কানে পরি ঝুমকা

জারীন তাসনিম

কানের গয়না হিসেবে অনেকেই এখন ঝুমকা পছন্দ করেন। বিভিন্ন ডিজাইনের ঝুমকা এখন তৈরিও হচ্ছে। গোল ঝুমকা ছাড়াও এখন লম্বা আকৃতির বা চৌকা ডিজাইনের ঝুমকাও তৈরি হচ্ছে। একটি অর্ধগোলক নিয়ে করা ডিজাইনটি বেশি চললেও কয়েকটি পরপর সাজিয়েও তৈরি করা হচ্ছে ডিজাইন। অন্য ডিজাইনের সাথেও জুড়ে দেয়া হচ্ছে ঝুমকা

ঝুমকা স্বকীয় ডিজাইন বৈশিষ্ট্য নিয়ে বহুকাল ধরেই এ অঞ্চলের নারীর গয়নার বক্সে অবস্থান করছে। অর্ধগোলকের সাথে কখনো ছোট বলের ঝালর, কখনো মুক্তো আবার কখনো চেনের ঝালরের সমন্বয়ে গড়ে তোলা ঝুমকা কানে পরার অলঙ্কার হিসেবে বেশ সুপরিচিত। একসময় বিয়ের কনের কানের গয়না মানেই ছিল ঝুমকা। এরপর বিস্তার ঘটে ঝোলানো ইয়ারিংয়ের। ধীরে ধীরে ঝুমকা অনেকটাই আড়ালে চলে যায়। কিন্তু এরপর আবার ঝুমকা ফিরে আসে। এ সময়ে ঝুমকা অলঙ্কার হিসেবে বেশ জনপ্রিয়।
একসময় মূলত সোনা বা রুপায় ঝুমকা তৈরি হতো; কিন্তু এখন কত প্রকারের আর কত ডিজাইনের যে ঝুমকা পাওয়া যায়, না দেখলে বোঝা যাবে না। সোনা, রুপা ছাড়াও পিতল, অক্সিডাইস, মেটাল, মাটি, কাগজ, কাপড় এমনকি সুতা দিয়েও তৈরি হচ্ছে ঝুমকা। নানা রঙের সমন্বয়ে ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে নানা ডিজাইন। আকার আকৃতিতে যোগ হচ্ছে নিত্যনতুন অনুষঙ্গ।
কোয়ালিটি জুয়েলার্সের স্বত্বাধিকারী বাতেন আহমেদ ঝুমকা নিয়ে বলেন, কানের গয়না হিসেবে অনেকেই এখন ঝুমকা পছন্দ করেন। বিভিন্ন ডিজাইনের ঝুমকা এখন তৈরিও হচ্ছে। গোল ঝুমকা ছাড়াও এখন লম্বা আকৃতির বা চৌকা ডিজাইনের ঝুমকাও তৈরি হচ্ছে। একটি অর্ধগোলক নিয়ে করা ডিজাইনটি বেশি চললেও কয়েকটি পরপর সাজিয়েও তৈরি করা হচ্ছে ডিজাইন। অন্য ডিজাইনের সাথেও জুড়ে দেয়া হচ্ছে ঝুমকা। কখনো লম্বা চেনের নিচে বসনো হচ্ছে ঝুমকা। কখনো ঝুমকার নিচে থাকছে লম্বা চেন। থাকছে মুক্তা, পুঁতি বা পাথর। আসলে ঝুমকার ডিজাইনে এখন অনেক বৈচিত্র্য। সাধারণ পোশাকের সাথে পরার মতো ছোট ঝুমকা যেমন রয়েছে তেমনি পার্টিতে পরার মতো এমনকি বিয়ের কনের জন্যও রয়েছে আকর্ষণীয় ডিজাইনের সব ঝুমকা।
এসব তো গেল স্বর্ণের তৈরি ঝুমকার কথা। রুপার ঝুমকাও বেশ জনপ্রিয় বিশেষ করে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে। এ ছাড়া কস্টিউম জুয়েলারি প্রস্তুতকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কম দামি নানা মেটালে তৈরি করছে বিভিন্ন ডিজাইনের ঝুমকা। এগুলো দেখতেও বেশ আকর্ষণীয় দামও বেশি নয়। এ ছাড়া রঙের বৈচিত্র্য থাকায় সব ধরনের পোশাকের সাথেই এগুলো পরা যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আনিকা বলেন, ঝুমকা বেশ চমৎকার একটা গয়না বলা যায়। এতে ট্র্যাডিশনাল ও মডার্ন দুটো বিষয়ই মিশে আছে। আজকাল তো অনেক ডিজাইনের ঝুমকা পাওয়া যায়। আমরা যারা শিক্ষার্থী তাদের হালকা; কিন্তু আকর্ষণীয় গয়না পছন্দ। ছোট্ট রুপার একটা ঝুমকা যেমন সব পোশাকের সাথে মানায় তেমনি সব পরিবেশেও মানানসই। তাই অনেকেই ঝুমকা বেছে নেয়।
আড়ংয়ে রয়েছে ট্র্যাডিশনাল ঝুমকার বড় কালেকশন।
বিশেষ করে রুপার ঝুমকা নানা ডিজাইন ও আকারে রয়েছে এখানে।
অনলাইন শপ দারাজ তৈরি করছে বিভিন্ন ডিজাইনের ঝুমকা। রঙ বেরঙের সুতার সমন্বয়ে ঝুমকাকে করে তোলা হয়েছে রঙিন। আকর্ষণীয় এই ঝুমকাগুলো পাবেন সাজবাড়িতে।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.