ঢাকা, বুধবার,২৪ মে ২০১৭

আলোচনা

নজরুলের কবিতা : ইংরেজি অনুবাদ

হোসেনউদ্দীন হোসেন

১৮ মে ২০১৭,বৃহস্পতিবার, ১৬:০১


প্রিন্ট

বাংলা থেকে ইংরেজি তর্জমা করা দুরূহ ব্যাপার। তর্জমা ঠিক লিটারাল হলে চলে না। কারণ কবিতার ছন্দ, ধ্বনি এবং তার আবেগময়তা কখনো তর্জমা হয় না। সে অভাব পূরণ করে নেয়ার জন্য ইংরেজিতে অনেকটা বদল করতে হয়। নতুবা তর্জমায় যথেষ্ট স্বাধীনতা নেয়ার প্রয়োজন আছে। এই স্বাধীনতাটুকু সঠিক কাজে লাগাতে পারেন স্বয়ং কবিই, যদি তিনি নিজেই নিজের কবিতা তর্জমা করেন। কবি নিজে ছাড়া আর কারো ওপর তর্জমার ভার দিলে সে স্বাধীনতাটুকু কাজে লাগানো যায় না। রবীন্দ্রনাথও নিজের কবিতা নিজেই তর্জমা করতেন। অন্য কারো ওপর তার ভরসা ছিলো না। তার কবিতা কেউ তর্জমা করলে তার মনঃপূত হতো না। রবীন্দ্রনাথের মতো স্বয়ংশিক্ষিত ছিলেন কাজী নজরুল ইসলামও। কিন্তু তিনি কখনো নিজের কবিতা তর্জমা করেছেন কি না তা আমাদের জানা নেই। সম্ভবত করেননি। করলে দৃষ্টিগোচর হতো। অবশ্য তিনি অনেকগুলো বাষায় কবিতা রচনা করেছেন। যার মধ্যে ইংরেজিও আছে।
নজরুল রিসার্চ সেন্টার ঢাকা ইউনিভার্সিটি থেকে ‘সিলেকটেড পোয়েমস অব কাজী নজরুল ইসলাম’ নামে একটি ইংরেজি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। ওই গ্রন্থে নজরুলের ২৬টি কবিতার ইংরেজি তর্জমা করেছেন খ্যাতিমান কথাশিল্পী আবু রুশদ। তিনি কবি নন। তার বিচরণ গদ্যে। তবুও তাকে ধন্যবাদ, তিনি নজরুলকে বিদেশী ভাষায় তুলে ধরেছেন।
আবু রুশদের আগে আরো কয়েকজন খ্যাতিমান ব্যক্তি নজরুলের কবিতা ইংরেজিতে তর্জমা করেছেন। তর্জমাকারদের মধ্যে রয়েছেন আমীর হোসেন চৌধুরী, মিজানুর রহমান, আবদুল হাকীম, অধ্যাপক কবীর চৌধুরী, বিনয়কুমার সরকার, সৈয়দ মুজিবুল হক প্রমুখ। ‘সিলেকটেড পোয়েমস অব কাজী নজরুল ইসলাম’ নামে সৈয়দ মুজিবুল হকের একটি প্রকাশিত অনুবাদ সঙ্কলন আছে। কবীর চৌধুরীরও একটি অনুবাদ গ্রন্থের নাম : The fiery Lyre of Nazrul Islam. বিদেশী ভাষায় বিদেশী লেখকদের মধ্যে সর্বাগ্রে রুশ ভাষায় নজরুলের কবিতা তর্জমা করেছিলেন অর্থগতভাবে বরিস পোলিয়ানস্কি এবং সেই ভাবার্থকে কাব্যানুবাদ করেন মিখাইল কুরগানৎসিয়েভ। নজরুল সম্পর্কে কুজনেসেভ লিখেছেন : ‘সোভিয়েত রাশিয়ার অনেক পাঠকই নজরুলের কবিতার ভক্ত। অনেক খ্যাতিমান রুশ কবির পরিশ্রম ও প্রচেষ্টায় তার কবিতা রুশ জনগণের কাছে পৌঁছিয়েছে।’
কাজী নজরুল হেলাফেলা কবি ছিলেন না। তিনিই প্রথম ভাবনার দিক থেকে, চেতনার দিক থেকে, রচনাশৈলী ও আঙ্গিকের দিক থেকে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর সাহিত্য জগতে মহা আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন। রবীন্দ্রনাথের প্রভাববলয় থেকে প্রথম যুদ্ধোত্তর কালের কাব্যের বলয়ের মৌলিক পার্থক্য যা লক্ষণীয় তা হলো ভাবগত বিদ্রোহ। একদিকে যেমন ভাবগত বিদ্রোহ ছিলো তেমনি অন্যদিকে ছিলো বস্তুগত চিন্তারও স্বতন্ত্ররূপ। কাজী নজরুলের কাব্যেই বস্তুবাদী চেতনা প্রথম ধরা পড়েছিলো। ১৯২০ খ্রিষ্টাব্দের আগে পর্যন্ত এই নতুনের কণ্ঠস্বর শোনা যায়নি। বাংলা কাব্যে বস্তুবাদী চিন্তাবোধ নজরুল থেকেই শুরু হয়েছে। সমস্ত রকমের নৈরাজ্যের বেড়াজাল ভেঙে নজরুলই বাংলা কাব্যে সৃষ্টি করেছিলেন একটা দুর্দান্ত আকরিক প্রাণশক্তি।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ উপলক্ষে ইউরোপেও যে একটা ভালো কবিতা রচিত হয়েছিলো তেমন একটা নজির পাওয়া যায় না। তৎকালে ইংল্যান্ডের রাজকবি রবার্ট ব্রিজেস, কিপলিং, উইলিয়াম ওয়াটসন প্রভৃতি খ্যাতিমান কবিও সাড়া জাগানো কোনো কবিতা লিখতে পারেননি। এমন কি কোনো কাব্যপিপাসু পাঠকের হৃদয়কেও আলোড়িত করে তুলতে পারেননি। এর হয়তো একটা কারণ ছিলো যে বিষয়টা এত ভীষণ, ঘটনাবলি এতই নিকট ছিলো যে এবং কবিদের নিজের স্বার্থ এর সাথে এরূপভাবে জড়িত ছিলো যে, খুব উঁচুদরের কবিদের পক্ষে সেই অবস্থায় শিল্পকে বাঁচিয়ে বিশুদ্ধ কলানুরাগীর মনের ভাব নিয়ে কবিতা রচনা করা একরকম অসম্ভব ছিলো। মেসিনিয়ান যুদ্ধকালে কবি টিরটিউসের কাব্য-সঙ্গীতগুলো স্পার্টান যোদ্ধাদের হৃদয়ে বীররসের যেমন উদ্রেক করেছে ঠিক তেমনি সেই সময়ে ইউরোপে যুদ্ধকালে যে সমস্ত কাব্য ও সঙ্গীত রচিত হয়েছে তা পাঠক হৃদয়কে উদ্দীপ্ত করার মতো উপযুক্ত ছিলো না। ক্যাম্বেল বা ডিবিডিনের সঙ্গীতগুলো সৈনিকদের মধ্যে কোনো সময়েই প্রতিষ্ঠালাভ করেনি। 'It is a long long way to lipperary' নামক কাব্যগীতিটি ছিলো একমাত্র জনপ্রিয়। উল্লেখ্য যে ওই কাব্যগীতিটি রচনার সঙ্গে যুদ্ধের কোনো সম্পর্কই ছিলো না।
বাংলা সাহিত্যে আমরা ওই সময়েই পেয়েছিলাম কাজী নজরুল ইসলামকে। তিনিই সেই সময় দুর্দান্ত চৈতী হাওয়ার মত হুড়মুড় করে এসে যে সমস্ত প্রাণউদ্দীপ্ত করা কবিতা লিখেছিলেন তার তুলনা নেই।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধোত্তর পর্বে নজরুল সকলেরই কাছে সুপরিচিত হয়ে উঠেছিলেন বিদ্রোহী কবি হিসেবে। অর্থাৎ তার আগমন সম্পর্কে বলা যেতে পারে যে, সৈনিক বিভাগে নতুন প্রবিষ্ট যোদ্ধারা যেমন হ্যাম্পস্টেডহিদ বা কাওয়াজের ক্ষেত্রে যাত্রা করে, ঠিক তেমনি সাহিত্য ক্ষেত্রেও নজরুলের যাত্রা শুরু হয়েছিলো। স্বদেশ ভক্তদের হৃদয়ে দেশানুরাগ জাগিয়ে তোলার সাথে নজরুলের কাব্যশক্তি ছিলো প্রচণ্ড। ওই সময়েই যদি নজরুলের কবিতা ইংরেজি কিংবা অন্যান্য বিদেশী ভাষায় অনূদিত হতো তাহলে নজরুলের মূল্যায়ন হতো ভিন্নরকম।
বস্তুত নজরুলের বিশাল খ্যাতি ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি লিখে। ওই কবিতায় তার দার্শনিক মতবাদে বোধির প্রাধান্য রয়েছে। নজরুলের বোধি শুধুমাত্র তত্ত্বজ্ঞানের বা আদি সত্য লাভের প্রচেষ্টাতে পর্যবসিত নয় তাতে রয়েছে অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞান। ‘বিদ্রোহী’তে নজরুলের যে উপলব্ধি তা হচ্ছে মানবজীবনের পক্ষে এক মহাবিস্ময়কর উপলব্ধি। এই উপলব্ধি তর্জমার মধ্যে নাও পাওয়া যেতে পারে। নজরুল লিখেছেন :
বল বীর / বল উন্নত মম শির /
শির নেহারি আমারি নতশির ঐ শিখর হিমাদ্রির।
উপরের ওই বলদৃপ্ত ঘোষণাটি অন্য কোনো ভাষায় উপলব্ধিগত নাও হতে পারে। এই জন্য এ যাবৎকাল যারা ওই কবিতাটি তর্জমা করেছেন তারা মূল কবিতার মধ্যে যে উপলব্ধি তা তুলে ধরতে পারেননি। আবু রুশদ ইংরেজিতে নজরুলের সেই মহাবিস্ময়কর উপলব্ধি প্রকাশ করেছেন এই ভাবে :
'Say the heroic one_
Say erect is my head
The high mountain range beyond
watehes my head and bows its own_'
মূল কবিতার ভাব এবং তর্জমার ভাবের মধ্যে যথেষ্ট পার্থক্য আছে, তা উপলব্ধি করা যায়। এটা থাকা স্বাভাবিক। রবীন্দ্রনাথ নিজেও তার কবিতার তর্জমা করতে গিয়ে অনেক কিছু রদবদল করেছেন। আবু রুশদ নজরুলের ‘উন্নত’ শব্দটি ইংরেজিতে 'বৎবপঃ' করেছেন। একই রকমভাবে বৎবপঃ শব্দটি ব্যবহার করেছেন বিনয়কুমার সরকারও। এখানে আমরা যদি কবিতার ভাবগত বিশ্লেষণ করি তাহলে বুঝতে পারব ওই শব্দটির মধ্যে তথ্য আছে। তথ্যের অর্থ হলো- যেমনটি আছে তেমনটির ভাব হচ্ছে তথ্য। তথ্য খণ্ডিত, স্বতন্ত্র- সত্যের মধ্যে সে আপন বৃহৎ ঐক্যকে প্রকাশ করে। আমি ব্যক্তিগত আমি এই তথ্যটুকুর মধ্যে, আমি মানুষ এই সত্যটিকে আমি যখন প্রকাশ করি তখনই বিরাট একের আলোকে আমি নিত্যতায় উদ্ভাসিত হই। তথ্যের মধ্যে সত্যের প্রকাশই হচ্ছে প্রকাশ। যেহেতু সাহিত্য ও ললিতকলার কাজই হচ্ছে প্রকাশ এই জন্য তথ্যের পাত্রকে আশ্রয় করে আমাদের মনকে সত্যের স্বাদ দেয়াই তার প্রধান কাজ। এই স্বাদটি হচ্ছে একের স্বাদ, অসীমের স্বাদ। আমি ব্যক্তিগত আমি, এটা হলো আমার সীমার দিকের কথা। এখানে আমি ব্যাপক একের থেকে বিচ্ছিন্ন, আমি মানুষ, এটা হলো আমার অসীমের অভিমুখী কথা, এখানে আমি বিরাট একের সঙ্গে যুক্ত হয়ে প্রকাশমান।
নজরুলের কবিতায় ‘উন্নত’ শব্দটি এসেছে বিরাট একের সঙ্গে যুক্ত হয়ে। অর্থাৎ এই শব্দটি নজরুলের কবিতায় ‘আমি মানুষ’ ঘোষণার সঙ্গে যুক্ত। ব্যক্তিগত আমির সঙ্গে যুক্ত নয়। High শব্দটি ব্যবহার না করে ঐরময ব্যবহার করা যদি হতো, তাহলে তার মধ্যে পাওয়া যেত অসীমের স্বাদ। উপর্যুক্ত ঘোষণার পরেই কবি আবার উচ্চারণ করেছেন :
‘মম ললাটে রুদ্র ভগবান জ্বলে
রাজ রাজটিকা দীপ্ত জয়শ্রীর’
আবু রুশদ এটাকে তর্জমা করেছেন :
'on my forehead burns the bright
royal insignia of the angry God'
উপর্যুক্ত তর্জমাটিতে মূলভাবকে অবিকলরূপে তুলে ধরা হয়েছে। এই ছত্রেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে মানুষ সত্য এবং সবার উপরেই তার স্থান। মূল বক্তব্য ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে যেমন আমীর হোসেন চৌধুরী তর্জমা করেছেন, আবু রুশদ অবশ্য সেভাবে করেননি। আমীর হোসেন চৌধুরীর তর্জমা পাঠ করলে বোঝা যায় যে ভাষা ও ভাবনার দিক থেকে আমীর হোসেন চৌধুরী সম্পূর্ণ আলাদা শব্দ নির্মাণ করেছেন :
'The blazing goldy light dazzles on my forehead,
like sparking erect of a triumphant head!'
৮ পৃষ্ঠার পর
নজরুলের ‘আমি দুর্বার/ আমি ভেঙে করি সব চুরমার’-এর তর্জমা আমীর হোসেন চৌধুরী করেছেন এইভাবে :
'I am the desperado
I turn everything to pieces and shadow
আবু রুশদ তর্জমা করেছেন :
'I am uncontrollable,
I break everything to smaithereens'
‘আমি ভরা তরী করি ভরা ডুবি/ আমি টর্পেডো আমি ভীম ভাসমান মাইন’ এই ছত্রাংশের তর্জমা করেছেন আবু রুশদ :
'I utterly sink the eargo-laden boat,
I am the torpedo
I am the floating terrifying mine'
আমীর হোসেন চৌধুরী তর্জমা করেছেন :
"I sink the loaded vessels deep down
the Marine
I am the torpedo-deadly
floating mine.'
তুলনা করার অর্থ কাউকে খাটো করা নয় বরং বলা চলে যে মূল্যায়ন করা। কারণ নজরুলের কবিতায় এত সহজ স্বাচ্ছন্দ্যে এবং এত স্বতঃস্ফূর্তভাবে অনুপ্রাস এসেছে যে যার তর্জমা করা অত্যন্ত কষ্টকর! তবুও প্রশংসা করতে হয়, মূলের দিকে লক্ষ রেখে আবু রুশদ নজরুলকে ইংরেজি ভাষায় তুলে ধরেছেন। আবু রুশদ নজরুলের এমন এমন অনুপ্রাসরণিত কবিতা তর্জমা করেছেন যা সত্যিই প্রশংসনীয়। যেমন : ‘প্রলয়োল্লাস’, ‘শিকল পরার গান’, ‘ভাঙার গান’, ‘নতুনের গান’, ‘আজ সৃষ্টিসুখের উল্লাসে’, ‘ছাত্রদলের গান’, ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’ ইত্যাদি। কবিতাগুলো এর আগে অনেকেই তর্জমা করেছেন বটে তবে তাদের তর্জমায় নজরুলের কবিতার ব্যঞ্জনা খুঁজে পাওয়া যায় না। রস সৃষ্টির দিক থেকেও মনে হয়েছে রিক্ত।
স্বদেশভক্তদের হৃদয়ে দেশাত্মবোধ জাগিয়ে তোলার পক্ষে নজরুলের শক্তি ছিলো তুলনাহীন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধকালে এবং যুদ্ধোত্তরকালে ইউরোপে যেমন হেরল্ড বেগবি রচিত একটি গান The homes they leave behind জনগণের মনে বিশেষ উন্মাদনা সৃষ্টি করেছিলো ঠিক তেমনি নজরুলের মনে বিশেষ উন্মাদনা সৃষ্টি করেছিলো। বাঙলায় এর আগে কোনো মার্চ সঙ্গীত ছিলো না। নজরুলই প্রথম প্রবর্তন করেন মার্চ সঙ্গীত :
‘চল চল চল / ঊর্ধ্ব গগনে বাজে মাদল /
নিম্নে উতলা ধরণীতল / অরুণ প্রাতের তরুণ দল /
চলরে চলরে চল / চল চল চল। /
ঊষার দুয়ারে হানি আঘাত / আমরা আনিব রাঙা প্রভাত / আমরা ছুটাব তিমির রাত / বাধার বিন্ধ্যাচল।’
আবু রুশদ এই গানটির তর্জমা করেছেন :
March, March, March
The sky above is loun with music
Below the earth is restive
The young companions of the down
March, March, March
March, March
We will knock on the downs door
And quick a morning of hues.
We will bring the dark night to an end.
And rise above barriers huge.'
ওই সময়ে ইউরোপেও নজরুরের মতো এ রকম উদ্দীপনাময় সঙ্গীত কেউ রচনা করতে পারেননি। তৎকালে ইউরোপে যে গানটি ভাবের বন্যা সৃষ্টি করেছিলো তার কয়েকটি পঙ্ক্তি :
And They've flung their jobs behind
They have kissed their girls and Mothers.
And they've told them not to mind
you have called them to the colours.
where the battle breaks and foams.
well the w're rolling up in thousands.
It's for you to help their homes.'
এই সব গানের তুলনায় নজরুলের গানে রয়েছে প্রচুর প্রাণশক্তি এবং এক আবেগময় তরঙ্গ। আবু রুশদ সেই প্রাণশক্তি ও আবেগময় তরঙ্গ তর্জমার মাধ্যমে অনেকখানি ধরে রেখেছেন। আমীর হোসেন চৌধুরী নজরুলের দেশাত্মবোধক ও বিপ্লবাত্মক কবিতা তর্জমা করে যেমন সাফল্য অর্জন করেছেন তেমনি আবু রুশদও সফলতা অর্জন করেছেন। তবে পার্থক্য দু’জনের মধ্যে রয়েছে যথেষ্ট।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন
চেয়ারম্যান, এমসি ও প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

ব্যবস্থাপনা পরিচালক : শিব্বির মাহমুদ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫