ঢাকা, সোমবার,২০ নভেম্বর ২০১৭

প্রশাসন

সান ম্যারিনোর সাথে কুটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে মন্ত্রীসভায় অনুসমর্থন

বিশেষ সংবাদদাতা

১৫ মে ২০১৭,সোমবার, ২০:০৪


প্রিন্ট

ইউরোপের ছোট দেশ সান ম্যারিনোর সাথে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের লক্ষ্যে একটি চুক্তির খসড়ায় অনুসমর্থন দিয়েছে মন্ত্রীসভা।

আজ সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এই চুক্তির খসড়া অনুসমর্থনের প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়েছে বলে মন্ত্রীপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম জানান।

বৈঠক শেষে এ প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, ইতালির কাছে ছোট্ট দ্বীপ দেশ সান ম্যারিনো ১৯৯২ সালে জাতিসংঘের সদস্যপদ পায়। কিন্তু এটা অনেক পুরনো দেশ। এটা দুই হাজার বছরের কাছাকাছি বয়সের একটা দেশ। ৬১ দশমিক দুই বর্গ কিলোমিটার আয়তনের এ দেশের জনসংখ্যা ৩০ হাজার। মাথাপিছু আয় ৫৫ হাজার ৪৪৯ মার্কিন ডলার। ইউরোপের কোনো কোনো দেশের চেয়ে বেশি।

তিনি বলেন, এই দেশটির ৪০ শতাংশ শিল্প, ৬০ শতাংশ হচ্ছে সেবা খাত। এদের এক শতাংশের মতো কৃষি থেকে আসে। এটা খুবই উন্নত একটা দেশ।

২০০৮ সাল থেকেই সান ম্যারিনোর সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের প্রক্রিয়া চলছিল জানিয়ে শফিউল আলম বলেন, আমাদের বোঝার ভুলে বিলম্ব হয়েছে, আমরা মনে করেছিলাম যে মন্ত্রিসভার অনুসমর্থন লাগবে না। ‘জাতিসংঘের সদস্য হিসেবে এই দেশের সাথে আমাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক হতে পারে। কিন্তু তাদের সংবিধানে একটি প্রভিশন আছে, যে দেশের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করতে হবে, ফরমালি (আনুষ্ঠানিকভাবে) করতে হবে, বাই-ল্যাটারাল (দ্বিপাক্ষিক) করতে হবে। ওরা আমাদের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের জন্য চুক্তি দিয়েছে, আমাদের মন্ত্রিসভা সেটাকে অনুসমর্থন দিল, এখন দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন হবে।

শফিউল বলেন, দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন হলে বড় সুবিধাটা হলো, যখন ভোটাভুটির বিষয় হয়, ভোটের সাথে ছোট দেশগুলো আমাদের ভালো সমর্থন দেয়। এজন্য আমাদের সাপোর্টার হিসেবে কাজে লাগবে।

কূটনৈতিক সম্পর্কের কারণে বাংলাদেশের বাণিজ্যিকভাবে লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা কতটুকু- এ বিষয়ে তিনি বলেন, ইউরোপের সার্ভিস সেক্টরে এদের প্রভাব অনেক বেশি। এদের ইন্ডাস্ট্রিও ভালো। আমরা লাভবান হওয়াটাই খুব স্বাভাবিক। আমাদের শিল্পের আমদানি রফতানি দুটিই হতে পারে। বাংলাদেশে দূতাবাস খুলতেও দেশটি আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

নেপ ডিজির মৃত্যুতে শোক
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির (নেপ) মহাপরিচালক ফজলুর রহমানের (৫৮) মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে মন্ত্রিসভা।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব সাংবাদিকদের বলেন, নেপ ডিজির মৃত্যুতে মন্ত্রিসভা শোক প্রকাশ করেছে, তার শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে।

১৯৮৩ সালের ১৬ জুন সরকারি চাকরিতে যোগ দেন ফজলুর রহমান। যুগ্মসচিব হিসেবে পদোন্নতির পর ২০১৫ সালের ১৯ জানুয়ারি নেপের মহাপরিচালক পদে যোগ দেন। মাইক্রোবাসে করে খাগড়াছড়ি যাওয়ার পথে গত ১৩ মে চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে সড়ক দুর্ঘটনায় তিনি নিহত হন।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫