জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়ের মুখোমুখির অপেক্ষায় চঞ্চল

অভি মঈনুদ্দীন


পাবনার সুজানগর থানার কামারহাট গ্রামের সন্তান জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। মঞ্চে, টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ আরো বিভিন্ন সংগঠন এবং প্রতিষ্ঠান থেকে বহুবার পুরস্কৃত হয়েছেন। কিন্তু এবার তার জীবনের সেরা মুহূর্তের মুখোমুখি হওয়ার অপেক্ষায় আছেন তিনি।

এবারই প্রথম তার মা নমিতা চৌধুরী একজন শ্রেষ্ঠ মা হিসেবে ‘গরবিনী মা’ সম্মাননা পেতে যাচ্ছেন। রাজধানীর মহাখালীতে অবস্থিত ইউনিভার্সেল মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হসপিটালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা: আশীষ কুমার চক্রবর্তীর উদ্যোগে এই নিয়ে চতুর্থবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বিশ্ব মা দিবস উপলক্ষে ‘গরবিনী মা সম্মাননা’।

বাংলাদেশের নাটক ও চলচ্চিত্রে বিশেষ অবদানের ক্ষেত্রে অভিনয় জগতে চঞ্চল চৌধুরী এক শ্রদ্ধার নাম। আর এ কারণেই তার মা নমিতা চৌধুরীকে ‘গরবিনী মা সম্মানা’য় ভূষিত করা হচ্ছে। রোববার বেলা ২টায় রাজধানীর রাওয়া কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠানে উপস্থিত প্রধান অতিথি তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর কাছ থেকে সম্মাননা গ্রহণ করবেন নমিতা চৌধুরী।

নিজের কাজের সাফল্যের জন্য মাকে সম্মাননা দেয়ার বিষয়টি প্রসঙ্গে চঞ্চল চৌধুরী বলেন, অভিনয় করে আমি জীবনে অসংখ্য পুরস্কার পেয়েছি। যতবারই পুরস্কার হাতে নিতে গিয়েছি, ততবারই আমার মা-বাবার কথা মনে পড়েছে। কারণ, তাদের কারণেই আমি এই সুন্দর পৃথিবীর মুখ দেখতে পেরেছি। এমন মায়ের গর্ভে আমার জন্ম হয়েছে বলেই আমি চঞ্চল চৌধুরী হতে পেরেছি। তাই আমার সাফল্যে আমার মায়ের হাতে যে সম্মানা তুলে দেয়া হচ্ছে এর চেয়ে ভালোলাগা আমার জীবনে আর কিছুই হতে পারে না। তাই সেই জীবনের সেই শ্রেষ্ঠ সময়ের মুখোমুখি হওয়ার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি আমি। আমি কৃতজ্ঞ যারা আমার মাকে সম্মাননা দিচ্ছেন।

চঞ্চল চৌধুরীর মা নমিতা চৌধুরী শুধু এটুকুই বললেন, খুব খুশি আমি, খুশি চঞ্চলের বাবাসহ আমাদের পরিবারের সবাই। এরই মধ্যে চঞ্চল চৌধুরীর মা এবং বাবা রাধা গোবিন্দ চৌধুরী পাবনা থেকে ঢাকায় চলে এসেছেন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার জন্য।

সামনে ঈদ। ঈদের নাটকের কাজ করার পাশাপাশি নতুন ধারাবাহিকের কাজ নিয়ে চঞ্চল চৌধুরী ব্যস্ত থাকলেও মা সম্মাননা অর্জনের এই দিনটিতে কোনো শুটিং রাখেননি। দিনটি শুধুই তার মায়ের জন্য।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.