ঢাকা, মঙ্গলবার,২৭ জুন ২০১৭

সংগঠন

টাঙ্গাইলবাসীর ভাগ্যে রেলের নূন্যতম সেবা জোটে না কেন, মানববন্ধনে প্রশ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৮ মে ২০১৭,বৃহস্পতিবার, ১৭:৫৯


প্রিন্ট

রেল উন্নয়নে বর্তমান সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। রেলপথ মন্ত্রণালয় বর্তমানে একটি স্বতন্ত্র মন্ত্রণালয়। কিন্তু তারপরও টাঙ্গাইল জেলার প্রায় ৪০ লাখ মানুষ ট্রেনের সুবিধা থেকে বঞ্চিত। টাঙ্গাইলের বুক চিরে উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গগামী ট্রেন চলাচল করলেও টাঙ্গাইলবাসীর ভাগ্যে রেলওয়ের নূন্যতম সেবা জোটে না।

ঢাকা-টাঙ্গাইল-ঢাকা সরাসরি ট্রেন সার্ভিস বাস্তবায়ন করার দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল-ঢাকা সরাসরি ট্রেন সার্ভিস বাস্তবায়ন কমিটির উদ্যোগে আজ বৃহস্পতিবার মানববন্ধনে এ অভিযোগ করেন জেলার বিশিষ্টজনেরা।

মানববন্ধনটি নিরালার মোড় শহীদ মিনার থেকে পূর্ব দিকে টাঙ্গাইল পুরাতন বাসস্ট্যান্ড ও উত্তর দিকে টাঙ্গাইল ক্লাব পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।

এতে টাঙ্গাইলের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গসহ সর্বস্তরের জনগণ উপস্থিত ছিলেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, অন্যান্য জেলা থেকে ছেড়ে আসা ট্রেনগুলোতে হাতেগোনা কয়েকটি সিট বরাদ্দ থাকলেও টিকেট ও আসন জোটে না। ঢাকার কাছাকাছি জেলা হওয়া সত্বেও সরাসরি ট্রেনসার্ভিস না থাকায় টাঙ্গাইলবাসী ট্রেনের সুবিধা নিয়ে ঢাকায় অফিস ধরতে পারেন না।

প্রায় ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধনে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধিসহ টাঙ্গাইলের সর্বস্তরের জনগণ উপস্থিত ছিল।

ঢাকা-টাঙ্গাইল-ঢাকা সরাসরি ট্রেন সার্ভিস চালুর দাবি জানিয়ে বক্তারা বলেন, ঢাকা-টাঙ্গাইল-ঢাকা সরাসরি ট্রেন সার্ভিস চালু হলে অল্প সময়ে টাঙ্গাইলবাসী রাজধানীতে গিয়ে দিনের কাজ শেষ করে দিনেই ফিরে আসতে পারবে। এতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানজট ও দুর্ঘটনা দুটিই কমবে। রোগী ও মালামাল পরিবহনে সময় ও অর্থ বাঁচবে। রাজধানীর উপর জনসংখ্যার চাপ কমবে। টাঙ্গাইলবাসীর যাতায়াত হবে অধিক নিরাপদ ও আরামদায়ক। সরাসরি ট্রেন যোগাযোগ স্থাপন হলে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়বে।

ঢাকা-টাঙ্গাইল-ঢাকা সরাসরি ট্রেন সার্ভিস বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক ও সাবেক যুগ্মসচিব সাঈদ মোঃ লুৎফুল্লাহ‘র সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম, ঢাকা-টাঙ্গাইল-ঢাকা সরাসরি ট্রেন সার্ভিস বাস্তবায়ন কমিটির যুগ্ম-আহ্বায়ক ও টাঙ্গাইল জেলা ব্যবসায়ী ঐকোজোট সভাপতি আবুল কালাম মোস্তফা লাবু প্রমুখ।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ফজিলাতুন্নেসা মুজিব মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ প্রফেসর হাবিবুর রহমান, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার জাহাঙ্গীর তালুকদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা হামিদুল হক মোহন, বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল করিম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসলাম খান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আব্বাস আলী, টাঙ্গাইল ক্লাবের সহসভাপতি হারুন অর রশিদ, সাধারণ গ্রন্থাগারের সহসভাপতি খন্দকার নাজিম উদ্দিন, ঢাকা-টাঙ্গাইল-ঢাকা সরাসরি ট্রেন সার্ভিস বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব সাজ্জাদুর রহমান খোশনবীশ, যুগ্মআহ্বায়ক ও মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান আদর্শ কলেজের উপাধ্যাক্ষ আমিনুর রহমান উজ্জ্বল, আকিবুর রহমান ইকবাল, রফিকুল ইসলাম রিপন, সাইদুল ইসলাম মিন্টু, রাশেদুল ইসলাম রাশেদ, কার্যকরী সদস্য রাকিব হায়দার, টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাব দফতর সম্পাদক আরিফুর রহমান টগর, লায়ন জাহাঙ্গীর আলম, ব্যবসায়ী ঐকজোট সাধারণ সম্পাদক জিন্নাহ আলী, সময় টিভির টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি কাদির তালুকদার, সাম্প্রতিক দেশকালের জেলা প্রতিনিধি নওশাদ রানা সানভী, মানবাধিকার কর্মী নাজমুজ সালেহীন, নাহিদ করিম, ফরিদুল হক, আল আমিন প্রিন্সসহ সরকারি শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব মহাবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ, বাংলাদেশ ন্যাশনাল চাইল্ড পার্লামেন্টের সদস্যবৃন্দ, ব্যুরো বাংলাদেশ, প্রাণের বাংলাদেশ, বিন্দুবাসনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়, বিবেকানন্দ স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সৃষ্টি শিক্ষা পরিবার, এস.এস.এস. বেলা, ডেমোক্রেসি ওয়াচ, টাঙ্গাইল সিটিজেন জার্নালিস্ট গ্রুপ, বাঁকাচাঁদ সাহিত্য সংসদ, বিশ্বকবিতা কংগ্রেস টাঙ্গাইল জেলা শাখা, বীর মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ, ব্যবসায়ীবৃন্দ, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, সাংবাদিক, শিক্ষক আইনজীবিসহ বিভিন্ন সংগঠন ও শ্রেনি পেশার ব্যক্তিবর্গ।

এছাড়াও আন্দোলনের অংশ হিসেবে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫