ঢাকা, শুক্রবার,২২ সেপ্টেম্বর ২০১৭

চট্টলা সংবাদ

চট্টগ্রামে বিজিএমইএ ও সিপিডির উদ্যোগে সেমিনার

পোশাক শিল্পে এগোতে হবে নতুন কৌশলে

চট্টগ্রাম ব্যুরো

১৮ মে ২০১৭,বৃহস্পতিবার, ০০:০০


প্রিন্ট

পোশাকশিল্প উদ্যোক্তারা এখন যে গতিতে ও কৌশলে এগোচ্ছে তা হয়তো এখন চলবে কিন্তু ২০২৪ সালের মধ্যে নতুন কৌশলে এগোতে হবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পকে প্রতিযোগিতা করতে হবে। আগামীতে বাংলাদেশের পোশাকশিল্প বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে পারে। প্রতিবেশী দেশ চীন, ভারত, মিয়ানমার কিভাবে দ্্র“ত এগিয়ে যাচ্ছে সেদিকে ল্য রেখে কাজ করতে হবে।
গত ১৫ মে বিজিএমইএ ও সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে এ পরামর্শ দেন সিপিডি।
সেমিনারের বিষয় ছিল ‘নিউ ডাইনামিকস ইন বাংলাদেশ আরএমজি সেক্টর রেসট্্রাকট্্রারিং, আপগ্রেডেশন অ্যান্ড কমপ্লাইনস অ্যাসুরেন্স’।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডির গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। তিনি বলেন, আমাদের দেশে অনেক বড় বড় কারখানা আছে এগুলো বছরের পর বছর একই ধরনের পণ্য উৎপাদন করছে। বিশ্ববাজারের চাহিদা অনুযায়ী পণ্য উৎপাদন করা দরকার। আমাদের ব্যবসায়ীরা বেশি বিনিয়োগ করেও কেন বেশি অর্ডার পাচ্ছেন না? কারখানা কেন বন্ধ হয়ে যাচ্ছে? গার্মন্টেগুলো কেন লোকসানে পড়ছে? প্রতিবেশী দেশগুলো কিভাবে ভালো করছে? কিভাবে উৎপাদন বাড়ানো যায়? এসব প্রশ্নের ওপর আমাদের গবেষণা করা দরকার। এগুলোর সঠিক উত্তর খুঁজে বের করা দরকার। সিপিডি দেশের ৪০০টি ফ্যাক্টরি বাছাই করেছে, এগুলোতে গবেষণা চালাচ্ছে। এ যাবত যে সীমাবদ্ধতা পাওয়া গেছে তার মধ্যে রয়েছে প্রযুক্তিগত দুর্বলতা, শ্রমিকদের অদতা, সামাজিক নেতিবাচক প্রভাব। লো কস্ট ঋণ না পাওয়া প্রভৃতি।
উদ্বোধনী বক্তব্যে বিজিএমইএ প্রথম সহসভাপতি মঈনউদ্দিন আহমেদ (মিন্টু) বলেন, ‘স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিতে ২০২১ সালে আমাদের ল্য ৫০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের তৈরী পোশাক রফতানি করা। বর্তমানে তৈরী পোশাকের বিশ্ববাজার ৪৪৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ২০২১ সালে তা এসে দাঁড়াবে ৬৫০ বিলিয়ন ডলারে। এর পরিপ্রেিত আমাদের পণ্য উৎপাদনে বৈচিত্র্য ও নতুন বাজারে ব্যাপকভাবে রফতানি বৃদ্ধি করতে হবে। উৎপাদনশীলতা ও দতা অর্জনে মনোনিবেশ করতে হবে। সিপিডির ফেলো প্রফেসর মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, তৈরী পোশাকশিল্প দীর্ঘ দিন থেকে একক শিল্প হিসেবে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বিশ্ববাজারে চাহিদার নিরিখে পণ্যে বৈচিত্র্য আনতে হবে। পাশাপাশি নতুন বাজারসমূহে আমাদের কার্যক্রম বাড়াতে হবে। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন শেষে মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন বিজিএমইএর সাবেক প্রথম সহসভাপতি এম এ ছালাম, এস এম আবু তৈয়ব, বিজিএমইএর সাবেক পরিচালক মোহাম্মদ মুসা, বিজিএমইএর সদস্য মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, শওকত ওসমান প্রমুখ। সমাপনী বক্তব্য রাখেন বিজিএমইএর সহসভাপতি মোহাম্মদ ফেরদৌস। সেমিনারে বিজিএমইএ পরিচালকবৃন্দ, সিপিডির কর্মকর্তা ও চট্টগ্রামের পোশাকশিল্প কারখানার মালিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

 

 

 

অন্যান্য সংবাদ

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫