ঢাকা, শুক্রবার,২০ অক্টোবর ২০১৭

বাংলার দিগন্ত

বড়াইগ্রামে স্ত্রীর হাতে স্বামী ও ডোমারে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন

নয়া দিগন্ত ডেস্ক

১৯ মে ২০১৭,শুক্রবার, ০০:০০


প্রিন্ট
নাটোরের বড়াইগ্রামে স্ত্রীর হাতে স্বামী এবং নীলফামারীর ডোমারে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন হয়েছে।
নাটোর সংবাদদাতা জানান, নাটোরের বড়াইগ্রামের স্ত্রীর বিরুদ্ধে স্বামী হত্যার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার নটাবাড়ীয়া এলাকার কালিরঘুনগ্রামের আব্দুস সাত্তার বেপারীর ছেলে জহুরুল ইসলামকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্ত্রী শেফালী বেগমের বিরুদ্ধে। 
গতকাল বুধবার বিকেলে স্ত্রী স্বামীকে মোবাইল ফোনে শ্বশুর বাড়িতে যেতে বলে। জহুরুল রাতে শ্বশুর বাড়িতে গেলে শ্বশুর বাড়ির লোকজন আহত অবস্থায় তাকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করে। জহুরুলের পরিবারের অভিযোগ তাকে তার স্ত্রী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজন পিটিয়ে হত্যা করেছে। এ ঘটনার পর থেকে তার স্ত্রীসহ আতœীয় স্বজন পালিয়ে যায়।
বড়াইগ্রাম থানার (ওসি) তদন্ত এমরান হোসেন জানান, মরদেহের শরীরে বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন আছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হযেছে। বিস্তারিত ময়নাতদন্ত রিপোর্টে বোঝা যাবে। 
নীলফামারী সংবাদদাতা জানান, ডোমারে পিটিয়ে স্ত্রী হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে,মঙ্গলবার সন্ধায় ডোমার উপজেলার ভোগডাবুড়ী ইউনিয়নের সীমান্ত এলাকা গোসাইগঞ্জ আদর্শ গ্রামে। জানা গেছে,ওই গ্রামের চোরাকারবারি ফটিক তার স্ত্রী লিজা বেগমের সাথে ওইদিন সকালে পারিবারিক কলহের এক পর্যায়ে তাকে বেদম মারপিট করে। এতে লিজা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে সন্ধায় তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সে নেয়ার পথে লিজা মারা যায়। পরে অবস্থা বেগতিক দেখে স্বামী ফটিক তার মুখে বিষ ঢেলে দিয়ে আত্মহত্যার প্রচারনা চালায় বলে এলাকাবাসী জানান। ঘটনার পর থেকে ফটিক পলাতক রয়েছে। লিজা একই গ্রামের হামিদুল ইসলামের মেয়ে। ডোমার থানার ওসি মোকছেদ আলী জানান, বুধবার সকালে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় ডোমার থানায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫