ঢাকা, বুধবার,২৪ মে ২০১৭

প্রকৃতি ও পরিবেশ

বেলজিয়াম কেন এত জ্বলজ্বল করে?

১৫ মে ২০১৭,সোমবার, ২২:৩৫


প্রিন্ট
ছবির ওপরের দিকে কমলা আভাযুক্ত অংশটিই বেলজিয়াম - আর তার উত্তরদিকে অরোরা বোরিয়ালিস

ছবির ওপরের দিকে কমলা আভাযুক্ত অংশটিই বেলজিয়াম - আর তার উত্তরদিকে অরোরা বোরিয়ালিস

বেলজিয়ামে মোটরওয়েগুলোতে সারা রাত ধরে উজ্জ্বল স্ট্রিট লাইট জ্বালিয়ে রাখার যে চল আছে, মহাকাশ থেকে ফরাসি নভোচর টমাস পেস্কের তোলা ছবিতেও তার প্রতিফলন দেখা গেছে।
আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশন থেকে তিনি সম্প্রতি যে ইউরোপের ছবি তুলেছেন তা নিয়ে ফেসবুকে তুমুল চর্চা চলছে। হাজার হাজার লোক সেই ছবিতে কমেন্ট করেছেন।
আর ইউরোপ মহাদেশের সেই ছবিতেই দেখা যাচ্ছে, বেলজিয়াম তার প্রতিবেশীদের তুলনায় অনেক বেশি জ্বলজ্বল করছে।
বেলজিয়ামে রাস্তার নেটওয়ার্কের ঘনত্ব খুব বেশি - আর তার পুরোটাতেই প্রায় স্ট্রিট লাইট আছে। আর সেগুলো জ্বালানো থাকে সারা রাত ধরেই।
নিউ ইয়র্ক টাইমসের একটি রিপোর্ট বলছে, বেলজিয়ামের রাস্তাগুলোয় আলো দিতে প্রায় ২২ লক্ষ বাল্ব ব্যবহার করা হয়। প্রতি বর্গমাইলে সে দেশে আছে প্রায় ১৮৬টি স্ট্রিট বাল্ব।

৩৯ বছর বয়সী ফরাসি নভোচর তার টুইটারে এমন একটি ছবি পোস্ট করেন, যাতে পৃথিবীর উত্তরপ্রান্তে নর্দার্ন লাইটস বা অরোরা বোরিয়ালিস দেখা যাচ্ছে। কিন্তু সেই সঙ্গেই তিনি লেখেন, 'যথারীতি বেলজিয়ামকে এখানেও সবার চেয়ে আলাদা করে চেনা যাচ্ছে'।
নিজেস্ব ফেসবুক পেজে আর একটি ছবি পোস্ট করে তিনি লেখেন লন্ডন, প্যারিস ও ব্রাসেলস মিলে তৈরি করেছে একটি 'একান্তভাবে ইউরোপীয় ত্রিভুজ'।
এই ছবিগুলো তোলা হয়েছে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনের একটি মডিউল 'কিউপোলা' থেকে - যেটি তৈরি করেছে ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি।
নিজের ব্লগে তিনি আরও লিখেছেন মহাকাশ স্টেশনের একটি এক্সারসাইজ মেশিনে শরীরচর্চা করার সময়ই তিনি পৃথিবীর এই দৃশ্যগুলো দেখতে খুব ভালোবাসেন।
''এত সুন্দর ভিউ-ওলা জিম তো খুব বেশি নেই'', মজা করে লিখেছেন তিনি।

সোশ্যাল মিডিয়াতে তার ছবিগুলো নিয়ে যে চর্চা হচ্ছে তাতে বেশির ভাগ লোকই লিখেছেন পৃথিবীর চারশো কিমি ওপর থেকে তোলা এই গ্রহের রাতের সৌন্দর্যের ছবি দেখে তারা মুগ্ধ।
তবে পৃথিবীতে যেভাবে বিদ্যুতের অপচয় করা হচ্ছে এবং আলোক দূষণ ঘটছে তা নিয়ে অনেকে সমালোচনা করতেও ছাড়েননি।
ক্রিস্টিয়ান সেলার নামে ফেসবুকে একজন মন্তব্য করেছেন, ''আকাশ যারা ভালবাসেন তাদের জন্য এটা ভয়াবহ। আলোর রোশনাই আর বিদ্যুতের চরম অপচয়!''
আরও একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী চিন্তিত ভিনগ্রহের প্রাণীদের নিয়ে। তিনি বলছেন, "আমি আশা করব এলিয়েনরা আলো দেখে পৃথিবীতে আসতে আকৃষ্ট হবে না। আমরা তো তাদের একসঙ্গে সবাইকে ঠাঁই দিতে পারব না!''
সূত্র : বিবিসি

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন
চেয়ারম্যান, এমসি ও প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

ব্যবস্থাপনা পরিচালক : শিব্বির মাহমুদ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫