ঢাকা, সোমবার,২৩ অক্টোবর ২০১৭

ঢাকা

ফরিদপুরে মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাইয়ে অনিয়মের প্রতিবাদে মানববন্ধন

ফরিদপুর সংবাদদাতা

১৮ মে ২০১৭,বৃহস্পতিবার, ১৩:৪৪ | আপডেট: ১৮ মে ২০১৭,বৃহস্পতিবার, ১৩:৫৩


প্রিন্ট

ফরিদপুর সদর উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাইয়ে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি এবং স্বজনপ্রীতির প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সামনে মুজিব সড়কে এ কর্মসূচি পালিত হয় সদর উপজেলার সংক্ষুব্ধ মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ-এর ব্যানারে।

আধাঘন্টার এ কর্মসূচি চলাকালে সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামি নূর মোহাম্মদের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন, ফরিদপুর সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শামসুল হক, জেলা আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান বেপারী, মরহুম মুক্তিযোদ্ধা কে এম এনায়েত ইসলামের স্ত্রী মেহেরুননেসা।

শামসুল হক অভিযোগ করেন, এ যাচাই-বাছাইয়ের সময় একটি মহলের ইঙ্গীতে অনেক প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাকে বাদ দেওয়া হয়েছে এবং রহস্যজনকভাবে অনেক ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের মুক্তিযোদ্ধা বানানো হয়েছে।

আব্দুর রহমান বেপারী বলেন, ফরিদপুর সদরে গত ফেব্রুয়ারির ১৩ তারিখ থেকে ২৮ তারিখ পর্যন্ত যাচাই-বাছাই কার্যক্রম চলে। পরে হাইকোর্টে রীটের জন্য দুই মাস কাগজপত্র ফাইলবন্দি করে রাখা হয়। ওই সময় কমিটির সদস্য সচিব সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বদলী হয়ে যান। ওই সুযোগে একটি কুচক্রি মহল প্রভাব খাটিয়ে ওই তালিকা নয়-ছয় করে ইচ্ছেমত প্রিয়পাত্রদের অনৈতিক ভাবে তালিকাভুক্ত করে এবং অনেক প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাকে খেয়ালখুশী মতো বাদ দিয়ে জামুকায় (জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল) তালিকা পাঠিয়েছে।

সভাপতির বক্তব্যে নূর মোহাম্মদ বলেন, যে কমিটি এ যাচাই বাছাই করেছে সেই কমিটি পাকিস্তানে অবস্থানকারী ব্যাক্তিকে মুক্তিযোদ্ধা বানিয়েছে। তিনি যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্যদের যাচাই-বাছায়ের পর নতুন কমিটি তৈরি করে পুণরায় মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কাজ শুরু করার জন্য মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের প্রতি আবেদন জানান।

সংক্ষুব্ধ মুক্তিযোদ্ধাগণ এক লিখিত বক্তব্যে জানান, যাচাই বাছাই করে ফরিদপুর সদরে ৩৪ জন ব্যাক্তিকে নতুন করে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান এবং ভারতে টেনিংপ্রাপ্ত দেশপ্রেমিক অনেক জীবিত ও প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধাদের বাদ দেওয়ার সুপারিশ করে জামুকায় প্রতিবেদন পাঠিয়েছে। এ যাচাই বাছাই কমিটি একে অপরের যোগসাজসে লাখ লাখ টাকার বাণিজ্য করেছে। ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের স্বীকৃতি দিয়েছে। বিষয়গুলো তদন্তপূর্বক সঠিক তালিকা প্রণয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী এবং জামুকার হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫