ অক্টোবর ২০১৭

বাংলার দিগন্ত

দশমিনার লক্ষ্মীপুর সড়কে খানাখন্দ : চরম দুর্ভোগ এলাকাবাসীর

দশমিনা (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা

১৯ মে ২০১৭,শুক্রবার, ০০:০০


প্রিন্ট
দশমিনা সদর উইনিয়নের বালিকা বিদ্যালয়ের সামনের সড়ক : নয়া দিগন্ত

দশমিনা সদর উইনিয়নের বালিকা বিদ্যালয়ের সামনের সড়ক : নয়া দিগন্ত

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার সদর ইউনিয়নের বালিকা বিদ্যালয়ের সামনে থেকে সৈয়দ জাফর পর্যন্ত লক্ষ্মীপুরের ৩ কিলোমিটার সড়ক এখন মারণফাঁদে পরিণত হয়েছে। সড়কটিতে পিচ ঢালাই উঠে খানাখন্দ তৈরি হওয়ায় এলাকাবাসীকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। 
সড়কটি উপজেলার বালিকা বিদ্যালয়ের সামনে থেকে দক্ষিণে ঐতিহ্যবাহী লক্ষ্মীপুর গ্রাম হয়ে রণগোপালদি ইউনিয়নের পূর্ব আউলিয়াপুরের দিকে বয়ে গেছে। উপজেলার পোস্ট অফিসের সামনে থেকে সৈয়দ জাফর পর্যন্ত মোট ৫ কিলোমিটার সড়ক ২০১০-১১ অর্থবছরে স্থানীয় সরকার উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় সর্বশেষ সংস্কার করা হয়। ফলে ছয় বছর আগে সর্বশেষ সংস্কারের পর এখন পর্যন্ত সড়কটি আর নতুন করে সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া হয়নি। সড়কটিতে বড় বড় অসংখ্য খানাখন্দে সৃষ্টি হয়েছে। সড়কটির এমন বেহাল দশার কারণে শিক্ষার্থী ও জনসাধারণসহ যানবাহন চলাচল করছে ভয়াবহ ঝুঁকি নিয়ে। আর প্রায় ঘটছে ছোটখাটো দুর্ঘটনা। 
উপজেলার বালিকা বিদ্যালয় এলাকা থেকে লক্ষ্মীপুর ও সৈয়দ জাফর এলাকা পর্যন্ত কৃষিনির্ভর। গ্রামের প্রান্তিক কৃষকেরা তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য বিক্রির জন্য উপজেলা সদরের নলখোলা বন্দরে, জেলা সদর ও কালাইয়া বন্দরে নিয়ে যেতে সীমাহীন কষ্ট করতে হয়। সড়কটিতে বড় বড় খানাখন্দ ও ধুলাবালু থাকায় কৃষকদের কৃষিপণ্য যানবাহন মালিকেরা বহন করতে অস্বীকৃতি জানায়। কৃষকদের পড়তে হয় চরম ভোগান্তিতে। বর্ষাকালে সড়কটির বড় বড় গর্ত পরিণত হয় জলাশয়ে। ফলে জনসাধারণের দুর্ভোগ আরো চরম আকার ধারণ করে। 
লক্ষ্মীপুর গ্রামের স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, সড়কটির করুণ অবস্থার কারণে তাদের ব্যবসায় ভাটা পড়ে গেছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শাখাওয়াত হোসেন শওকত বলেন, আমি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত উদ্যোগে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সাথে কথা বলেছি। আগামী অর্থবছরে সড়কটি সংস্কারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫