ঢাকা, শনিবার,২৭ মে ২০১৭

খুলনা

ইবিতে চতুর্থ খুলনা বিভাগীয় বিতর্ক উৎসব

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা

১৮ মে ২০১৭,বৃহস্পতিবার, ১৭:৩৭


প্রিন্ট

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ডিবেটিং ফেডারেশনের আয়োজনে চতুর্থ খুলনা বিভাগীয় বিতর্ক উৎসব অনু্ষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে উৎসবের উদ্বোধন করেন ইবি ভিসি প্রফেসর ড. হারুন-উর-রশিদ আসকারী।

বাংলাদেশ ন্যাশনাল ডিবেটিং ফেডারেশনের সভাপতি এ কে এম সোয়েবের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. শাহিনুর রহমান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. সেলিম তোহা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. শামিম রেজা, চ্যানেল আই’র ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার অভিনেতা শহিদুল আলম সাচ্চু, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ডিবেটিং ফেডারেশনের পরিচালক, চতুর্থ খুলনা বিভাগীয় বিতর্ক উৎসব কমিটির আহবায়ক ড. আরেফিন ও ইকো ফুডের জিএম কাজী রুহুল আমিন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটির মডারেটর ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক প্রফেসর ড. মামুনুর রহমান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. শাহিনুর রহমান বলেন, বির্তকের মূল অর্থ হলো কোনটি সত্য, কোনটি যৌক্তিক, কোনটি গ্রহণ করা যাবে- সেটিকে বের করে নিয়ে আসা। বিতর্ক আমাদের সামাজিক, রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক জীবনে অত্যন্ত জরুরি।

অপর বিশেষ অতিথি প্রফেসর ড. সেলিম তোহা বলেন, বিতার্কিকরা বিভিন্ন তথ্য, উপাত্ত দিয়ে দেশ-বিদেশের যে অজানা তথ্যাবলী উপস্থাপন করেন এজন্য তারা জ্ঞানী মানুষ হিসেবে হয়ে উঠেন।

ভিসি প্রফেসর ড. হারুন-উর-রশিদ আসকারী বলেন, সমাজ বিনির্মাণের বড় অস্ত্র হচ্ছে যুক্তি। প্রাচীন গ্রিস ও এথেন্সে বড় বড় ধরনের বিতর্ক রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজন করা হতো। জয় হোক যুক্তিতে।

দিনব্যাপী এ বিতর্ক উৎসবে খুলনা বিভাগের ১০টি জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দুই হাজার শিক্ষার্থী অংশ নেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পূর্বে ক্যাম্পাসে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়।

জাতীয় সংগীতের মধ্যদিয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন
চেয়ারম্যান, এমসি ও প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

ব্যবস্থাপনা পরিচালক : শিব্বির মাহমুদ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫