ঢাকা, শুক্রবার,২৪ নভেম্বর ২০১৭

অন্যান্য

শিশুদের কাঁদানোর উৎসব (ভিডিওসহ)

নয়া দিগন্ত অনলাইন

১৫ মে ২০১৭,সোমবার, ১০:২৮ | আপডেট: ১৫ মে ২০১৭,সোমবার, ১১:০০


প্রিন্ট

রোববার দিনটি জাপানি শিশুদের কাছে ছিল বিভীষিকাময়। কারণ এইদিন জাপানে পালন করা হল ঐতিহ্যময় ‘‌ক্রাইং সুমো’‌ (‌ক্রন্দনরত সুমো)‌ রিং উৎসব। এই ঐতিহ্যবাহী দিনটি শিশুদের সুস্বাস্থ্যের জন্য পালন করা হয়। পশ্চিম টোকিও শহরের প্রান্তিক এলাকা সাগামিহারাতে ছোট ছোট শিশুদের ছোট্ট সুমো বেল্ট ও অ্যাপ্রন পরিয়ে তাদের কুস্তীগির বানানো হয়। কুস্তীগির শিশুদের কাজই হল জোরে জোরে কাঁদা। কুস্তীগিররা মাঝে মাঝে শিশুদের কাঁদানোর জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করতে থাকেন।

এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী জিনটারোর মা টোমোয়ো ওয়াটানেব বলেন, ‘‌আমার ছেলে শুরু থেকেই কেঁদে যাচ্ছে। আমার খুব খারাপ লাগছে। কিন্তু আমায় দেখতে হচ্ছে আমার বাচ্চার কান্না। আমি প্রার্থনা করছি যেন এই উৎসবের পর আমার ছেলে যেন সুস্থ ও শক্তিশালী হয়।’‌

 

এই ‘‌ক্রন্দনরত সুমো’‌ উৎসব টোকিয়োর সব মন্দিরগুলোতে পালন করা হয় অভিভাবক ও অন্য দর্শকদের আনন্দের জন্য। এই উৎসব নিয়ে যাজক হিরোয়ুকি নেগিসি বলেন, ‘শিশুদের এই উৎসবে কাঁদানোর কারণ হল তাদের মধ্যে থেকে শয়তানকে বের করে তাদের কষ্ট থেকে রক্ষা করা।’‌

চার শ' বছর ধরে এই উৎসব পালন করা হচ্ছে জাপানে। উৎসবের নিয়ম অঞ্চল অনুযায়ী মেনে চলা হয়। কিছু কিছু জায়গায় শিশুকে মা–বাবা প্রথম কাঁদাতে চায় আবার অন্য অনেক জায়গায় শিশু প্রথম কাঁদলে ক্ষতি হয় বলেও অনেকে মানেন।

রোববার সাগামিহারায় এই উৎসবে শিশুদের তার অভিভাবক ও দাদু–দিদারা প্রথমে যাজকের কাছে পবিত্র করানোর জন্য নিয়ে যায়। তারপরে শিশুদের নামানো হয় সুমো রিংয়ে, সেখানেই প্রতিদ্বন্দ্বী শিশুর সাথে শুরু হয় কান্নার লড়াই। ২০১১ সাল থেকে সাগামিহারাতে এই উৎসব হচ্ছে।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫